০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

মায়েদের গায়ে হাত দিলে চুপ করে বসে থাকবো না: জামায়াত আমির

আমাদের জীবনের চেয়েও আমাদের মায়েদের ইজ্জত ও মর্যাদার মূল্য অনেক বেশি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, কেউ যদি আমাদের মায়েদের গায়ে হাত তোলার চেষ্টা করে, ইনশা আল্লাহ আমরা গালে হাত দিয়ে বসে থাকবো না।

বুধবার ২৮ জানুয়ারি বিকেলে রাজধানীর মিরপুরে জামায়াতের আয়োজিত মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মণিপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

নারী কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ
সমাবেশে বক্তব্যে জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। যারা মায়েদের গায়ে হাত তুলেছে ও অপমান করেছে, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তারা যেন ক্ষমা চায়। আল্লাহ চাইলে তাদের ক্ষমা করবেন।

মায়েদের মর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকার
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা মায়ের সন্তানেরা গর্জে উঠবো। যেকোনো মূল্যে আমরা আমাদের মায়েদের মর্যাদা রক্ষা করবো। তিনি বলেন, এখানে দুটি পথ খোলা আছে—একটি হলো নিজেকে পরিবর্তন করে ভালো মানুষ হওয়া এবং মাকে সম্মান করা। আর তা না হলে, পরবর্তী পরিস্থিতির সব দায় নিজেকেই নিতে হবে।

মানবিক সমাজের আহ্বান
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জামায়াতে ইসলামী না মাতৃতান্ত্রিক সমাজ চায়, না পিতৃতান্ত্রিক সমাজ চায়। দলটি চায় একটি মানবিক সমাজ, যেখানে নারী ও পুরুষের সমন্বয় থাকবে। তিনি আরও বলেন, আমরা কোনো বিভাজন চাই না—ধর্মে নয়, বর্ণে নয়, জেন্ডারেও নয়। কোনো ধরনের বৈষম্য আমরা সমর্থন করি না।

ভোট ও ন্যায়বিচারের প্রসঙ্গ
ভোটের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, দলের প্রতীকে দেওয়া দ্বিতীয় ভোট ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে ভোট। তিনি বলেন, দূর অতীতে ফিরে যাওয়ার দরকার নেই। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে আল্লাহ যে মুক্তির পথ করে দিয়েছেন, সেই সময় থেকে কার আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি, কাজকর্ম ও চরিত্র কেমন—সবই মানুষের সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। তিনি বলেন, যাদের নীতি ও সততার ওপর আস্থা রাখা যাবে, ইনশা আল্লাহ ১২ তারিখের ভোট তাদের পক্ষেই যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

মায়েদের গায়ে হাত দিলে চুপ করে বসে থাকবো না: জামায়াত আমির

০৯:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

আমাদের জীবনের চেয়েও আমাদের মায়েদের ইজ্জত ও মর্যাদার মূল্য অনেক বেশি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, কেউ যদি আমাদের মায়েদের গায়ে হাত তোলার চেষ্টা করে, ইনশা আল্লাহ আমরা গালে হাত দিয়ে বসে থাকবো না।

বুধবার ২৮ জানুয়ারি বিকেলে রাজধানীর মিরপুরে জামায়াতের আয়োজিত মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মণিপুর বালিকা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

নারী কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ
সমাবেশে বক্তব্যে জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। যারা মায়েদের গায়ে হাত তুলেছে ও অপমান করেছে, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তারা যেন ক্ষমা চায়। আল্লাহ চাইলে তাদের ক্ষমা করবেন।

মায়েদের মর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকার
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা মায়ের সন্তানেরা গর্জে উঠবো। যেকোনো মূল্যে আমরা আমাদের মায়েদের মর্যাদা রক্ষা করবো। তিনি বলেন, এখানে দুটি পথ খোলা আছে—একটি হলো নিজেকে পরিবর্তন করে ভালো মানুষ হওয়া এবং মাকে সম্মান করা। আর তা না হলে, পরবর্তী পরিস্থিতির সব দায় নিজেকেই নিতে হবে।

মানবিক সমাজের আহ্বান
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জামায়াতে ইসলামী না মাতৃতান্ত্রিক সমাজ চায়, না পিতৃতান্ত্রিক সমাজ চায়। দলটি চায় একটি মানবিক সমাজ, যেখানে নারী ও পুরুষের সমন্বয় থাকবে। তিনি আরও বলেন, আমরা কোনো বিভাজন চাই না—ধর্মে নয়, বর্ণে নয়, জেন্ডারেও নয়। কোনো ধরনের বৈষম্য আমরা সমর্থন করি না।

ভোট ও ন্যায়বিচারের প্রসঙ্গ
ভোটের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, দলের প্রতীকে দেওয়া দ্বিতীয় ভোট ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে ভোট। তিনি বলেন, দূর অতীতে ফিরে যাওয়ার দরকার নেই। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে আল্লাহ যে মুক্তির পথ করে দিয়েছেন, সেই সময় থেকে কার আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি, কাজকর্ম ও চরিত্র কেমন—সবই মানুষের সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। তিনি বলেন, যাদের নীতি ও সততার ওপর আস্থা রাখা যাবে, ইনশা আল্লাহ ১২ তারিখের ভোট তাদের পক্ষেই যাবে।