০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

রেকর্ড বন্যার পর ধাপে ধাপে খুলছে হোই আং, এবার লক্ষ্য ‘উঁচু-স্মার্ট’ পুনর্গঠন

পরিচ্ছন্নতা ও সীমিত পুনরায় খোলা

রেকর্ড বৃষ্টিতে হোই আং ও আশপাশের ঐতিহাসিক এলাকা কোমরসম জলে তলিয়ে যায়। কয়েক দিনের মধ্যে বাসিন্দারা কাদা সরিয়ে ক্যাফে-দোকান আংশিক খুলেছে; রেল ও সড়ক চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ সেতু-ভবনের নিরাপত্তা পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণ পর্যটক প্রবাহ স্থগিত রাখতে বলছে। কৃষি ও হস্তশিল্প গ্রামগুলোতেও ক্ষতি বড়—রেস্তোরাঁ ও হোমস্টের সরবরাহে টান পড়েছে। বুকিং বাতিলের বদলে ‘ডিফার’ করার প্রবণতা বেশি; হোটেলগুলো নমনীয় নীতিতে সরে যাচ্ছে।

সহনশীলতার নকশা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ড্রেনেজ আধুনিকীকরণ, আপস্ট্রিম জলধারণ, রাতের উদ্ধারপথ মানচিত্র এবং পোর্টেবল ফ্লাড ব্যারিয়ার জরুরি। বিদ্যুৎ বক্স উঁচু করা, ফ্লাড-প্রুফ রেট্রোফিটে প্রণোদনা ও বন্যাপ্রবণ এলাকায় কঠোর জোনিং—এসব ছাড়া “ঝটপট ক্লিনআপ” টেকসই নয়। পর্যটন বোর্ড ধাপে ধাপে খোলার রোডম্যাপ ও নিরাপত্তা বার্তা নিয়মিত দিতে চায়, যাতে ভ্রমণ পরিকল্পনা স্বাভাবিকভাবে ফিরে আসে। লক্ষ্য স্পষ্ট—দ্রুত ফিরে দাঁড়ানো, কিন্তু আগের দুর্বলতা রেখে নয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

রেকর্ড বন্যার পর ধাপে ধাপে খুলছে হোই আং, এবার লক্ষ্য ‘উঁচু-স্মার্ট’ পুনর্গঠন

০৫:৫৭:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

পরিচ্ছন্নতা ও সীমিত পুনরায় খোলা

রেকর্ড বৃষ্টিতে হোই আং ও আশপাশের ঐতিহাসিক এলাকা কোমরসম জলে তলিয়ে যায়। কয়েক দিনের মধ্যে বাসিন্দারা কাদা সরিয়ে ক্যাফে-দোকান আংশিক খুলেছে; রেল ও সড়ক চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ সেতু-ভবনের নিরাপত্তা পরীক্ষা না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণ পর্যটক প্রবাহ স্থগিত রাখতে বলছে। কৃষি ও হস্তশিল্প গ্রামগুলোতেও ক্ষতি বড়—রেস্তোরাঁ ও হোমস্টের সরবরাহে টান পড়েছে। বুকিং বাতিলের বদলে ‘ডিফার’ করার প্রবণতা বেশি; হোটেলগুলো নমনীয় নীতিতে সরে যাচ্ছে।

সহনশীলতার নকশা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ড্রেনেজ আধুনিকীকরণ, আপস্ট্রিম জলধারণ, রাতের উদ্ধারপথ মানচিত্র এবং পোর্টেবল ফ্লাড ব্যারিয়ার জরুরি। বিদ্যুৎ বক্স উঁচু করা, ফ্লাড-প্রুফ রেট্রোফিটে প্রণোদনা ও বন্যাপ্রবণ এলাকায় কঠোর জোনিং—এসব ছাড়া “ঝটপট ক্লিনআপ” টেকসই নয়। পর্যটন বোর্ড ধাপে ধাপে খোলার রোডম্যাপ ও নিরাপত্তা বার্তা নিয়মিত দিতে চায়, যাতে ভ্রমণ পরিকল্পনা স্বাভাবিকভাবে ফিরে আসে। লক্ষ্য স্পষ্ট—দ্রুত ফিরে দাঁড়ানো, কিন্তু আগের দুর্বলতা রেখে নয়।