১১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ

৮৬ বছর বয়সে এসে বয়স বাড়াকে আর ভয় পাওয়ার কিছু মনে করেন না খ্যাতিমান রাঁধুনি ও লেখিকা ডেম প্রু লেইথ। বরং তাঁর কাছে বার্ধক্য মানেই জীবনের এক স্বস্তিদায়ক অধ্যায়, যেখানে অন্য মানুষ কী ভাবছে—সেই চিন্তা অনেকটাই ঝেড়ে ফেলা যায়।

‘বয়স হলে কে কী ভাবল, তা নিয়ে মাথাব্যথা থাকে না’

প্রু লেইথের ভাষায়, বয়স বাড়ার সবচেয়ে বড় আনন্দ হলো মানুষের মতামতকে আর অতটা গুরুত্ব না দেওয়া। তখন নিজের মতো করে জীবন কাটানো যায়। দুপুরে একটু ঘুমিয়ে নিলেও কেউ সেটিকে অস্বাভাবিক বলে মনে করে না।

তিনি বলেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে মানুষ যেন নিজের আসল সত্তাকে খুঁজে পায়। অন্যরা কী বলবে, কী ভাববে—এসব নিয়ে আর নিজেকে বদলানোর প্রয়োজন হয় না। বরং নিজের স্বভাব নিয়েই পৃথিবীকে মানিয়ে নিতে হয়।

আগামী ১৫ অক্টোবর চেলটেনহাম সাহিত্য উৎসবে গাইলস ব্র্যান্ডরেথ ও ক্যাথি লেটের সঙ্গে ‘বয়সকে একটু বেপরোয়া আনন্দে কাটানো’ বিষয়ক আলোচনায় অংশ নেবেন প্রু লেইথ। তাঁদের উদ্দেশ্য, বয়স বাড়াকে যে ভয় পাওয়ার মতো বিষয় হিসেবে দেখা হয়, সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করা।

Bake Off judge Prue Leith says 'I'm no longer able to' as she addresses  health struggle - Manchester Evening News

কৈশোরের চেয়ে বার্ধক্যই বেশি স্বস্তির

নিজের কৈশোরের কথা স্মরণ করে প্রু লেইথ জানান, সেই সময়টা তাঁর কাছে মোটেও সহজ ছিল না। বাবা-মায়ের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া হতো, নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি অনিশ্চিত ছিলেন এবং নিজের ওপরও খুব একটা বিশ্বাস ছিল না।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তখন ভুল মানুষকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে সম্পর্কের আকাঙ্ক্ষা—সবকিছু নিয়েই নানা ধরনের দুশ্চিন্তা ছিল। কিন্তু বয়স বাড়ার পর সেই চাপ অনেকটাই কমে গেছে।

তবে তিনি এটাও স্বীকার করেন, একাকী বা অসুস্থ অবস্থায় থাকা প্রবীণদের জন্য বার্ধক্যের অভিজ্ঞতা হয়তো এতটা আনন্দের নাও হতে পারে।

কটসওল্ডসে নিজের মতো জীবন

Prue Leith 'can't move' as she comments on health at 84: 'This is nearly  the end'

বর্তমানে ইংল্যান্ডের কটসওল্ডসে বেশ সুখেই আছেন প্রু লেইথ। নিজের বাড়িতেই তাঁর রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠান ধারণ করা হয়। সেখানে স্বামীকেও অনুষ্ঠানে যুক্ত করেছেন তিনি।

নিজের এই জীবনযাপনকে তিনি অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক বলে মনে করেন। কয়েক বছর আগে তাঁরা বাড়িটি তৈরি করেছেন। বাড়ির চারপাশের বাগান এবং যতদূর চোখ যায় বিস্তৃত মাঠ তাঁর জীবনকে আরও আনন্দময় করে তুলেছে।

প্রু লেইথের মতে, বয়স বাড়ার সঙ্গে জীবনের অনেক অপ্রয়োজনীয় চাপ সরে যায়। তখন মানুষ অন্যের প্রত্যাশা পূরণের বদলে নিজের পছন্দ ও আনন্দকে গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ পায়।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ

০২:১০:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

৮৬ বছর বয়সে এসে বয়স বাড়াকে আর ভয় পাওয়ার কিছু মনে করেন না খ্যাতিমান রাঁধুনি ও লেখিকা ডেম প্রু লেইথ। বরং তাঁর কাছে বার্ধক্য মানেই জীবনের এক স্বস্তিদায়ক অধ্যায়, যেখানে অন্য মানুষ কী ভাবছে—সেই চিন্তা অনেকটাই ঝেড়ে ফেলা যায়।

‘বয়স হলে কে কী ভাবল, তা নিয়ে মাথাব্যথা থাকে না’

প্রু লেইথের ভাষায়, বয়স বাড়ার সবচেয়ে বড় আনন্দ হলো মানুষের মতামতকে আর অতটা গুরুত্ব না দেওয়া। তখন নিজের মতো করে জীবন কাটানো যায়। দুপুরে একটু ঘুমিয়ে নিলেও কেউ সেটিকে অস্বাভাবিক বলে মনে করে না।

তিনি বলেন, বয়স বাড়ার সঙ্গে মানুষ যেন নিজের আসল সত্তাকে খুঁজে পায়। অন্যরা কী বলবে, কী ভাববে—এসব নিয়ে আর নিজেকে বদলানোর প্রয়োজন হয় না। বরং নিজের স্বভাব নিয়েই পৃথিবীকে মানিয়ে নিতে হয়।

আগামী ১৫ অক্টোবর চেলটেনহাম সাহিত্য উৎসবে গাইলস ব্র্যান্ডরেথ ও ক্যাথি লেটের সঙ্গে ‘বয়সকে একটু বেপরোয়া আনন্দে কাটানো’ বিষয়ক আলোচনায় অংশ নেবেন প্রু লেইথ। তাঁদের উদ্দেশ্য, বয়স বাড়াকে যে ভয় পাওয়ার মতো বিষয় হিসেবে দেখা হয়, সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করা।

Bake Off judge Prue Leith says 'I'm no longer able to' as she addresses  health struggle - Manchester Evening News

কৈশোরের চেয়ে বার্ধক্যই বেশি স্বস্তির

নিজের কৈশোরের কথা স্মরণ করে প্রু লেইথ জানান, সেই সময়টা তাঁর কাছে মোটেও সহজ ছিল না। বাবা-মায়ের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া হতো, নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি অনিশ্চিত ছিলেন এবং নিজের ওপরও খুব একটা বিশ্বাস ছিল না।

তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তখন ভুল মানুষকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে সম্পর্কের আকাঙ্ক্ষা—সবকিছু নিয়েই নানা ধরনের দুশ্চিন্তা ছিল। কিন্তু বয়স বাড়ার পর সেই চাপ অনেকটাই কমে গেছে।

তবে তিনি এটাও স্বীকার করেন, একাকী বা অসুস্থ অবস্থায় থাকা প্রবীণদের জন্য বার্ধক্যের অভিজ্ঞতা হয়তো এতটা আনন্দের নাও হতে পারে।

কটসওল্ডসে নিজের মতো জীবন

Prue Leith 'can't move' as she comments on health at 84: 'This is nearly  the end'

বর্তমানে ইংল্যান্ডের কটসওল্ডসে বেশ সুখেই আছেন প্রু লেইথ। নিজের বাড়িতেই তাঁর রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠান ধারণ করা হয়। সেখানে স্বামীকেও অনুষ্ঠানে যুক্ত করেছেন তিনি।

নিজের এই জীবনযাপনকে তিনি অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক বলে মনে করেন। কয়েক বছর আগে তাঁরা বাড়িটি তৈরি করেছেন। বাড়ির চারপাশের বাগান এবং যতদূর চোখ যায় বিস্তৃত মাঠ তাঁর জীবনকে আরও আনন্দময় করে তুলেছে।

প্রু লেইথের মতে, বয়স বাড়ার সঙ্গে জীবনের অনেক অপ্রয়োজনীয় চাপ সরে যায়। তখন মানুষ অন্যের প্রত্যাশা পূরণের বদলে নিজের পছন্দ ও আনন্দকে গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ পায়।