০১:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক ইস্যুতে তীব্র বিস্ফোরণ, ‘মব কালচারের আনুষ্ঠানিক সূচনা’ বললেন ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ ব্যাংকে সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেছেন, এ ঘটনার মধ্য দিয়েই বর্তমান সরকার সমর্থিত ‘মব কালচারের’ আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটেছে। তিনি পুরো বিষয়টিকে দুর্ভাগ্যজনক ও সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন।

বৃহস্পতিবার ভোরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। তার বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘটনা নিয়ে কঠোর অবস্থান

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক ও অগ্রহণযোগ্য...

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তা কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তার ভাষায়, এটি একটি বিপজ্জনক প্রবণতার সূচনা। তিনি মনে করেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে সংগঠিতভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের অপমান করার সংস্কৃতি তৈরি হচ্ছে।

তিনি বিশেষভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও তার উপদেষ্টার প্রতি আচরণকে অসম্মানজনক বলে উল্লেখ করেন। তার মতে, সম্মানিত ব্যক্তিদের এভাবে হেয় করার অধিকার কারও নেই।

অর্থনীতি নিয়ে শঙ্কা

বিরোধী দলীয় এই নেতা দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি ইতোমধ্যেই নানা সংকটে জর্জরিত। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের প্রভাব অর্থনীতিকে চাপে ফেলেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতা তৈরি হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

তার আশঙ্কা, এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে দেশের অর্থনীতির অবশিষ্ট শক্তিটুকুও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘটনা মব-কালচারের সূচনা

সমাজের সর্বস্তরের প্রতিবাদের আহ্বান

ডা. শফিকুর রহমান মনে করেন, এ ধরনের বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। তিনি দাবি করেন, ইতোমধ্যেই বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের মব সৃষ্টি করে দায়িত্বশীল ও দক্ষ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে উৎপাতের ঘটনা ঘটছে।

সরকারের প্রতি বার্তা

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হলে এসব অপতৎপরতা দ্রুত বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে দলীয় বিবেচনার পরিবর্তে যোগ্যতা ও দেশপ্রেমের ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

বাংলাদেশ ব্যাংক ইস্যুতে তীব্র বিস্ফোরণ, ‘মব কালচারের আনুষ্ঠানিক সূচনা’ বললেন ডা. শফিকুর রহমান

০৪:৪৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকে সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেছেন, এ ঘটনার মধ্য দিয়েই বর্তমান সরকার সমর্থিত ‘মব কালচারের’ আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটেছে। তিনি পুরো বিষয়টিকে দুর্ভাগ্যজনক ও সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন।

বৃহস্পতিবার ভোরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। তার বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘটনা নিয়ে কঠোর অবস্থান

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক ও অগ্রহণযোগ্য...

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তা কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তার ভাষায়, এটি একটি বিপজ্জনক প্রবণতার সূচনা। তিনি মনে করেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে সংগঠিতভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের অপমান করার সংস্কৃতি তৈরি হচ্ছে।

তিনি বিশেষভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও তার উপদেষ্টার প্রতি আচরণকে অসম্মানজনক বলে উল্লেখ করেন। তার মতে, সম্মানিত ব্যক্তিদের এভাবে হেয় করার অধিকার কারও নেই।

অর্থনীতি নিয়ে শঙ্কা

বিরোধী দলীয় এই নেতা দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি ইতোমধ্যেই নানা সংকটে জর্জরিত। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের প্রভাব অর্থনীতিকে চাপে ফেলেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতা তৈরি হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

তার আশঙ্কা, এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে দেশের অর্থনীতির অবশিষ্ট শক্তিটুকুও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘটনা মব-কালচারের সূচনা

সমাজের সর্বস্তরের প্রতিবাদের আহ্বান

ডা. শফিকুর রহমান মনে করেন, এ ধরনের বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। তিনি দাবি করেন, ইতোমধ্যেই বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের মব সৃষ্টি করে দায়িত্বশীল ও দক্ষ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে উৎপাতের ঘটনা ঘটছে।

সরকারের প্রতি বার্তা

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হলে এসব অপতৎপরতা দ্রুত বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে দলীয় বিবেচনার পরিবর্তে যোগ্যতা ও দেশপ্রেমের ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।