০৭:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬
গ্র্যামির ‘এশিয়ান পপ’ খাঁচায় বিটিএসকে বন্দি করা কি সত্যিই স্বীকৃতি? কিছুই ঘটবে না—এই বাজি কি ফেডের জন্য বিপজ্জনক? থাইল্যান্ডের স্কুলে গুলির ঘটনায় অভিযুক্ত কিশোর সহিংস ভিডিও দেখত, বলছে পুলিশ ডলারের রাজত্বে ফাটল, নিজেদের মুদ্রার দিকে ঝুঁকছে আফ্রিকা ইউক্রেনের জন্য শীত এখন যুদ্ধের নতুন অস্ত্র, মিত্রদের আরও শক্তভাবে পাশে দাঁড়াতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শেয়ারে ধস, তরুণ বিনিয়োগ পরিচালকের ৬৭ শতাংশ পতনে বড় প্রশ্ন পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী লড়াই: অভিযান বাড়ছে, নিরাপত্তা ফিরছে না যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিচ্ছে চীন, নৌশক্তির পেছনে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণের বিশাল শক্তি হরমুজ ও লোহিত সাগরের ঝুঁকি বাড়তেই বিশ্বজুড়ে তেল পাইপলাইনে বিনিয়োগের হিড়িক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধাক্কা সামলে টিকে আছে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি খাত

শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্টের ষড়যন্ত্র রুখতে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও শৃঙ্খলা নষ্ট করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছাড়া দেশে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বাড়ানো সম্ভব নয়।

রোববার চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কর্মসূচিতে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

শান্তিই বিনিয়োগের প্রথম শর্ত

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায়, তাদের বিষয়ে জনগণকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। তার ভাষ্য, কোনো স্থানীয় বাজারে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে যেমন ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে দেন, তেমনি দেশের পরিবেশ অস্থিতিশীল হলে বিনিয়োগকারীরাও কারখানা স্থাপন ও ব্যবসা পরিচালনায় আগ্রহ হারান।

তিনি বলেন, কারখানা ঠিকমতো চালানো না গেলে পণ্য বন্দরে নেওয়া, কাঁচামাল আনা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি—কোনোটিই স্বাভাবিকভাবে সম্ভব নয়। তাই শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বাড়াতে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখাকে তিনি অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন।

১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা

তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতার পর ৫০ বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। এখন দেশের মানুষের জন্য কাজ করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার সময়। সরকারের প্রধান লক্ষ্য কর্মসংস্থান, শিল্পায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বাড়িয়ে মানুষের জীবনমান পরিবর্তন করা।

তিনি জানান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ে সরকার ১০ বছরের একটি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপন করবে। এর লক্ষ্য হবে স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, শিল্পকারখানা, বাসাবাড়ি ও পরিবহন খাতে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা।

জ্বালানি খাত নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারও বিকল্প পরিকল্পনা থাকলে তা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা সৃষ্টি করা যাবে না। তিনি বলেন, সরকার এমন একটি অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থা উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে, যা সীমিতসংখ্যক মানুষের সুবিধা করেছে। জনস্বার্থে সেটি পুনর্গঠনে সময় প্রয়োজন।

কর্মসংস্থান ও সামাজিক সুরক্ষায় জোর

প্রধানমন্ত্রী জানান, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পরীক্ষামূলক পর্যায় শেষ হয়েছে এবং আগামী ১৬ আগস্ট থেকে এর আনুষ্ঠানিক বিতরণ শুরু হবে। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালুর পরিকল্পনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি লবণচাষিদেরও সরকারি সহায়তা কর্মসূচির আওতায় আনার কথা জানান।

তিনি বলেন, ত্রাণ ও সহায়তার পাশাপাশি মানুষের জন্য টেকসই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। তরুণদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে প্রয়োজনে বিদেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকারের লক্ষ্য প্রতিটি মানুষকে কর্মক্ষম করে তোলা, যাতে তারা নিজের ও পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের পাশাপাশি দেশের উন্নয়নেও অবদান রাখতে পারেন।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে শিল্পায়নের পরিকল্পনা

বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্রসম্পদকে দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। দিনের শুরুতে তিনি কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

তারেক রহমান বলেন, মাতারবাড়ী থেকে চট্টগ্রামের বিস্তৃত উপকূলীয় অঞ্চলে শিল্পকারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। চীনা বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে কয়েকশ শিল্পকারখানা স্থাপনের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। বৈদেশিক মুদ্রার আয় বাড়লে অর্থনীতি শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নেও সহায়তা করবে।

বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন

বাহারছড়ায় প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে নবনির্মিত ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন এবং পুনর্বাসন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি ১০ জন প্রতিবন্ধী শিশুর হাতে সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।

এর আগে বাহারছড়া সমুদ্রসৈকত পরিদর্শন করে এলাকাটিকে সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। নতুন নির্মিত একটি বাড়ির আঙিনায় একটি মেহগনি চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং নারী-পুরুষ ও তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সরকারের দায়িত্ব। একই সঙ্গে উসকানিতে সাড়া না দিয়ে উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্র্যামির ‘এশিয়ান পপ’ খাঁচায় বিটিএসকে বন্দি করা কি সত্যিই স্বীকৃতি?

শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্টের ষড়যন্ত্র রুখতে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

০৫:১৩:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

দেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও শৃঙ্খলা নষ্ট করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছাড়া দেশে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বাড়ানো সম্ভব নয়।

রোববার চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কর্মসূচিতে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

শান্তিই বিনিয়োগের প্রথম শর্ত

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায়, তাদের বিষয়ে জনগণকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। তার ভাষ্য, কোনো স্থানীয় বাজারে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে যেমন ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে দেন, তেমনি দেশের পরিবেশ অস্থিতিশীল হলে বিনিয়োগকারীরাও কারখানা স্থাপন ও ব্যবসা পরিচালনায় আগ্রহ হারান।

তিনি বলেন, কারখানা ঠিকমতো চালানো না গেলে পণ্য বন্দরে নেওয়া, কাঁচামাল আনা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি—কোনোটিই স্বাভাবিকভাবে সম্ভব নয়। তাই শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বাড়াতে দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখাকে তিনি অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন।

১০ বছরের জ্বালানি পরিকল্পনা

তারেক রহমান বলেন, স্বাধীনতার পর ৫০ বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে। এখন দেশের মানুষের জন্য কাজ করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার সময়। সরকারের প্রধান লক্ষ্য কর্মসংস্থান, শিল্পায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বাড়িয়ে মানুষের জীবনমান পরিবর্তন করা।

তিনি জানান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ে সরকার ১০ বছরের একটি পরিকল্পনা সংসদে উপস্থাপন করবে। এর লক্ষ্য হবে স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, শিল্পকারখানা, বাসাবাড়ি ও পরিবহন খাতে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা।

জ্বালানি খাত নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারও বিকল্প পরিকল্পনা থাকলে তা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা সৃষ্টি করা যাবে না। তিনি বলেন, সরকার এমন একটি অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থা উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে, যা সীমিতসংখ্যক মানুষের সুবিধা করেছে। জনস্বার্থে সেটি পুনর্গঠনে সময় প্রয়োজন।

কর্মসংস্থান ও সামাজিক সুরক্ষায় জোর

প্রধানমন্ত্রী জানান, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পরীক্ষামূলক পর্যায় শেষ হয়েছে এবং আগামী ১৬ আগস্ট থেকে এর আনুষ্ঠানিক বিতরণ শুরু হবে। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালুর পরিকল্পনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি লবণচাষিদেরও সরকারি সহায়তা কর্মসূচির আওতায় আনার কথা জানান।

তিনি বলেন, ত্রাণ ও সহায়তার পাশাপাশি মানুষের জন্য টেকসই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। তরুণদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে প্রয়োজনে বিদেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকারের লক্ষ্য প্রতিটি মানুষকে কর্মক্ষম করে তোলা, যাতে তারা নিজের ও পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের পাশাপাশি দেশের উন্নয়নেও অবদান রাখতে পারেন।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে শিল্পায়নের পরিকল্পনা

বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্রসম্পদকে দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। দিনের শুরুতে তিনি কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

তারেক রহমান বলেন, মাতারবাড়ী থেকে চট্টগ্রামের বিস্তৃত উপকূলীয় অঞ্চলে শিল্পকারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। চীনা বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে কয়েকশ শিল্পকারখানা স্থাপনের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। বৈদেশিক মুদ্রার আয় বাড়লে অর্থনীতি শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নেও সহায়তা করবে।

বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন

বাহারছড়ায় প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে নবনির্মিত ঘরের চাবি হস্তান্তর করেন এবং পুনর্বাসন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি ১০ জন প্রতিবন্ধী শিশুর হাতে সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।

এর আগে বাহারছড়া সমুদ্রসৈকত পরিদর্শন করে এলাকাটিকে সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। নতুন নির্মিত একটি বাড়ির আঙিনায় একটি মেহগনি চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং নারী-পুরুষ ও তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সরকারের দায়িত্ব। একই সঙ্গে উসকানিতে সাড়া না দিয়ে উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।