০১:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা, আগুন ও সাময়িকভাবে বন্ধ কিছু কার্যক্রম জলবায়ু ঝুঁকির প্রমাণ আছে, এবার নেপালের দরকার কার্যকর পদক্ষেপ জার্মানির স্যাক্সনি-আনহাল্টে উগ্র ডানপন্থীদের বড় জয়, চাপে মূলধারার রাজনীতি নেপালের ‘জেন জি’ আন্দোলনের এক বছর, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে না: কার্কি ‘ক্লিন ব্রেক’ থেকে অন্তহীন যুদ্ধ: প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা নীতি চার প্রদেশ নিয়েই অখণ্ড থাকবে পাকিস্তান, নতুন প্রদেশের প্রস্তাব নাকচ সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রীর নিউইয়র্কে বসছে ভোগ বিজনেসের বৈশ্বিক সম্মেলন, টিকিট বিক্রি শুরু ‘ক্লিন গার্ল’ যুগের বিদায়, বসন্ত-গ্রীষ্ম ২০২৭-এ আসছে নতুন ফ্যাশন ধারা দামি গয়না খোঁজার নতুন ঠিকানা কি টিকটক? বদলে যাওয়া শরীরের জন্য বিলাসবহুল ফ্যাশন, নতুন বাজার তৈরি করছে ওয়েলডান

বছর শেষে অর্ধেক পোশাক কারখানা বন্ধ হওয়ার শঙ্কা, বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন

ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট আর রপ্তানি প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ায় বাংলাদেশের পোশাক শিল্প গভীর বিপদে পড়েছে। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ দেশের অর্ধেক পর্যন্ত টেক্সটাইল কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

৪০ লাখ মানুষের জীবিকা ঝুঁকিতে

পোশাক খাত বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশ দেয় এবং ৪০ লাখের বেশি মানুষের কাজ এখানে, যাদের বড় অংশই নারী। এই শিল্প টিকে না থাকলে লক্ষ লক্ষ পরিবার সরাসরি আর্থিক সংকটে পড়বে।

চাপ আসছে সব দিক থেকে

বাংলাদেশ তার জ্বালানির বেশিরভাগ উপসাগর থেকে কেনে। যুদ্ধের পর এলএনজির দাম, জাহাজের বীমা খরচ এবং বন্দরে অপেক্ষার সময় সব বেড়েছে। এই বাড়তি খরচ বহন করে প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য দেওয়া ক্রমেই কঠিন হচ্ছে।

ভিয়েতনাম ও ভারত এগিয়ে যাচ্ছে

ক্রেতারা ইতিমধ্যে বিকল্প দেশে সরে যাচ্ছেন। ভিয়েতনাম, ভারত ও কম্বোডিয়া কম খরচে উৎপাদন করতে পারছে। অর্ডার হারালে কারখানা টিকবে না।

ইরান যুদ্ধের জ্বালানি ও প্রতিযোগিতার চাপে বাংলাদেশের অর্ধেক পোশাক কারখানা বছর শেষে বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা, আগুন ও সাময়িকভাবে বন্ধ কিছু কার্যক্রম

বছর শেষে অর্ধেক পোশাক কারখানা বন্ধ হওয়ার শঙ্কা, বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন

০৭:১১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট আর রপ্তানি প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ায় বাংলাদেশের পোশাক শিল্প গভীর বিপদে পড়েছে। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ দেশের অর্ধেক পর্যন্ত টেক্সটাইল কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

৪০ লাখ মানুষের জীবিকা ঝুঁকিতে

পোশাক খাত বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশ দেয় এবং ৪০ লাখের বেশি মানুষের কাজ এখানে, যাদের বড় অংশই নারী। এই শিল্প টিকে না থাকলে লক্ষ লক্ষ পরিবার সরাসরি আর্থিক সংকটে পড়বে।

চাপ আসছে সব দিক থেকে

বাংলাদেশ তার জ্বালানির বেশিরভাগ উপসাগর থেকে কেনে। যুদ্ধের পর এলএনজির দাম, জাহাজের বীমা খরচ এবং বন্দরে অপেক্ষার সময় সব বেড়েছে। এই বাড়তি খরচ বহন করে প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য দেওয়া ক্রমেই কঠিন হচ্ছে।

ভিয়েতনাম ও ভারত এগিয়ে যাচ্ছে

ক্রেতারা ইতিমধ্যে বিকল্প দেশে সরে যাচ্ছেন। ভিয়েতনাম, ভারত ও কম্বোডিয়া কম খরচে উৎপাদন করতে পারছে। অর্ডার হারালে কারখানা টিকবে না।

ইরান যুদ্ধের জ্বালানি ও প্রতিযোগিতার চাপে বাংলাদেশের অর্ধেক পোশাক কারখানা বছর শেষে বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।