০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

মাদারীপুরের জোড়া খুনে ৪ জনের ফাঁসির দন্ড বহাল

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৫২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুন ২০২৪
  • 242

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০০৩ সালে ঈদুল আজহার দিন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামে হামলার ঘটনায় জোড়া খুনের মামলায় চারজনকে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদন্ডাদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল এবং ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে সোমবার এ রায় দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ মাসুদ উল হক। পলাতকদের বিরুদ্ধে ছিলেন আইনজীবী নারগিস আক্তার।

২০০৩ সালের ১২ ফেব্রয়ারি মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামে ঈদুল আজহার দিন আসামিরা শটগান, কাটাবন্দুক, পিস্তল ও হাতবোমা নিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সিরাজুল হক মোল্লার কর্মী সৈয়দ আলী মোল্লা ও সুলেমান মোল্লাসহ ৩৬ জনের ওপর হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলে সৈয়দ আলী মোল্লা মারা যান। পরে হাসপাতালে সুলেমান মোল্লা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পূর্ব শত্রæতার জের ধরে এ হত্যাকান্ড ঘটে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের স্বজন আইয়ুব আলী মোল্লা বাদী হয়ে ঘটনার দিনই মামলা করেন।

এ মামলার বিচার শেষে ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর ঢাকার দ্রæত বিচার ট্রাইব্যুনাল -১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন রায় দেন। রায়ে চারজনের মৃত্যুদন্ড , এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং নয় আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ডাদেশ দেন। ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন— মহিউদ্দিন হাওলাদার, সোহাগ হাওলাদার, হালিম সরদার ও হাবি শিকদার। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি শামসুল হক হাওলাদার।

১০ বছরের দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন হিরু হাওলাদার, রফিক হাওলাদার, কাইয়ুম শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার, টুটুল হাওলাদার, মোস্তফা হাওলাদার, জিন্নাত খাঁ, ইদ্রিস শেখ ও সেকান্দার শেখ। পরে মৃত্যুদন্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। কারাবন্দি আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

মাদারীপুরের জোড়া খুনে ৪ জনের ফাঁসির দন্ড বহাল

০৫:৫২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুন ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০০৩ সালে ঈদুল আজহার দিন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামে হামলার ঘটনায় জোড়া খুনের মামলায় চারজনকে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদন্ডাদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল এবং ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে সোমবার এ রায় দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ মাসুদ উল হক। পলাতকদের বিরুদ্ধে ছিলেন আইনজীবী নারগিস আক্তার।

২০০৩ সালের ১২ ফেব্রয়ারি মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামে ঈদুল আজহার দিন আসামিরা শটগান, কাটাবন্দুক, পিস্তল ও হাতবোমা নিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সিরাজুল হক মোল্লার কর্মী সৈয়দ আলী মোল্লা ও সুলেমান মোল্লাসহ ৩৬ জনের ওপর হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলে সৈয়দ আলী মোল্লা মারা যান। পরে হাসপাতালে সুলেমান মোল্লা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পূর্ব শত্রæতার জের ধরে এ হত্যাকান্ড ঘটে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের স্বজন আইয়ুব আলী মোল্লা বাদী হয়ে ঘটনার দিনই মামলা করেন।

এ মামলার বিচার শেষে ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর ঢাকার দ্রæত বিচার ট্রাইব্যুনাল -১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন রায় দেন। রায়ে চারজনের মৃত্যুদন্ড , এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং নয় আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ডাদেশ দেন। ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন— মহিউদ্দিন হাওলাদার, সোহাগ হাওলাদার, হালিম সরদার ও হাবি শিকদার। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি শামসুল হক হাওলাদার।

১০ বছরের দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন হিরু হাওলাদার, রফিক হাওলাদার, কাইয়ুম শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার, টুটুল হাওলাদার, মোস্তফা হাওলাদার, জিন্নাত খাঁ, ইদ্রিস শেখ ও সেকান্দার শেখ। পরে মৃত্যুদন্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। কারাবন্দি আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন।