০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নরের রূপরেখা: বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধির পথে অর্থনীতি

দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান দেশের অর্থনীতিকে নিম্নস্তরের স্থবির অবস্থা থেকে বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধির ধারায় নিয়ে যাওয়ার সুস্পষ্ট রূপরেখা তুলে ধরেছেন। নিয়োগের একদিন পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপগভর্নর ও নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার ও কর্মপরিকল্পনা ব্যাখ্যা করেন।

ম্যাক্রো অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ধরে রেখে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ওপর জোর দেন তিনি। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানানো হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের পদক্ষেপে অর্থনীতি ভঙ্গুর অবস্থা থেকে স্থিতিশীল পর্যায়ে এসেছে। এখন মূল চ্যালেঞ্জ হলো এই স্থিতিশীলতা বজায় রেখে এমন প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা, যা কর্মসংস্থান বাড়াবে এবং বিনিয়োগকে ত্বরান্বিত করবে।

স্থিতিশীলতা থেকে টেকসই প্রবৃদ্ধি

গভর্নর বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সামষ্টিক অর্থনীতির ভারসাম্য বজায় রাখা হবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করে অর্থনীতিকে গতিশীল করতে হবে। উচ্চ সুদের হার বিনিয়োগে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে কি না, সেটিও পর্যালোচনা করা হবে।

শিল্প ও কর্মসংস্থানে গতি ফেরানোর উদ্যোগ

বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তাঁর মতে, শিল্প খাতে গতি ফিরলে অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার হবে এবং কর্মসংস্থান বাড়বে। প্রবৃদ্ধি যেন সমাজের সব স্তরে সুফল পৌঁছে দেয়, সেদিকেও নজর দেওয়া হবে।

ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ও জবাবদিহি

ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন গভর্নর। নীতিনির্ধারণে উদ্দেশ্যভিত্তিক ফলাফল অর্জন, নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেতরে দায়িত্ব অর্পণ বাড়িয়ে কাজের গতি ও দক্ষতা বাড়ানোর কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পেশাদার ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার ও শক্তিশালী করার বিষয়টিও অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নরের রূপরেখা: বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধির পথে অর্থনীতি

১২:১৭:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান দেশের অর্থনীতিকে নিম্নস্তরের স্থবির অবস্থা থেকে বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধির ধারায় নিয়ে যাওয়ার সুস্পষ্ট রূপরেখা তুলে ধরেছেন। নিয়োগের একদিন পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উপগভর্নর ও নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার ও কর্মপরিকল্পনা ব্যাখ্যা করেন।

ম্যাক্রো অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ধরে রেখে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ওপর জোর দেন তিনি। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানানো হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের পদক্ষেপে অর্থনীতি ভঙ্গুর অবস্থা থেকে স্থিতিশীল পর্যায়ে এসেছে। এখন মূল চ্যালেঞ্জ হলো এই স্থিতিশীলতা বজায় রেখে এমন প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা, যা কর্মসংস্থান বাড়াবে এবং বিনিয়োগকে ত্বরান্বিত করবে।

স্থিতিশীলতা থেকে টেকসই প্রবৃদ্ধি

গভর্নর বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সামষ্টিক অর্থনীতির ভারসাম্য বজায় রাখা হবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করে অর্থনীতিকে গতিশীল করতে হবে। উচ্চ সুদের হার বিনিয়োগে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে কি না, সেটিও পর্যালোচনা করা হবে।

শিল্প ও কর্মসংস্থানে গতি ফেরানোর উদ্যোগ

বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তাঁর মতে, শিল্প খাতে গতি ফিরলে অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার হবে এবং কর্মসংস্থান বাড়বে। প্রবৃদ্ধি যেন সমাজের সব স্তরে সুফল পৌঁছে দেয়, সেদিকেও নজর দেওয়া হবে।

ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ও জবাবদিহি

ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন গভর্নর। নীতিনির্ধারণে উদ্দেশ্যভিত্তিক ফলাফল অর্জন, নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেতরে দায়িত্ব অর্পণ বাড়িয়ে কাজের গতি ও দক্ষতা বাড়ানোর কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পেশাদার ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার ও শক্তিশালী করার বিষয়টিও অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে বলে জানান তিনি।