০৩:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার নিখোঁজ মহেশখালীতে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা, একাই ছিলেন বাড়িতে সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের চার প্রবাসী নিহত কাঁঠাল পাতার বোঝা কাঁধে হালিমা, দিনে ৩০০ টাকায় চলে একার সংসার ১০ জেলায় বেশি হাম, টিকাদান কর্মসূচি নিয়েই উঠছে বড় প্রশ্ন সুগন্ধি চাল রপ্তানির কোটা অর্ধেক কমাল সরকার সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় আহত ৭৩, নারী ও শিশুও রয়েছে ভেনিসে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তা ও হামলার অভিযোগ, লিখিত অভিযোগ পুলিশের কাছে আগামী ৫ দিনে বাড়তে পারে বৃষ্টি, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর কুমিল্লায় শিক্ষাসফরের বাস খাদে, আহত ২০ মেডিকেল শিক্ষার্থী

হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, দেশে সন্দেহভাজন আক্রান্ত ছাড়াল ১ লাখ

দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে হাম-সম্পর্কিত নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২৪ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সর্বশেষ তথ্যে বলা হয়েছে, নতুন পাঁচটি মৃত্যুকেই আপাতত সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। ফলে দেশে সন্দেহভাজন হামে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬৩১। তবে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৩ জনে।

যেসব কার্যক্রম পরিচালনা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম-সন্দেহভাজন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯৬৫ জন। এতে চলতি বছরে মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৯৯৩ জন।

একই সময়ে পরীক্ষাগারে আরও ১৫৪ জনের হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২ হাজার ২৮৬ জন।

হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতার চিত্র

ডিজিএইচএসের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম-সন্দেহভাজন মোট ৮৬ হাজার ৪১১ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৪৬৪ | The  Business Standard

তাদের মধ্যে ৮২ হাজার ৭৫৯ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। তবে এখনও নতুন রোগী শনাক্ত ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

সর্বশেষ পরিস্থিতি

সরকারি হিসাবে, চলতি বছরে হাম-সদৃশ উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা এবং আক্রান্তের পরিমাণ—দুই ক্ষেত্রেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন—উভয় ধরনের তথ্য পৃথকভাবে সংরক্ষণ করছে এবং পরীক্ষাগার বিশ্লেষণের মাধ্যমে নতুন আক্রান্ত ও মৃত্যুর কারণ যাচাই অব্যাহত রয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ করছে এবং দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আক্রান্ত, মৃত্যু, ভর্তি ও সুস্থ হওয়ার পরিসংখ্যান প্রকাশ করছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ কোটি টাকার কাপড়ভর্তি কনটেইনার নিখোঁজ

হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, দেশে সন্দেহভাজন আক্রান্ত ছাড়াল ১ লাখ

০৪:৩৬:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

দেশে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে হাম-সম্পর্কিত নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২৪ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সর্বশেষ তথ্যে বলা হয়েছে, নতুন পাঁচটি মৃত্যুকেই আপাতত সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। ফলে দেশে সন্দেহভাজন হামে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬৩১। তবে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৩ জনে।

যেসব কার্যক্রম পরিচালনা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম-সন্দেহভাজন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯৬৫ জন। এতে চলতি বছরে মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৯৯৩ জন।

একই সময়ে পরীক্ষাগারে আরও ১৫৪ জনের হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২ হাজার ২৮৬ জন।

হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতার চিত্র

ডিজিএইচএসের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম-সন্দেহভাজন মোট ৮৬ হাজার ৪১১ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৪৬৪ | The  Business Standard

তাদের মধ্যে ৮২ হাজার ৭৫৯ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। তবে এখনও নতুন রোগী শনাক্ত ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

সর্বশেষ পরিস্থিতি

সরকারি হিসাবে, চলতি বছরে হাম-সদৃশ উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা এবং আক্রান্তের পরিমাণ—দুই ক্ষেত্রেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন—উভয় ধরনের তথ্য পৃথকভাবে সংরক্ষণ করছে এবং পরীক্ষাগার বিশ্লেষণের মাধ্যমে নতুন আক্রান্ত ও মৃত্যুর কারণ যাচাই অব্যাহত রয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ নিয়মিত তথ্য হালনাগাদ করছে এবং দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আক্রান্ত, মৃত্যু, ভর্তি ও সুস্থ হওয়ার পরিসংখ্যান প্রকাশ করছে।