১০:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

বাংলাদেশ ব্যাংকের একদিনে ৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার কেনা, স্থিতিশীল হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার

দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে একদিনেই ৮ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে এই ডলার কেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতি ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয় ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

চলতি মে মাসে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট ডলার কেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট ৬০৬ কোটি ডলার কিনেছে।

বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে

অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকারদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহ বাড়ায় বাজারে ডলারের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর ফলে অনেক ব্যাংকের হাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ডলার জমা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাজারে ডলারের দর হঠাৎ কমে যাওয়া ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত ডলার কিনছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত কয়েক বছর ধরে ডলার সংকট, উচ্চ আমদানি ব্যয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ার কারণে দেশের অর্থনীতি চাপে ছিল। তবে এখন পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে।

আরও আড়াই কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক | Campus Times

রিজার্ভ শক্তিশালী করার উদ্যোগ

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, বাজারে যখন ডলারের অতিরিক্ত সরবরাহ থাকে তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনে নেয়। আবার সংকট দেখা দিলে বাজারে ডলার ছেড়ে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করা হয়।

ব্যাংকারদের মতে, বর্তমানে আন্তঃব্যাংক বাজারে আগের মতো চাপ নেই। অনেক ব্যাংকের হাতে উদ্বৃত্ত ডলার থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সহজেই সেগুলো কিনতে পারছে। এতে একদিকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে, অন্যদিকে ডলারের দর অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার ঝুঁকিও কমছে।

অর্থনীতিতে স্বস্তির আভাস

বিশ্লেষকদের মতে, বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়া, রপ্তানি আয়ের উন্নতি এবং আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকায় বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়তে শুরু করেছে। তারা মনে করছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে সামনের মাসগুলোতে অর্থনীতিতে আরও স্বস্তি ফিরতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

বাংলাদেশ ব্যাংকের একদিনে ৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার কেনা, স্থিতিশীল হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার

০৭:২৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে একদিনেই ৮ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে এই ডলার কেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রতি ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয় ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

চলতি মে মাসে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট ডলার কেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট ৬০৬ কোটি ডলার কিনেছে।

বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে

অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকারদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহ বাড়ায় বাজারে ডলারের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর ফলে অনেক ব্যাংকের হাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ডলার জমা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাজারে ডলারের দর হঠাৎ কমে যাওয়া ঠেকাতে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত ডলার কিনছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত কয়েক বছর ধরে ডলার সংকট, উচ্চ আমদানি ব্যয় এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ার কারণে দেশের অর্থনীতি চাপে ছিল। তবে এখন পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে।

আরও আড়াই কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক | Campus Times

রিজার্ভ শক্তিশালী করার উদ্যোগ

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, বাজারে যখন ডলারের অতিরিক্ত সরবরাহ থাকে তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনে নেয়। আবার সংকট দেখা দিলে বাজারে ডলার ছেড়ে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করা হয়।

ব্যাংকারদের মতে, বর্তমানে আন্তঃব্যাংক বাজারে আগের মতো চাপ নেই। অনেক ব্যাংকের হাতে উদ্বৃত্ত ডলার থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সহজেই সেগুলো কিনতে পারছে। এতে একদিকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে, অন্যদিকে ডলারের দর অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার ঝুঁকিও কমছে।

অর্থনীতিতে স্বস্তির আভাস

বিশ্লেষকদের মতে, বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়া, রপ্তানি আয়ের উন্নতি এবং আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকায় বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়তে শুরু করেছে। তারা মনে করছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে সামনের মাসগুলোতে অর্থনীতিতে আরও স্বস্তি ফিরতে পারে।