০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

৩ মাসে বিদেশি ঋণ ১৩০ কোটি ডলার বৃদ্ধি, আবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা

দেশে আবারও বাড়তে শুরু করেছে বিদেশি ঋণের বোঝা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অর্থনীতির ওপর নতুন করে চাপ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তিন মাসে ঋণ বৃদ্ধির চিত্র

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত বছরের ডিসেম্বর শেষে সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলিয়ে দেশের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১৩ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। এর আগে সেপ্টেম্বর শেষে এই ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ১১২ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র তিন মাসে বিদেশি ঋণ বেড়েছে প্রায় ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩০ কোটি ডলার সমপরিমাণ বৃদ্ধি।

আগের ওঠানামার প্রেক্ষাপট

এরও আগে গত জুন মাসে দেশের বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ১১৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। পরে সেপ্টেম্বরে কিছুটা কমে গেলেও বছরের শেষে আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ফলে বোঝা যাচ্ছে, সাময়িক কমতির পর আবার ঋণ বাড়ার ধারা ফিরে এসেছে।

কেন বাড়ছে বিদেশি ঋণ

ব্যাংক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতেই বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, আমদানি ব্যয় এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে এই ঋণ গ্রহণ বাড়ছে। সরকারি খাতে ঋণ বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম হলেও সামগ্রিকভাবে দুই খাতের ঋণ মিলেই মোট পরিমাণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশি ঋণ বাড়লে একদিকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি আসে, অন্যদিকে ঋণ পরিশোধের চাপও বৃদ্ধি পায়। ফলে ভবিষ্যতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, সুদের বোঝা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

৩ মাসে বিদেশি ঋণ ১৩০ কোটি ডলার বৃদ্ধি, আবার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা

০৯:০৫:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

দেশে আবারও বাড়তে শুরু করেছে বিদেশি ঋণের বোঝা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অর্থনীতির ওপর নতুন করে চাপ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তিন মাসে ঋণ বৃদ্ধির চিত্র

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত বছরের ডিসেম্বর শেষে সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলিয়ে দেশের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১৩ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। এর আগে সেপ্টেম্বর শেষে এই ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ১১২ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র তিন মাসে বিদেশি ঋণ বেড়েছে প্রায় ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩০ কোটি ডলার সমপরিমাণ বৃদ্ধি।

আগের ওঠানামার প্রেক্ষাপট

এরও আগে গত জুন মাসে দেশের বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ১১৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। পরে সেপ্টেম্বরে কিছুটা কমে গেলেও বছরের শেষে আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ফলে বোঝা যাচ্ছে, সাময়িক কমতির পর আবার ঋণ বাড়ার ধারা ফিরে এসেছে।

কেন বাড়ছে বিদেশি ঋণ

ব্যাংক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতেই বৈদেশিক ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, আমদানি ব্যয় এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে এই ঋণ গ্রহণ বাড়ছে। সরকারি খাতে ঋণ বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম হলেও সামগ্রিকভাবে দুই খাতের ঋণ মিলেই মোট পরিমাণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদেশি ঋণ বাড়লে একদিকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতি আসে, অন্যদিকে ঋণ পরিশোধের চাপও বৃদ্ধি পায়। ফলে ভবিষ্যতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, সুদের বোঝা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে।