দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে শ্রম অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে ঢাকা, গাজীপুর, সাভার-আশুলিয়া, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে। ১ নভেম্বরের প্রাপ্ত হিসাব অনুযায়ী, অন্তত ৫২৯টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে। একই সময়ে কারখানা থেকে বেরিয়ে এসেছেন ৯ লাখ ৮৭ হাজার ১৯০ জন শ্রমিক। হিসাবটি ১ নভেম্বর দুপুর ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।
সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে গাজীপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে। এখানে ৮৩৬টি কারখানার তথ্য আছে, যার মধ্যে ২৭৬টি পোশাক কারখানা বন্ধ। এই দুই এলাকায় কারখানা ছেড়েছেন ৬ লাখ ৪৫ হাজার ৩৬০ জন শ্রমিক।
সাভার, আশুলিয়া ও জিরানী এলাকায় ১৮৫টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। এখানে কারখানা থেকে বেরিয়েছেন ২ লাখ ৯০ হাজার ২০৫ জন শ্রমিক। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর এলাকায় ৩২০টি কারখানার মধ্যে বন্ধ আছে ৬৮টি। সেখানে কাজ ছেড়েছেন ৫১ হাজার ৬২৫ জন।
এই তিন অঞ্চলের হিসাব যোগ করলেই মেলে ৫২৯টি পোশাক কারখানা বন্ধ এবং ৯ লাখ ৮৭ হাজার ১৯০ জন শ্রমিকের সংখ্যা। প্রাপ্ত তালিকায় ডিএমপি, গাজীপুর-ময়মনসিংহ, সাভার-আশুলিয়া ও জিরানী, নারায়ণগঞ্জ এবং চট্টগ্রাম, এই পাঁচ শিল্পাঞ্চলের মোট ২ হাজার ১৩৪টি কারখানার তথ্য রয়েছে।
তবে কতগুলো কারখানায় উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ ছিল আর কতগুলোতে শ্রমিকেরা কাজ ফেলে বেরিয়ে গেছেন, তার আলাদা পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। বেরিয়ে আসা শ্রমিকদের মধ্যে কতজন সরাসরি বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন, তারও পৃথক হিসাব করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
একযোগে কয়েকটি প্রধান শিল্পাঞ্চলে শত শত পোশাক কারখানা বন্ধ থাকা খাতটির চলমান পরিস্থিতির ব্যাপকতা দেখাচ্ছে। বিশেষ করে গাজীপুর-ময়মনসিংহ ও সাভার-আশুলিয়ায় বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের কারখানা ছেড়ে আসা পরিস্থিতির গুরুত্ব বাড়িয়েছে।












