০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

বঙ্গের মাটি থেকে অনুপ্রবেশকারীদের সরানোর হুঁশিয়ারি, নির্বাচনী মঞ্চে শাহর কড়া বার্তা

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী প্রচারে উত্তাপ বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা দিয়েছেন, রাজ্যে তাদের দল ক্ষমতায় এলে শুধু ভোটার তালিকা নয়, পুরো রাজ্য থেকেই অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে সরিয়ে দেওয়া হবে। উত্তরবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রচারে গিয়ে তিনি এই বার্তা দেন।

নির্বাচনী মঞ্চে কড়া অবস্থান

কোচবিহারের নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, এতদিন নির্বাচন কমিশন কেবল ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়েছে। কিন্তু তাদের লক্ষ্য আরও বড়—রাজ্যের মাটি থেকেই অনুপ্রবেশকারীদের সরানো। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি অনুপ্রবেশ ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভোটারদের কাছে শক্ত অবস্থান তুলে ধরেন।

সীমান্ত রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ

শাহ দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আশপাশের প্রায় সব সীমান্ত রাজ্যেই এখন তাদের দলের সরকার রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি বাংলাতেও একই ধরনের সরকার গঠনের আহ্বান জানান, যাতে পুরো সীমান্ত এলাকা আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
তার অভিযোগ, বর্তমান রাজ্য সরকার সীমান্তে বেড়া নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি দিচ্ছে না, ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আইন-শৃঙ্খলা ও দুর্নীতির অভিযোগ

নির্বাচনী ভাষণে তিনি রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কড়া সমালোচনা করেন। তার দাবি, উত্তরবঙ্গের শান্ত পরিবেশ নষ্ট হয়েছে এবং রাজনৈতিক সহিংসতায় বহু কর্মী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ক্ষমতায় এলে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং যাঁরা রাজ্যের সম্পদ লুট করেছেন, তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে।

ভোট ঘিরে উত্তেজনা

কোচবিহারে আসন্ন ভোটকে সামনে রেখে তিনি দলীয় কর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং বিরোধী শিবিরকে কড়া বার্তা দেন। তার বক্তব্যে স্পষ্ট, এই নির্বাচনে নিরাপত্তা, অনুপ্রবেশ ও দুর্নীতি—এই তিন ইস্যুই বড় করে তুলে ধরছে তার দল।

এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এবং ভোটের আগে এই ধরনের বক্তব্য জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

বঙ্গের মাটি থেকে অনুপ্রবেশকারীদের সরানোর হুঁশিয়ারি, নির্বাচনী মঞ্চে শাহর কড়া বার্তা

০৮:১৭:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী প্রচারে উত্তাপ বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা দিয়েছেন, রাজ্যে তাদের দল ক্ষমতায় এলে শুধু ভোটার তালিকা নয়, পুরো রাজ্য থেকেই অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে সরিয়ে দেওয়া হবে। উত্তরবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রচারে গিয়ে তিনি এই বার্তা দেন।

নির্বাচনী মঞ্চে কড়া অবস্থান

কোচবিহারের নির্বাচনী সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, এতদিন নির্বাচন কমিশন কেবল ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দিয়েছে। কিন্তু তাদের লক্ষ্য আরও বড়—রাজ্যের মাটি থেকেই অনুপ্রবেশকারীদের সরানো। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি অনুপ্রবেশ ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভোটারদের কাছে শক্ত অবস্থান তুলে ধরেন।

সীমান্ত রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ

শাহ দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আশপাশের প্রায় সব সীমান্ত রাজ্যেই এখন তাদের দলের সরকার রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তিনি বাংলাতেও একই ধরনের সরকার গঠনের আহ্বান জানান, যাতে পুরো সীমান্ত এলাকা আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
তার অভিযোগ, বর্তমান রাজ্য সরকার সীমান্তে বেড়া নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি দিচ্ছে না, ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আইন-শৃঙ্খলা ও দুর্নীতির অভিযোগ

নির্বাচনী ভাষণে তিনি রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কড়া সমালোচনা করেন। তার দাবি, উত্তরবঙ্গের শান্ত পরিবেশ নষ্ট হয়েছে এবং রাজনৈতিক সহিংসতায় বহু কর্মী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ক্ষমতায় এলে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং যাঁরা রাজ্যের সম্পদ লুট করেছেন, তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে।

ভোট ঘিরে উত্তেজনা

কোচবিহারে আসন্ন ভোটকে সামনে রেখে তিনি দলীয় কর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং বিরোধী শিবিরকে কড়া বার্তা দেন। তার বক্তব্যে স্পষ্ট, এই নির্বাচনে নিরাপত্তা, অনুপ্রবেশ ও দুর্নীতি—এই তিন ইস্যুই বড় করে তুলে ধরছে তার দল।

এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে এবং ভোটের আগে এই ধরনের বক্তব্য জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।