০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বড় ক্লাসের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থী, বদলাতে হবে শিক্ষার পদ্ধতি গ্যাস স্টেশনে বসল বিয়ের আসর, তিন পোশাকে চমকে দিলেন ড্রামার কনে ট্রাম্পের মানচিত্রে ‘মার্কিন’ আইসল্যান্ড, ক্ষুব্ধ রেইকিয়াভিক তলব করল মার্কিন রাষ্ট্রদূত এনভিডিয়া–হাগিং ফেস চুক্তিতে বদলে যেতে পারে প্রতিষ্ঠানের এআই কৌশল মেয়ের জন্মের স্মৃতি ধরে রাখতে টেলর সুইফটের প্রিয় গয়না-শিল্পীর অনন্য আংটি ১০–৩০ কাউন্ট সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিল, আপত্তি বিজিএমইএ-বিকেএমইএর সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের চার প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: মিসরের সামনে যোগ দেওয়ার চেয়েও বড় প্রশ্ন কাঁচা সবুজ টমেটো সংরক্ষণ করুন শীতের জন্য, সহজেই তৈরি করুন মজাদার আচার ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করল মিসর
সাহিত্য

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ১৭)

ম্যাকসিম গোর্কী আটাশ “মনে পড়ে না। তবে আমি যে বুঝতে পেরেছিলাম, তেমনটিও মনে হয় না।” “কিন্তু, ব্যাপারটা তো অত্যন্ত স্পষ্ট!

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-৮৯)

সন্ন্যাসী ঠাকুর একদিন আমার বড় ভাই একখানা বেত লইয়া আমাকে এমন প্রহার করিলেন যে, আমার পিঠে হাতের আঙুলের মতো দশ-বারোটি

ইশকুল (শেষ-পর্ব)

আর্কাদি গাইদার অষ্টম পরিচ্ছেদ অনিচ্ছাসত্ত্বেও পাকচক্রে যখন থেকে আমি বাবার সহযোগী হয়ে দাঁড়িয়েছিলুম তখন থেকেই তাঁর সঙ্গে অন্যভাবে কথা বলতুম

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ১৬)

ম্যাকসিম গোর্কী সাতাশ মাঝে মাঝে দুষ্টামি করে কঠিন কঠিন প্রশ্ন শুধাতে তিনি ভালো বাসতেন: তুমি নিজের সম্বন্ধে কি ভাবো? তুমি

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-৮৮)

সন্ন্যাসী ঠাকুর ধানের মরসুমে আমার যত্নে রোপিত ফুলগাছগুলির উপর দিন-মজুরেরা খড়ের আঁটি ফেলিয়া সেগুলিকে ধ্বংস করিত। আমার মনে ক্ষোভের অন্ত

ইশকুল (পর্ব-৬২)

আর্কাদি গাইদার অষ্টম পরিচ্ছেদ আমার লাল-হয়ে-ওঠা জলে-ভেজা মুখের দিকে তাকিয়ে ও বলল, ‘কি, তুষার- ঝড়?’ ‘নয় তো কী,’ আমি জবাব

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ১৫)

ম্যাকসিম গোর্কী পঁচিশ “ডস্টইয়েফস্কি একটি উন্মাদ চরিত্রের বর্ণনা করেছেন এই ব’লে যে, লোকটি এমন একটি আদর্শের সেবা করেছে, যে আদর্শে

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-৮৭)

সন্ন্যাসী ঠাকুর ঢাকা জেলার বিক্রমপুর অঞ্চলে কোনো এক গ্রামে তাঁহার বাড়ি ছিল। নাটরের পাগলা মহারাজার সঙ্গে ঘোড়ায় চড়িয়া সন্ন্যাসী ঠাকুর

অদম্য কবি

মাহির আলী গল্পটি শুরু হয় বাগবানপুরার একজন দর্জি চিরাগ দীনকে নিয়ে, যিনি লাহোরের প্রান্তে বসবাস করতেন। তিনি তার ক্লায়েন্টদের কবিতার

ইশকুল (পর্ব-৬১)

আর্কাদি গাইদার অষ্টম পরিচ্ছেদ এদিক-ওদিক দেখে নিয়ে তিঙ্কা ফিসফিস করে বললে: ‘আজ সন্ধেয় আমাদের ওখানে আসিস। বাপি বলে দিয়েছে আসতে।