১০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

ফার্নেস অয়েলের দাম আবার বাড়ল, লিটারপ্রতি এখন ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সা

দেশে আবারও বাড়ানো হয়েছে ফার্নেস অয়েলের দাম। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নতুন করে লিটারপ্রতি দাম ১৮ টাকা ৮৫ পয়সা বাড়িয়ে ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সা নির্ধারণ করেছে। সোমবার জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। নতুন এই দাম সোমবার মধ্যরাত থেকেই কার্যকর হবে।

এর আগে গত ১২ এপ্রিলও ফার্নেস অয়েলের দাম বড় পরিসরে বাড়ানো হয়েছিল। তখন প্রতি লিটারের দাম ৭০ টাকা ১০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা করা হয়। এক মাসের ব্যবধানে আবারও দাম বৃদ্ধির ফলে শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

দাম বাড়ানোর কারণ কী

বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৩ এপ্রিল থেকে ১২ মে সময়ের মধ্যে আমদানি করা পরিশোধিত ফার্নেস অয়েলের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হার পরিবর্তনের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এই নতুন মূল্যহার নির্ধারণ করা হয়েছে।

কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ মে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়। সেখানে মে মাসের ক্রুড অয়েলের এফওবি মূল্য এবং ডলারের বিনিময় হার বিশ্লেষণ করে নতুন দামের অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটি গঠনের পর সুপারিশ

ফার্নেস অয়েলের মূল্য সমন্বয়ের জন্য গত ১৫ মার্চ একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটি আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি এবং আমদানি ব্যয়ের পরিবর্তন পর্যালোচনা করে সুপারিশ দেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মার্চ মাসে ক্রুড অয়েল আমদানি না হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রকাশিত প্লাটস রেটের গড় মূল্য এবং ডলারের বিনিময় হার বিবেচনায় এপ্রিল মাসের মূল্য সমন্বয়ের সুপারিশ করা হয়েছিল। পরে ৫ ও ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় সেই সুপারিশ পর্যালোচনা করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিদ্যুতের খরচ বাড়ার শঙ্কা

আমদানি করা ফার্নেস অয়েলের একটি বড় অংশ দেশের তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহার করা হয়। ফলে এই জ্বালানির দাম বাড়লে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন এই মূল্যবৃদ্ধির কারণে তেলনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর পরিচালন ব্যয় আরও বাড়তে পারে। এর প্রভাব ভবিষ্যতে বিদ্যুতের সামগ্রিক খরচের ওপরও পড়তে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে মূল্য ওঠানামা এবং ডলারের বিনিময় হার পরিবর্তনের কারণে দেশে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের প্রবণতা বেড়েছে। এর ধারাবাহিকতায় এবার আবারও ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ানো হলো।

ফার্নেস অয়েলের দাম আবার বাড়ল, নতুন সিদ্ধান্তে লিটারপ্রতি দাম ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি। আজ মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে নতুন মূল্য।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

ফার্নেস অয়েলের দাম আবার বাড়ল, লিটারপ্রতি এখন ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সা

০৮:৩৮:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

দেশে আবারও বাড়ানো হয়েছে ফার্নেস অয়েলের দাম। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নতুন করে লিটারপ্রতি দাম ১৮ টাকা ৮৫ পয়সা বাড়িয়ে ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সা নির্ধারণ করেছে। সোমবার জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। নতুন এই দাম সোমবার মধ্যরাত থেকেই কার্যকর হবে।

এর আগে গত ১২ এপ্রিলও ফার্নেস অয়েলের দাম বড় পরিসরে বাড়ানো হয়েছিল। তখন প্রতি লিটারের দাম ৭০ টাকা ১০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা করা হয়। এক মাসের ব্যবধানে আবারও দাম বৃদ্ধির ফলে শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

দাম বাড়ানোর কারণ কী

বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৩ এপ্রিল থেকে ১২ মে সময়ের মধ্যে আমদানি করা পরিশোধিত ফার্নেস অয়েলের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হার পরিবর্তনের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এই নতুন মূল্যহার নির্ধারণ করা হয়েছে।

কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ মে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়। সেখানে মে মাসের ক্রুড অয়েলের এফওবি মূল্য এবং ডলারের বিনিময় হার বিশ্লেষণ করে নতুন দামের অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটি গঠনের পর সুপারিশ

ফার্নেস অয়েলের মূল্য সমন্বয়ের জন্য গত ১৫ মার্চ একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটি আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি এবং আমদানি ব্যয়ের পরিবর্তন পর্যালোচনা করে সুপারিশ দেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মার্চ মাসে ক্রুড অয়েল আমদানি না হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রকাশিত প্লাটস রেটের গড় মূল্য এবং ডলারের বিনিময় হার বিবেচনায় এপ্রিল মাসের মূল্য সমন্বয়ের সুপারিশ করা হয়েছিল। পরে ৫ ও ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় সেই সুপারিশ পর্যালোচনা করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিদ্যুতের খরচ বাড়ার শঙ্কা

আমদানি করা ফার্নেস অয়েলের একটি বড় অংশ দেশের তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহার করা হয়। ফলে এই জ্বালানির দাম বাড়লে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন এই মূল্যবৃদ্ধির কারণে তেলনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর পরিচালন ব্যয় আরও বাড়তে পারে। এর প্রভাব ভবিষ্যতে বিদ্যুতের সামগ্রিক খরচের ওপরও পড়তে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে মূল্য ওঠানামা এবং ডলারের বিনিময় হার পরিবর্তনের কারণে দেশে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের প্রবণতা বেড়েছে। এর ধারাবাহিকতায় এবার আবারও ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ানো হলো।

ফার্নেস অয়েলের দাম আবার বাড়ল, নতুন সিদ্ধান্তে লিটারপ্রতি দাম ১১৩ টাকা ৫৪ পয়সা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি। আজ মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে নতুন মূল্য।