০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারত থেকে মোম্বাসা, মোম্বাসা থেকে উগান্ডা—যেভাবে সুধীর রুপারেলিয়া গড়লেন ১.৩ বিলিয়ন ডলারের সাম্রাজ্য গাজায় যুদ্ধবিধ্বস্ত ভবন ধসে নিহত অন্তত ২০, ধ্বংসস্তূপে আটকা বহু মানুষ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে নিটওয়্যার শিল্প, মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি ঝুঁকি বাড়ালে সামনে কী স্মার্ট চশমার জনপ্রিয়তা বাড়ছে, বাড়ছে গোপনে ভিডিও ধারণের ভয় রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে বিদেশি যোদ্ধারা, সামনে ভয়াবহ মৃত্যুর গল্প ছুটির দিনেও পাসপোর্ট সেবা, স্বস্তি মালয়েশিয়ার প্রবাসীদের চীনের বিরুদ্ধে ইরানকে সহায়তার অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প ব্রিকস নৈশভোজে শুধু নিরামিষ খাবার, ভারতে রাজনৈতিক বিতর্ক ট্রাম্পের দাবি, এআই নিয়ে ভয় দেখাচ্ছে ‘নেতিবাচক শক্তি’ আয়ারল্যান্ড এক হওয়ার পক্ষে আবারও ট্রাম্প, স্কটল্যান্ড নিয়ে এখনই কথা নয়

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

ভারতের আমন্ত্রণ, যেকোনো সময় সফর

জাহেদ উর রহমান বলেন, বিমসটেকের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি ভারত সরকার আলাদাভাবেও প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ফলে প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বন্ধু পরিবর্তন করা সম্ভব হলেও প্রতিবেশী পরিবর্তন করা যায় না। দুই দেশের সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই বাস্তবতাকে বিবেচনায় রাখা হবে বলেও জানান তিনি।

গোয়েন্দা পর্যায়ে যোগাযোগ

দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা হতে পারে বলেও প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান তথ্য উপদেষ্টা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইংয়ের একজন প্রতিনিধি ইতোমধ্যে ঢাকায় এসেছেন।

দুই দেশের গোয়েন্দা প্রধানদের মধ্যে বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানান তিনি। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের বাংলাদেশ সফরকে গোপন কোনো বিষয় নয় বলেও মন্তব্য করেন জাহেদ উর রহমান।

সমতার ভিত্তিতে নতুন সম্পর্কের বার্তা

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তোলা হবে বলে জানান তথ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, গত ১৭ বছর যেভাবে দুই দেশের সম্পর্ক পরিচালিত হয়েছে, ভবিষ্যতে তার বাইরে গিয়ে সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শেখ হাসিনা সরকারের সময়ের মতো ভারতের কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। তার মতে, এখন থেকে দুই দেশের বিষয়গুলো স্বাধীন, সার্বভৌম ও আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের সম্পর্কের নতুন কাঠামো নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হতে পারে বলে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত থেকে মোম্বাসা, মোম্বাসা থেকে উগান্ডা—যেভাবে সুধীর রুপারেলিয়া গড়লেন ১.৩ বিলিয়ন ডলারের সাম্রাজ্য

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন

০৬:০৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

ভারতের আমন্ত্রণ, যেকোনো সময় সফর

জাহেদ উর রহমান বলেন, বিমসটেকের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি ভারত সরকার আলাদাভাবেও প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ফলে প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বন্ধু পরিবর্তন করা সম্ভব হলেও প্রতিবেশী পরিবর্তন করা যায় না। দুই দেশের সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই বাস্তবতাকে বিবেচনায় রাখা হবে বলেও জানান তিনি।

গোয়েন্দা পর্যায়ে যোগাযোগ

দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা হতে পারে বলেও প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান তথ্য উপদেষ্টা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইংয়ের একজন প্রতিনিধি ইতোমধ্যে ঢাকায় এসেছেন।

দুই দেশের গোয়েন্দা প্রধানদের মধ্যে বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানান তিনি। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের বাংলাদেশ সফরকে গোপন কোনো বিষয় নয় বলেও মন্তব্য করেন জাহেদ উর রহমান।

সমতার ভিত্তিতে নতুন সম্পর্কের বার্তা

বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তোলা হবে বলে জানান তথ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, গত ১৭ বছর যেভাবে দুই দেশের সম্পর্ক পরিচালিত হয়েছে, ভবিষ্যতে তার বাইরে গিয়ে সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শেখ হাসিনা সরকারের সময়ের মতো ভারতের কোনো সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। তার মতে, এখন থেকে দুই দেশের বিষয়গুলো স্বাধীন, সার্বভৌম ও আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের সম্পর্কের নতুন কাঠামো নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হতে পারে বলে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।