১০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোট দিতে না পারার অভিযোগ নেই: সিইসি নাসির উদ্দিন

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো ভোটার ভোট দিতে পারেননি—এমন অভিযোগ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন কিংবা পরে অনেক মানুষের সঙ্গে কথা বলেও তিনি এমন কাউকে পাননি, যিনি ভোট দিতে না পারার অভিযোগ করেছেন।

সোমবার আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ জোরদার’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

ভোটাধিকার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি পূরণ

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনের আগে জাতির সামনে যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়ন করতে পেরেছেন। তার দাবি, এখন পর্যন্ত এমন একজন ভোটারও সামনে আসেননি, যিনি বলেছেন যে তিনি ভোট দিতে পারেননি।

তিনি জানান, নির্বাচনের দিন তিনি নিজেও বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে সাধারণ ভোটার, নারী ভোটার ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। সেখানেও কেউ ভোট দিতে না পারা, সহিংসতা বা কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেননি।

CEC says he hasn't heard anyone say they were unable to vote

নির্বাচন শেষে অভিযোগ নতুন কিছু নয়

নির্বাচনের পর রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীদের বিভিন্ন অভিযোগ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, নির্বাচনের পরে নানা ধরনের আপত্তি বা অভিযোগ ওঠা অস্বাভাবিক নয়। অতীতেও সুষ্ঠু নির্বাচনের পর এমন অভিযোগ উঠতে দেখা গেছে।

তার ভাষায়, ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায় ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচন নিয়েও নানা অভিযোগ উঠেছিল। সাধারণত নির্বাচন সুষ্ঠু হলেই নানা ধরনের প্রশ্ন ও আপত্তি সামনে আসে।

নির্বাচনের ফলাফল ও আসন বণ্টন

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। পরে নির্বাচন কমিশন ২৯৭টি আসনের ফলাফল প্রকাশ করে।

এই নির্বাচনে বিএনপি সর্বাধিক ২০৯টি আসনে জয় লাভ করে। জামায়াতে ইসলামী পায় ৬৮টি আসন। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি ছয়টি, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাতটি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি একটি, গণঅধিকার পরিষদ একটি, গণসংহতি আন্দোলন একটি এবং খেলাফত মজলিস একটি আসনে বিজয়ী হয়।

CEC rules out apprehension over election | At a Glance | Bangladesh Sangbad  Sangstha (BSS)

অর্থনীতিতে নারীর অবদান প্রসঙ্গে মন্তব্য

মতবিনিময় সভায় নারীর অর্থনৈতিক অবদান নিয়েও কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে নারীদের গৃহস্থালি কাজের যে বিশাল অবদান রয়েছে, তা জাতীয় অর্থনৈতিক হিসাব বা মোট দেশজ উৎপাদনে প্রতিফলিত হয় না।

নারী নির্বাচন কর্মকর্তাদের দক্ষতা

নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী নারী কর্মকর্তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন সিইসি। তিনি জানান, নারী নির্বাচন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত পক্ষপাত বা অনিয়মের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদের মাধ্যমে নারী ভোটার নিবন্ধনে নির্বাচন কমিশন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। আগে নারী ও পুরুষ ভোটারের মধ্যে প্রায় ত্রিশ লাখের মতো পার্থক্য ছিল, যা এখন কমে প্রায় দশ লাখে নেমে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোট দিতে না পারার অভিযোগ নেই: সিইসি নাসির উদ্দিন

১১:৫৬:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো ভোটার ভোট দিতে পারেননি—এমন অভিযোগ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন কিংবা পরে অনেক মানুষের সঙ্গে কথা বলেও তিনি এমন কাউকে পাননি, যিনি ভোট দিতে না পারার অভিযোগ করেছেন।

সোমবার আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ জোরদার’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

ভোটাধিকার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি পূরণ

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনের আগে জাতির সামনে যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়ন করতে পেরেছেন। তার দাবি, এখন পর্যন্ত এমন একজন ভোটারও সামনে আসেননি, যিনি বলেছেন যে তিনি ভোট দিতে পারেননি।

তিনি জানান, নির্বাচনের দিন তিনি নিজেও বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে সাধারণ ভোটার, নারী ভোটার ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। সেখানেও কেউ ভোট দিতে না পারা, সহিংসতা বা কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেননি।

CEC says he hasn't heard anyone say they were unable to vote

নির্বাচন শেষে অভিযোগ নতুন কিছু নয়

নির্বাচনের পর রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীদের বিভিন্ন অভিযোগ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, নির্বাচনের পরে নানা ধরনের আপত্তি বা অভিযোগ ওঠা অস্বাভাবিক নয়। অতীতেও সুষ্ঠু নির্বাচনের পর এমন অভিযোগ উঠতে দেখা গেছে।

তার ভাষায়, ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায় ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচন নিয়েও নানা অভিযোগ উঠেছিল। সাধারণত নির্বাচন সুষ্ঠু হলেই নানা ধরনের প্রশ্ন ও আপত্তি সামনে আসে।

নির্বাচনের ফলাফল ও আসন বণ্টন

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। পরে নির্বাচন কমিশন ২৯৭টি আসনের ফলাফল প্রকাশ করে।

এই নির্বাচনে বিএনপি সর্বাধিক ২০৯টি আসনে জয় লাভ করে। জামায়াতে ইসলামী পায় ৬৮টি আসন। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি ছয়টি, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাতটি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি একটি, গণঅধিকার পরিষদ একটি, গণসংহতি আন্দোলন একটি এবং খেলাফত মজলিস একটি আসনে বিজয়ী হয়।

CEC rules out apprehension over election | At a Glance | Bangladesh Sangbad  Sangstha (BSS)

অর্থনীতিতে নারীর অবদান প্রসঙ্গে মন্তব্য

মতবিনিময় সভায় নারীর অর্থনৈতিক অবদান নিয়েও কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে নারীদের গৃহস্থালি কাজের যে বিশাল অবদান রয়েছে, তা জাতীয় অর্থনৈতিক হিসাব বা মোট দেশজ উৎপাদনে প্রতিফলিত হয় না।

নারী নির্বাচন কর্মকর্তাদের দক্ষতা

নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী নারী কর্মকর্তাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন সিইসি। তিনি জানান, নারী নির্বাচন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত পক্ষপাত বা অনিয়মের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদের মাধ্যমে নারী ভোটার নিবন্ধনে নির্বাচন কমিশন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। আগে নারী ও পুরুষ ভোটারের মধ্যে প্রায় ত্রিশ লাখের মতো পার্থক্য ছিল, যা এখন কমে প্রায় দশ লাখে নেমে এসেছে।