১১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬
রাজধানীতে সিএনজি সংকট: পাম্পে গ্যাসের চাপ কমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে চালকরা, দুর্ভোগে যাত্রীরা বিমানের ওয়েবসাইটে ‘অনটাইম’, বাস্তবে ২২ ঘণ্টা বিলম্ব: সিলেট-জেদ্দা ফ্লাইটে ৮ শতাধিক যাত্রীর দুর্ভোগ বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিক বৃদ্ধির অভিযোগ, বিষয়টি আমলে নেওয়ার আহ্বান আজহারির ঢাকা ক্লাবের ১৪০ বছরের ঐতিহ্যবাহী মেইন লাউঞ্জ ঝুঁকিতে, জরুরি প্রকৌশল মূল্যায়নের তাগিদ ৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই, সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় ডিএমপি ব্যাংক এশিয়ার অনুমোদিত মূলধন দ্বিগুণ, বেড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা প্রতিবন্ধী সেবার অধিকার সংকুচিত হওয়ার শঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে সিদ্ধান্ত বদলের আহ্বান খেলনা গাড়ির চাকার হুইলচেয়ারে নতুন জীবন পেল আহত বিড়ালছানা জেলাটো কাবেরীর পানি নিয়ে আবারও সুপ্রিম কোর্টে তামিলনাড়ু, কর্ণাটকের বিরুদ্ধে আদেশ অমান্যের অভিযোগ এয়ার ইন্ডিয়ার উড়োজাহাজ মাঝআকাশে ৩০০ ফুট নিচে নেমে গেল কেন? বর্ষার আকাশে টার্বুলেন্সের ঝুঁকি ব্যাখ্যা

বিরোধীদের ভাষায় ‘হাসিনার প্রতিধ্বনি’ দেখছেন ফখরুল, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সংঘাত এড়ানোর আহ্বান

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সংসদের বাইরে সরকারের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হতে না দেওয়ার মতো বক্তব্য দিয়ে বিরোধী নেতাদের একটি অংশ সেই ভাষাই ব্যবহার করছেন, যা একসময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যবহার করতেন। তাঁর মতে, এ ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য গণতান্ত্রিক পরিবেশকে দুর্বল করতে পারে এবং সংঘাতের রাজনীতিকে উৎসাহিত করতে পারে।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্মের নামে বিভাজনের চেষ্টার অভিযোগ

অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, একটি গোষ্ঠী ধর্মের নামে সমাজে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সংযম ও সহনশীলতা বজায় রেখে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

সংসদে বিতর্কের ওপর জোর

মন্ত্রী বলেন, সরকার বিরোধী দলের ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী বিরোধী দলের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাঁর ভাষায়, সরকারের সমালোচনা, নীতির বিরোধিতা এবং ভুলত্রুটি তুলে ধরা বিরোধী দলের সাংবিধানিক দায়িত্ব। তবে এসব বিষয়ের মূল আলোচনার ক্ষেত্র হওয়া উচিত সংসদ।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে আপত্তি নেই, কিন্তু তা যেন কোনোভাবেই সংঘাত বা সহিংসতার দিকে না গড়ায়।

বিএনপির অতীত আন্দোলনের প্রসঙ্গ

মির্জা ফখরুল দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপির প্রায় ৬০ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার ‘মিথ্যা মামলা’ করা হয়েছিল। এছাড়া প্রায় ১ হাজার ৭০০ নেতা-কর্মী, যার মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস আলীও রয়েছেন, গুমের শিকার হন এবং ২ হাজারের বেশি নেতা-কর্মী নিহত হন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ৫ আগস্ট পর্যন্ত কারাবন্দি ছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রায় ১৮ বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়েছেন। এসব ঘটনা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের পটভূমি স্মরণ করিয়ে দেয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জুলাই সনদ নিয়ে অবস্থান

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি অনাগ্রহী—এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে মির্জা ফখরুল বলেন, এ ধরনের প্রচারণা বিভ্রান্তিকর। তাঁর দাবি, বিএনপি সবসময় সংস্কারের পক্ষে থেকেছে এবং রাষ্ট্র, রাজনীতি ও অর্থনীতি সংকটে পড়লে পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, জুলাই সনদেই উল্লেখ রয়েছে যে যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য হবে না, সেসব ক্ষেত্রে নির্বাচিত সরকার নিজস্ব নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। তাই বিএনপি সনদ থেকে সরে এসেছে—এমন দাবি সঠিক নয়।

ভোল পাল্টে সবাই এখন জুলাইযোদ্ধা হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল

গণভোট নিয়ে আপত্তি

মন্ত্রী জানান, জুলাই সনদের একটি গণভোট-সংক্রান্ত প্রস্তাব রাজনৈতিক দল বা সংবিধান সংস্কার কমিশনের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। সে সময়ই বিএনপি ওই প্রস্তাব মেনে নেয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, নির্বাচনী অঙ্গীকারের ভিত্তিতে জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকার এখন সংসদীয় সাংবিধানিক সংশোধন কমিটির মাধ্যমে কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। এ বিষয়ে মতভেদ থাকলে সংসদেই আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত বলে তিনি মত দেন।

গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের প্রসঙ্গ

মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমানে গণমাধ্যমে সরকারের হস্তক্ষেপ নেই। বরং মালিকানা কাঠামো ও ব্যবসায়িক স্বার্থের বিষয়গুলোই সংবাদমাধ্যমের ওপর বেশি প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের অভ্যন্তরীণ বিভাজনও অনেক সমস্যার কারণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি জানান, অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উত্থাপিত বেকার সাংবাদিকদের পুনর্বাসন এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নিহত সাংবাদিক ও অন্যদের পরিবারের সহায়তার বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে।

সহযোগিতা ও ধৈর্যের আহ্বান

শেষ বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক সংঘাত নয়, বরং ধৈর্য, সহনশীলতা ও সহযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। তাঁর মতে, সরকার মাত্র কয়েক মাস আগে দায়িত্ব নিয়েছে, তাই সব সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব নয়। ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি করে সবাইকে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার কাজে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বিরোধীদের ভাষায় ‘হাসিনার প্রতিধ্বনি’ দেখছেন ফখরুল, সংসদভিত্তিক রাজনীতিতে ফেরার আহ্বান

বিরোধী নেতাদের বক্তব্য, জুলাই সনদ, সংসদে রাজনৈতিক বিতর্ক এবং গণতন্ত্র শক্তিশালী করার আহ্বান নিয়ে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে সিএনজি সংকট: পাম্পে গ্যাসের চাপ কমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে চালকরা, দুর্ভোগে যাত্রীরা

বিরোধীদের ভাষায় ‘হাসিনার প্রতিধ্বনি’ দেখছেন ফখরুল, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সংঘাত এড়ানোর আহ্বান

০৭:৩৮:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সংসদের বাইরে সরকারের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হতে না দেওয়ার মতো বক্তব্য দিয়ে বিরোধী নেতাদের একটি অংশ সেই ভাষাই ব্যবহার করছেন, যা একসময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যবহার করতেন। তাঁর মতে, এ ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য গণতান্ত্রিক পরিবেশকে দুর্বল করতে পারে এবং সংঘাতের রাজনীতিকে উৎসাহিত করতে পারে।

সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ধর্মের নামে বিভাজনের চেষ্টার অভিযোগ

অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, একটি গোষ্ঠী ধর্মের নামে সমাজে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সংযম ও সহনশীলতা বজায় রেখে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

সংসদে বিতর্কের ওপর জোর

মন্ত্রী বলেন, সরকার বিরোধী দলের ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী বিরোধী দলের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তাঁর ভাষায়, সরকারের সমালোচনা, নীতির বিরোধিতা এবং ভুলত্রুটি তুলে ধরা বিরোধী দলের সাংবিধানিক দায়িত্ব। তবে এসব বিষয়ের মূল আলোচনার ক্ষেত্র হওয়া উচিত সংসদ।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে আপত্তি নেই, কিন্তু তা যেন কোনোভাবেই সংঘাত বা সহিংসতার দিকে না গড়ায়।

বিএনপির অতীত আন্দোলনের প্রসঙ্গ

মির্জা ফখরুল দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপির প্রায় ৬০ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার ‘মিথ্যা মামলা’ করা হয়েছিল। এছাড়া প্রায় ১ হাজার ৭০০ নেতা-কর্মী, যার মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস আলীও রয়েছেন, গুমের শিকার হন এবং ২ হাজারের বেশি নেতা-কর্মী নিহত হন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ৫ আগস্ট পর্যন্ত কারাবন্দি ছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রায় ১৮ বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়েছেন। এসব ঘটনা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের পটভূমি স্মরণ করিয়ে দেয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জুলাই সনদ নিয়ে অবস্থান

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিএনপি অনাগ্রহী—এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে মির্জা ফখরুল বলেন, এ ধরনের প্রচারণা বিভ্রান্তিকর। তাঁর দাবি, বিএনপি সবসময় সংস্কারের পক্ষে থেকেছে এবং রাষ্ট্র, রাজনীতি ও অর্থনীতি সংকটে পড়লে পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, জুলাই সনদেই উল্লেখ রয়েছে যে যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য হবে না, সেসব ক্ষেত্রে নির্বাচিত সরকার নিজস্ব নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। তাই বিএনপি সনদ থেকে সরে এসেছে—এমন দাবি সঠিক নয়।

ভোল পাল্টে সবাই এখন জুলাইযোদ্ধা হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল

গণভোট নিয়ে আপত্তি

মন্ত্রী জানান, জুলাই সনদের একটি গণভোট-সংক্রান্ত প্রস্তাব রাজনৈতিক দল বা সংবিধান সংস্কার কমিশনের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। সে সময়ই বিএনপি ওই প্রস্তাব মেনে নেয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, নির্বাচনী অঙ্গীকারের ভিত্তিতে জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকার এখন সংসদীয় সাংবিধানিক সংশোধন কমিটির মাধ্যমে কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। এ বিষয়ে মতভেদ থাকলে সংসদেই আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হওয়া উচিত বলে তিনি মত দেন।

গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের প্রসঙ্গ

মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমানে গণমাধ্যমে সরকারের হস্তক্ষেপ নেই। বরং মালিকানা কাঠামো ও ব্যবসায়িক স্বার্থের বিষয়গুলোই সংবাদমাধ্যমের ওপর বেশি প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের অভ্যন্তরীণ বিভাজনও অনেক সমস্যার কারণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি জানান, অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের উত্থাপিত বেকার সাংবাদিকদের পুনর্বাসন এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নিহত সাংবাদিক ও অন্যদের পরিবারের সহায়তার বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে।

সহযোগিতা ও ধৈর্যের আহ্বান

শেষ বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক সংঘাত নয়, বরং ধৈর্য, সহনশীলতা ও সহযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। তাঁর মতে, সরকার মাত্র কয়েক মাস আগে দায়িত্ব নিয়েছে, তাই সব সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব নয়। ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি করে সবাইকে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার কাজে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বিরোধীদের ভাষায় ‘হাসিনার প্রতিধ্বনি’ দেখছেন ফখরুল, সংসদভিত্তিক রাজনীতিতে ফেরার আহ্বান

বিরোধী নেতাদের বক্তব্য, জুলাই সনদ, সংসদে রাজনৈতিক বিতর্ক এবং গণতন্ত্র শক্তিশালী করার আহ্বান নিয়ে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য।