১২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬
কিশোর কুমারের ঐতিহাসিক গৌরী কুঞ্জে বিরাট কোহলির রেস্তোরাঁ, বদলে গেল কিংবদন্তির ঠিকানা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনের সারিতে ফিলিপাইনের ধানচাষিরা যুদ্ধের নতুন যুগ: প্রযুক্তি, শক্তির রাজনীতি এবং দীর্ঘ সংঘাতের বিশ্ব আকাশেই উড়ন্ত গবেষণাগার! নতুন প্রজন্মের বিশাল বিমান ইঞ্জিন পরীক্ষা চলছে বিশেষ বোয়িং উড়োজাহাজে পুলিশ-আদালতের একের পর এক ব্যর্থতায় সিরিয়াল যৌন অপরাধীর হাতে প্রাণ গেল দুই নারীর নিরাপত্তা পেলে দেশে ফিরতে প্রস্তুত সাকিব, মুখোমুখি হবেন বিচার প্রক্রিয়ার ইউরোপে নতুন জলবোমারু বিমান তৈরির দৌড়, দাবানল মোকাবিলায় বড় প্রস্তুতি হাসিনাকে ঘিরে ঢাকা–দিল্লি সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার বাণিজ্য জগতে বড় ধাক্কা, বিপাকে হাজারো ছোট ব্যবসা মানব বিবর্তনের ৮ কোটি ৫০ লাখ বছরের ইতিহাস

নিরাপত্তা পেলে দেশে ফিরতে প্রস্তুত সাকিব, মুখোমুখি হবেন বিচার প্রক্রিয়ার

সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান জানিয়েছেন, সরকার তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে তিনি দেশে ফিরতে প্রস্তুত। দেশে ফিরে তিনি চলমান মামলাগুলোর বিচার প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে চান এবং নিজের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ও বাংলাদেশের মাটিতেই শেষ করতে আগ্রহী।

দীর্ঘ প্রায় দুই বছর দেশের বাইরে থাকা সাকিব বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। তিনি বলেছেন, দেশে ফেরার জন্য তিনি সরকারের কাছ থেকে শুধু নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চান। এরপর আদালতের মুখোমুখি হওয়া বা প্রয়োজনীয় যেকোনো আইনি প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে তার আপত্তি নেই।

সাকিব বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন তিনি কোনো অন্যায় করেননি। তাই দেশে ফিরে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে চান। তার ভাষ্য, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে তিনি দেশে ফিরে আদালতের কার্যক্রমে অংশ নেবেন।

রাজনৈতিক পালাবদলের পর জটিলতায় সাকিবের ফেরা

সাকিব আল হাসান ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের অনেক নেতা-কর্মীর মতো সাকিবও দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে দেশে ফিরতে প্রস্তুত সাকিব

মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিক অবসর নেননি। তিনি জানিয়েছেন, দেশের মাটিতে একটি বিদায়ী সিরিজ খেলার ইচ্ছা রয়েছে তার। পাশাপাশি ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপেও বাংলাদেশের হয়ে খেলার আশা ছাড়েননি তিনি।

তবে তার দেশে ফেরার বিষয়টি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় একটি পরীক্ষার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ সাবেক সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের অনেকেই বর্তমানে বিভিন্ন মামলার মুখোমুখি।

দেশে ফেরার আগে চান নিরাপত্তার নিশ্চয়তা

সাকিব জানিয়েছেন, এর আগে একবার দেশে ফেরার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি। ২০২৪ সালের শেষ দিকে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার আশ্বাস পাওয়ার পর তিনি দেশে আসার জন্য বিমানে উঠেছিলেন। কিন্তু মাঝপথে তাকে ফিরে যেতে বলা হয়।

তিনি জানান, দুবাই পর্যন্ত গিয়ে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যেতে হয়। তার প্রশ্ন, কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে কী কারণে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়েছিল, তা তিনি জানেন না।

পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর পর আরেকবার দেশে ফেরার পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হয় বলে দাবি করেন সাকিব। তিনি বলেন, শুধুমাত্র একটি শুভেচ্ছা বার্তার কারণে তাকে দেশে প্রবেশে বাধা দেওয়া কতটা যুক্তিসংগত, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।

মামলাগুলোকে ‘ভিত্তিহীন’ দাবি সাকিবের

নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে 'দেশে ফিরতে প্রস্তুত' সাকিব, বিচারের মুখ

সাকিব জানিয়েছেন, বর্তমানে তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে একটি ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলা এবং অন্যটি দুর্নীতি দমন সংক্রান্ত অভিযোগ।

হত্যা মামলার বিষয়ে সাকিব বলেন, ওই মামলার দিন তিনি কানাডার টরন্টোতে একটি ক্রিকেট ম্যাচ খেলছিলেন। তার দাবি, ঘটনাটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই এবং মামলাটি হাস্যকর।

তিনি আরও জানান, আগের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তার আইনজীবীর মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র, আইন ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছিল। তবে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক ছাড়বেন না

সাকিব জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক থেকে দূরে সরে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা তার নেই। এর আগে কিছু কর্মকর্তা তাকে রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে দেশে ফিরতে চান সাকিব

তিনি বলেন, শুধুমাত্র দেশে ফেরার সুযোগ পাওয়ার জন্য নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের কথা তিনি বিবেচনা করবেন না।

এদিকে বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সাকিবকে আইনের আওতায় আসতে হবে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, তিনি সাবেক সরকারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি হিসেবে তাকে আদালতের প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।

ক্রিকেট ছাড়ার সময়ও বেশি নেই

ক্রিকেট প্রসঙ্গে সাকিব জানিয়েছেন, তিনি এখনো খেলাটি উপভোগ করছেন এবং নিজের পারফরম্যান্স নিয়েও সন্তুষ্ট। তবে বয়স তার পক্ষে যাচ্ছে না বলে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার সুযোগ নেই বলেও স্বীকার করেছেন তিনি।

তিনি বলেন, যতদিন সম্ভব খেলতে চান, তবে অবসরের সিদ্ধান্ত খুব বেশি পিছিয়ে দিতে পারবেন না।

সাকিব আরও জানান, গত দুই বছর ধরে তিনি বাংলাদেশে থাকা বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। তার ভাষায়, সময়টি পরিবারের সবার জন্যই কঠিন ছিল, তবে তারা পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতের অবস্থান করছেন এবং তার বিরুদ্ধেও বাংলাদেশে বিচারিক প্রক্রিয়া চলছে। অন্যদিকে সাকিব জানিয়েছেন, সুযোগ পেলে তিনি দ্রুত দেশে ফিরে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে চান।

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোর কুমারের ঐতিহাসিক গৌরী কুঞ্জে বিরাট কোহলির রেস্তোরাঁ, বদলে গেল কিংবদন্তির ঠিকানা

নিরাপত্তা পেলে দেশে ফিরতে প্রস্তুত সাকিব, মুখোমুখি হবেন বিচার প্রক্রিয়ার

১০:৫০:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান জানিয়েছেন, সরকার তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে তিনি দেশে ফিরতে প্রস্তুত। দেশে ফিরে তিনি চলমান মামলাগুলোর বিচার প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে চান এবং নিজের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ও বাংলাদেশের মাটিতেই শেষ করতে আগ্রহী।

দীর্ঘ প্রায় দুই বছর দেশের বাইরে থাকা সাকিব বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। তিনি বলেছেন, দেশে ফেরার জন্য তিনি সরকারের কাছ থেকে শুধু নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চান। এরপর আদালতের মুখোমুখি হওয়া বা প্রয়োজনীয় যেকোনো আইনি প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে তার আপত্তি নেই।

সাকিব বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন তিনি কোনো অন্যায় করেননি। তাই দেশে ফিরে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে চান। তার ভাষ্য, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে তিনি দেশে ফিরে আদালতের কার্যক্রমে অংশ নেবেন।

রাজনৈতিক পালাবদলের পর জটিলতায় সাকিবের ফেরা

সাকিব আল হাসান ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের অনেক নেতা-কর্মীর মতো সাকিবও দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে দেশে ফিরতে প্রস্তুত সাকিব

মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিক অবসর নেননি। তিনি জানিয়েছেন, দেশের মাটিতে একটি বিদায়ী সিরিজ খেলার ইচ্ছা রয়েছে তার। পাশাপাশি ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপেও বাংলাদেশের হয়ে খেলার আশা ছাড়েননি তিনি।

তবে তার দেশে ফেরার বিষয়টি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় একটি পরীক্ষার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ সাবেক সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের অনেকেই বর্তমানে বিভিন্ন মামলার মুখোমুখি।

দেশে ফেরার আগে চান নিরাপত্তার নিশ্চয়তা

সাকিব জানিয়েছেন, এর আগে একবার দেশে ফেরার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি। ২০২৪ সালের শেষ দিকে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার আশ্বাস পাওয়ার পর তিনি দেশে আসার জন্য বিমানে উঠেছিলেন। কিন্তু মাঝপথে তাকে ফিরে যেতে বলা হয়।

তিনি জানান, দুবাই পর্যন্ত গিয়ে তাকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যেতে হয়। তার প্রশ্ন, কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে কী কারণে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়েছিল, তা তিনি জানেন না।

পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর পর আরেকবার দেশে ফেরার পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হয় বলে দাবি করেন সাকিব। তিনি বলেন, শুধুমাত্র একটি শুভেচ্ছা বার্তার কারণে তাকে দেশে প্রবেশে বাধা দেওয়া কতটা যুক্তিসংগত, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।

মামলাগুলোকে ‘ভিত্তিহীন’ দাবি সাকিবের

নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে 'দেশে ফিরতে প্রস্তুত' সাকিব, বিচারের মুখ

সাকিব জানিয়েছেন, বর্তমানে তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে একটি ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলা এবং অন্যটি দুর্নীতি দমন সংক্রান্ত অভিযোগ।

হত্যা মামলার বিষয়ে সাকিব বলেন, ওই মামলার দিন তিনি কানাডার টরন্টোতে একটি ক্রিকেট ম্যাচ খেলছিলেন। তার দাবি, ঘটনাটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই এবং মামলাটি হাস্যকর।

তিনি আরও জানান, আগের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তার আইনজীবীর মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র, আইন ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছিল। তবে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক ছাড়বেন না

সাকিব জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক থেকে দূরে সরে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা তার নেই। এর আগে কিছু কর্মকর্তা তাকে রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।

নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে দেশে ফিরতে চান সাকিব

তিনি বলেন, শুধুমাত্র দেশে ফেরার সুযোগ পাওয়ার জন্য নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের কথা তিনি বিবেচনা করবেন না।

এদিকে বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সাকিবকে আইনের আওতায় আসতে হবে। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, তিনি সাবেক সরকারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি হিসেবে তাকে আদালতের প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।

ক্রিকেট ছাড়ার সময়ও বেশি নেই

ক্রিকেট প্রসঙ্গে সাকিব জানিয়েছেন, তিনি এখনো খেলাটি উপভোগ করছেন এবং নিজের পারফরম্যান্স নিয়েও সন্তুষ্ট। তবে বয়স তার পক্ষে যাচ্ছে না বলে দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার সুযোগ নেই বলেও স্বীকার করেছেন তিনি।

তিনি বলেন, যতদিন সম্ভব খেলতে চান, তবে অবসরের সিদ্ধান্ত খুব বেশি পিছিয়ে দিতে পারবেন না।

সাকিব আরও জানান, গত দুই বছর ধরে তিনি বাংলাদেশে থাকা বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। তার ভাষায়, সময়টি পরিবারের সবার জন্যই কঠিন ছিল, তবে তারা পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতের অবস্থান করছেন এবং তার বিরুদ্ধেও বাংলাদেশে বিচারিক প্রক্রিয়া চলছে। অন্যদিকে সাকিব জানিয়েছেন, সুযোগ পেলে তিনি দ্রুত দেশে ফিরে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে চান।