০১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জলবায়ু ঝুঁকির প্রমাণ আছে, এবার নেপালের দরকার কার্যকর পদক্ষেপ জার্মানির স্যাক্সনি-আনহাল্টে উগ্র ডানপন্থীদের বড় জয়, চাপে মূলধারার রাজনীতি নেপালের ‘জেন জি’ আন্দোলনের এক বছর, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে না: কার্কি ‘ক্লিন ব্রেক’ থেকে অন্তহীন যুদ্ধ: প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা নীতি চার প্রদেশ নিয়েই অখণ্ড থাকবে পাকিস্তান, নতুন প্রদেশের প্রস্তাব নাকচ সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রীর নিউইয়র্কে বসছে ভোগ বিজনেসের বৈশ্বিক সম্মেলন, টিকিট বিক্রি শুরু ‘ক্লিন গার্ল’ যুগের বিদায়, বসন্ত-গ্রীষ্ম ২০২৭-এ আসছে নতুন ফ্যাশন ধারা দামি গয়না খোঁজার নতুন ঠিকানা কি টিকটক? বদলে যাওয়া শরীরের জন্য বিলাসবহুল ফ্যাশন, নতুন বাজার তৈরি করছে ওয়েলডান আমেরিকা কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত?

শুল্কমুক্ত সুতা ইস্যুতে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে মিল বন্ধের হুমকি

শুল্কমুক্ত সুতা আমদানির সুবিধা অবিলম্বে প্রত্যাহার না করা হলে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশের সব স্পিনিং মিল বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। সংগঠনটির মতে, এই সুবিধার কারণে দেশীয় স্পিনিং শিল্প গভীর সংকটে পড়েছে এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত না এলে শিল্পটির অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়বে।

সংবাদ সম্মেলনে হুঁশিয়ারি

ঢাকায় সংগঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল। তিনি বলেন, দেশের স্পিনিং শিল্প রক্ষায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি, অন্যথায় মিল বন্ধ ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো পথ থাকবে না।

৫ আগস্ট টেক্সটাইল শিল্পকারখানা বন্ধ রাখার অনুরোধ বিটিএমএর

কোন সুতায় আপত্তি

বিটিএমএর প্রধান দাবি, ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের তুলা সুতা আমদানিতে বিদ্যমান বন্ড সুবিধা অবিলম্বে স্থগিত করতে হবে। সংগঠনটির মতে, এই কাউন্টের সুতা দেশের স্পিনিং শিল্পের মূল উৎপাদন পণ্য হলেও একই ধরনের সুতা শুল্কমুক্তভাবে আমদানি হওয়ায় স্থানীয় মিলগুলো অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছে এবং উৎপাদন ব্যয়ও তুলতে পারছে না।

বন্ড সুবিধার অপব্যবহারের অভিযোগ

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বন্ড সুবিধা অনুযায়ী রপ্তানিমুখী শিল্পগুলো নির্দিষ্ট শর্তে কাঁচামাল শুল্ক ছাড়াই আমদানি করতে পারে। তবে বিটিএমএর অভিযোগ, এই সুবিধার অপব্যবহার হচ্ছে। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্থানীয় স্পিনিং মিলগুলো, বিশেষ করে ১০–৩০ কাউন্ট সুতা উৎপাদনে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো।

সরকারি সুপারিশ দ্রুত কার্যকরের দাবি

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

বিটিএমএ জানিয়েছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে শুল্কমুক্ত সুতা আমদানির এই বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে। সংগঠনটির মতে, চলতি মাসের মধ্যেই সেই সুপারিশ বাস্তবায়ন করা জরুরি। অন্যথায় তারা মিল বন্ধের কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে।

নতুন শুল্ক নয়, বিদ্যমান নিয়মের প্রয়োগ

সংবাদ সম্মেলনে শওকত আজিজ রাসেল স্পষ্ট করে বলেন, বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার মানে নতুন কোনো শুল্ক আরোপ নয়। বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী আমদানিকারকেরা শুল্ক ড্রব্যাক সুবিধা নিতে পারবেন, ফলে প্রকৃত রপ্তানিকারকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না।

আগের সুপারিশ ও সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

এর আগে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন ১০–৩০ কাউন্ট তুলা সুতার ক্ষেত্রে বন্ড সুবিধা স্থগিত করার সুপারিশ করেছিল। দেশীয় বিনিয়োগ সুরক্ষা ও স্থানীয় স্পিনিং শিল্প টিকিয়ে রাখতে সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে বিটিএমএ।

জনপ্রিয় সংবাদ

জলবায়ু ঝুঁকির প্রমাণ আছে, এবার নেপালের দরকার কার্যকর পদক্ষেপ

শুল্কমুক্ত সুতা ইস্যুতে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে মিল বন্ধের হুমকি

০৮:৩৯:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

শুল্কমুক্ত সুতা আমদানির সুবিধা অবিলম্বে প্রত্যাহার না করা হলে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশের সব স্পিনিং মিল বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। সংগঠনটির মতে, এই সুবিধার কারণে দেশীয় স্পিনিং শিল্প গভীর সংকটে পড়েছে এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত না এলে শিল্পটির অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়বে।

সংবাদ সম্মেলনে হুঁশিয়ারি

ঢাকায় সংগঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল। তিনি বলেন, দেশের স্পিনিং শিল্প রক্ষায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি, অন্যথায় মিল বন্ধ ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো পথ থাকবে না।

৫ আগস্ট টেক্সটাইল শিল্পকারখানা বন্ধ রাখার অনুরোধ বিটিএমএর

কোন সুতায় আপত্তি

বিটিএমএর প্রধান দাবি, ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের তুলা সুতা আমদানিতে বিদ্যমান বন্ড সুবিধা অবিলম্বে স্থগিত করতে হবে। সংগঠনটির মতে, এই কাউন্টের সুতা দেশের স্পিনিং শিল্পের মূল উৎপাদন পণ্য হলেও একই ধরনের সুতা শুল্কমুক্তভাবে আমদানি হওয়ায় স্থানীয় মিলগুলো অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছে এবং উৎপাদন ব্যয়ও তুলতে পারছে না।

বন্ড সুবিধার অপব্যবহারের অভিযোগ

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বন্ড সুবিধা অনুযায়ী রপ্তানিমুখী শিল্পগুলো নির্দিষ্ট শর্তে কাঁচামাল শুল্ক ছাড়াই আমদানি করতে পারে। তবে বিটিএমএর অভিযোগ, এই সুবিধার অপব্যবহার হচ্ছে। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্থানীয় স্পিনিং মিলগুলো, বিশেষ করে ১০–৩০ কাউন্ট সুতা উৎপাদনে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো।

সরকারি সুপারিশ দ্রুত কার্যকরের দাবি

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

বিটিএমএ জানিয়েছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে শুল্কমুক্ত সুতা আমদানির এই বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে। সংগঠনটির মতে, চলতি মাসের মধ্যেই সেই সুপারিশ বাস্তবায়ন করা জরুরি। অন্যথায় তারা মিল বন্ধের কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে।

নতুন শুল্ক নয়, বিদ্যমান নিয়মের প্রয়োগ

সংবাদ সম্মেলনে শওকত আজিজ রাসেল স্পষ্ট করে বলেন, বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার মানে নতুন কোনো শুল্ক আরোপ নয়। বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী আমদানিকারকেরা শুল্ক ড্রব্যাক সুবিধা নিতে পারবেন, ফলে প্রকৃত রপ্তানিকারকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না।

আগের সুপারিশ ও সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

এর আগে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন ১০–৩০ কাউন্ট তুলা সুতার ক্ষেত্রে বন্ড সুবিধা স্থগিত করার সুপারিশ করেছিল। দেশীয় বিনিয়োগ সুরক্ষা ও স্থানীয় স্পিনিং শিল্প টিকিয়ে রাখতে সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে বিটিএমএ।