০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

বাংলাদেশীদের জন্য আমেরিকার অভিবাসী ভিসা বন্ধ করা হয়েছে  

যুক্তরাষ্ট্র হঠাৎ করেই বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা ইস্যু স্থগিত করেছে। একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আরও ৭৪টি দেশের ক্ষেত্রে। সোমবার ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এ তথ্য জানিয়েছে। তবে দর্শনার্থী ভিসার ক্ষেত্রে এই স্থগিতাদেশ প্রযোজ্য নয় বলে স্পষ্ট করা হয়েছে।

কেন এই সিদ্ধান্ত

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে তুলনামূলক বেশি হারে সরকারি আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করেন, সেই দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থের ওপর বাড়তি চাপ কমানোর যুক্তিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দূতাবাসের বার্তায় উল্লেখ করা হয়।

কবে থেকে কার্যকর

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের অভিবাসী ভিসা সাময়িক বন্ধ

জানানো হয়েছে, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। ওই তারিখ থেকে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য নতুন করে অভিবাসী ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকবে।

যাদের আবেদন প্রক্রিয়াধীন

দূতাবাস আরও জানিয়েছে, প্রভাবিত দেশগুলোর নাগরিকরা আগের মতোই অভিবাসী ভিসার জন্য আবেদন জমা দিতে পারবেন এবং সাক্ষাৎকারেও অংশ নিতে পারবেন। পররাষ্ট্র দপ্তর নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সাক্ষাৎকার গ্রহণ অব্যাহত রাখবে। তবে চূড়ান্তভাবে ভিসা ইস্যু আপাতত স্থগিত থাকবে।

দর্শনার্থী ভিসায় প্রভাব নেই

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য বন্ধ হচ্ছে মার্কিন ভিসা

এই সিদ্ধান্ত দর্শনার্থী ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ স্বল্পমেয়াদি সফর, ব্যবসা বা ভ্রমণের জন্য যারা যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চান, তাদের ভিসা প্রক্রিয়া আগের নিয়মেই চলবে।

বাংলাদেশিদের জন্য কী বার্তা

এই সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করা বহু বাংলাদেশি পরিবার অনিশ্চয়তায় পড়তে পারেন। বিশেষ করে যারা অভিবাসন প্রক্রিয়ার শেষ ধাপে ছিলেন, তাদের ক্ষেত্রে অপেক্ষার সময় আরও দীর্ঘ হতে পারে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

বাংলাদেশীদের জন্য আমেরিকার অভিবাসী ভিসা বন্ধ করা হয়েছে  

০৪:৫১:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র হঠাৎ করেই বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা ইস্যু স্থগিত করেছে। একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আরও ৭৪টি দেশের ক্ষেত্রে। সোমবার ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এ তথ্য জানিয়েছে। তবে দর্শনার্থী ভিসার ক্ষেত্রে এই স্থগিতাদেশ প্রযোজ্য নয় বলে স্পষ্ট করা হয়েছে।

কেন এই সিদ্ধান্ত

মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে তুলনামূলক বেশি হারে সরকারি আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করেন, সেই দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের অর্থের ওপর বাড়তি চাপ কমানোর যুক্তিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দূতাবাসের বার্তায় উল্লেখ করা হয়।

কবে থেকে কার্যকর

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের অভিবাসী ভিসা সাময়িক বন্ধ

জানানো হয়েছে, ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। ওই তারিখ থেকে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য নতুন করে অভিবাসী ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকবে।

যাদের আবেদন প্রক্রিয়াধীন

দূতাবাস আরও জানিয়েছে, প্রভাবিত দেশগুলোর নাগরিকরা আগের মতোই অভিবাসী ভিসার জন্য আবেদন জমা দিতে পারবেন এবং সাক্ষাৎকারেও অংশ নিতে পারবেন। পররাষ্ট্র দপ্তর নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সাক্ষাৎকার গ্রহণ অব্যাহত রাখবে। তবে চূড়ান্তভাবে ভিসা ইস্যু আপাতত স্থগিত থাকবে।

দর্শনার্থী ভিসায় প্রভাব নেই

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য বন্ধ হচ্ছে মার্কিন ভিসা

এই সিদ্ধান্ত দর্শনার্থী ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ স্বল্পমেয়াদি সফর, ব্যবসা বা ভ্রমণের জন্য যারা যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চান, তাদের ভিসা প্রক্রিয়া আগের নিয়মেই চলবে।

বাংলাদেশিদের জন্য কী বার্তা

এই সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করা বহু বাংলাদেশি পরিবার অনিশ্চয়তায় পড়তে পারেন। বিশেষ করে যারা অভিবাসন প্রক্রিয়ার শেষ ধাপে ছিলেন, তাদের ক্ষেত্রে অপেক্ষার সময় আরও দীর্ঘ হতে পারে।