০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

৫ বায়ুদূষণে আবারও বিপজ্জনক ঢাকা: AQI ১৬৭ নিয়ে বিশ্ব তালিকায় দ্বিতীয়

ঢাকার বায়ুমান আবারও অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে উঠেছে। সোমবার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর বায়ুমান সূচক বা AQI ছিল ১৬৭। এই স্কোর নিয়ে ঢাকা ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। একই সময়ে ভারতের দিল্লি ছিল প্রথম স্থানে, যেখানে AQI ছিল ২৫৩।

‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ুতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

AQI ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ের বায়ুতে দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে শিশু, বৃদ্ধ, গর্ভবতী নারী, হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টে ভোগা মানুষ এবং হৃদরোগীদের ঝুঁকি বাড়ে। তবে শুধু ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী নয়, সাধারণ মানুষও চোখ জ্বালা, কাশি, মাথাব্যথা বা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যায় পড়তে পারেন।

দিল্লি প্রথম, ঢাকা-জাকার্তা দ্বিতীয়

সোমবার সকালে দূষিত শহরের তালিকায় দিল্লির অবস্থান ছিল শীর্ষে। ঢাকার সঙ্গে একই AQI স্কোর নিয়ে জাকার্তা দ্বিতীয় স্থানে ছিল। এরপর তালিকায় ছিল দুবাই ও তেল আবিব। দক্ষিণ এশিয়ার বড় শহরগুলোর মতো ঢাকাতেও যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণকাজের ধুলা, ইটভাটা, শিল্পকারখানা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা বায়ুদূষণের বড় কারণ হিসেবে দেখা হয়।

Dhaka air 4th most polluted in the world: AQI | The Daily Star

ঢাকাবাসীর জন্য সতর্কতা

এমন পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞরা বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার, শিশু ও বয়স্কদের অপ্রয়োজনীয় বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলা এবং ঘরে জানালা-দরজা বন্ধ রাখার পরামর্শ দেন। যাদের শ্বাসকষ্ট বা অ্যালার্জি আছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বাইরে দীর্ঘ সময় থাকা উচিত নয়।

নগর ব্যবস্থাপনায় বড় প্রশ্ন

ঢাকার বায়ুদূষণ এখন আর মৌসুমি সমস্যা নয়; এটি নগরজীবনের স্থায়ী সংকটে পরিণত হয়েছে। নিয়মিত পানি ছিটানো, নির্মাণস্থলে ধুলা নিয়ন্ত্রণ, যানবাহনের ধোঁয়া কমানো এবং শিল্প দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

৫ বায়ুদূষণে আবারও বিপজ্জনক ঢাকা: AQI ১৬৭ নিয়ে বিশ্ব তালিকায় দ্বিতীয়

০৬:১৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

ঢাকার বায়ুমান আবারও অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে উঠেছে। সোমবার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর বায়ুমান সূচক বা AQI ছিল ১৬৭। এই স্কোর নিয়ে ঢাকা ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। একই সময়ে ভারতের দিল্লি ছিল প্রথম স্থানে, যেখানে AQI ছিল ২৫৩।

‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ুতে স্বাস্থ্যঝুঁকি

AQI ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যে থাকলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পর্যায়ের বায়ুতে দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে শিশু, বৃদ্ধ, গর্ভবতী নারী, হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টে ভোগা মানুষ এবং হৃদরোগীদের ঝুঁকি বাড়ে। তবে শুধু ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী নয়, সাধারণ মানুষও চোখ জ্বালা, কাশি, মাথাব্যথা বা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যায় পড়তে পারেন।

দিল্লি প্রথম, ঢাকা-জাকার্তা দ্বিতীয়

সোমবার সকালে দূষিত শহরের তালিকায় দিল্লির অবস্থান ছিল শীর্ষে। ঢাকার সঙ্গে একই AQI স্কোর নিয়ে জাকার্তা দ্বিতীয় স্থানে ছিল। এরপর তালিকায় ছিল দুবাই ও তেল আবিব। দক্ষিণ এশিয়ার বড় শহরগুলোর মতো ঢাকাতেও যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণকাজের ধুলা, ইটভাটা, শিল্পকারখানা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা বায়ুদূষণের বড় কারণ হিসেবে দেখা হয়।

Dhaka air 4th most polluted in the world: AQI | The Daily Star

ঢাকাবাসীর জন্য সতর্কতা

এমন পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞরা বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার, শিশু ও বয়স্কদের অপ্রয়োজনীয় বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলা এবং ঘরে জানালা-দরজা বন্ধ রাখার পরামর্শ দেন। যাদের শ্বাসকষ্ট বা অ্যালার্জি আছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বাইরে দীর্ঘ সময় থাকা উচিত নয়।

নগর ব্যবস্থাপনায় বড় প্রশ্ন

ঢাকার বায়ুদূষণ এখন আর মৌসুমি সমস্যা নয়; এটি নগরজীবনের স্থায়ী সংকটে পরিণত হয়েছে। নিয়মিত পানি ছিটানো, নির্মাণস্থলে ধুলা নিয়ন্ত্রণ, যানবাহনের ধোঁয়া কমানো এবং শিল্প দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।