০৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বড় ক্লাসের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থী, বদলাতে হবে শিক্ষার পদ্ধতি গ্যাস স্টেশনে বসল বিয়ের আসর, তিন পোশাকে চমকে দিলেন ড্রামার কনে ট্রাম্পের মানচিত্রে ‘মার্কিন’ আইসল্যান্ড, ক্ষুব্ধ রেইকিয়াভিক তলব করল মার্কিন রাষ্ট্রদূত এনভিডিয়া–হাগিং ফেস চুক্তিতে বদলে যেতে পারে প্রতিষ্ঠানের এআই কৌশল মেয়ের জন্মের স্মৃতি ধরে রাখতে টেলর সুইফটের প্রিয় গয়না-শিল্পীর অনন্য আংটি ১০–৩০ কাউন্ট সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিল, আপত্তি বিজিএমইএ-বিকেএমইএর সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের চার প্রবাসীর মর্মান্তিক মৃত্যু মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: মিসরের সামনে যোগ দেওয়ার চেয়েও বড় প্রশ্ন কাঁচা সবুজ টমেটো সংরক্ষণ করুন শীতের জন্য, সহজেই তৈরি করুন মজাদার আচার ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদের যেকোনো প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করল মিসর
সাহিত্য

ইশকুল (পর্ব-৫৭)

আর্কাদি গাইদার সপ্তম পরিচ্ছেদ ‘আমার যাবার সময় হয়েছে,’ বাবা একটু চঞ্চল হয়ে বললেন। ‘পৌঁছতে দেরি না করাই ভালো।’ ‘কিন্তু বাপি,

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ১০)

ম্যাকসিম গোর্কী উনিশ আমরা ইউশপভ পার্কে বেড়াচ্ছিলাম। তিনি মস্কাও শহরের অভিজাত শ্রেণীর লোকদের আচার-ব্যবহার সম্পর্কে চমৎকার ভাবে বর্ণনা করছিলেন। ওদিকে

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-৮৪)

সেকালের যাত্রাগান রাজায় রাজায় যখন যুদ্ধ হইত, আর সেই যুদ্ধের তালে তালে যখন বাজনা বাজিত তখন এক নিশ্বাসে চাহিয়া থাকিতাম

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ০৯)

ম্যাকসিম গোর্কী সতের তিনি আমাকে তাঁর একটি ডাইরি পড়তে দিয়েছিলেন। আমি তাতে অদ্ভুত ধরণের একটি চোস্ত কথার সন্ধান পেলামঃ “বিধাতা

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-৮৩)

সেকালের যাত্রাগান ছোটবেলায় আমি আর আমার চাচাতো ভাই নেহাজদ্দীন দুইজনে মিলিয়া ফরিদপুরের চৌধুরীবাড়িতে যাত্রাগান শুনিতে যাইতাম। গান হইবার তিন-চারদিন আগে

ইশকুল (পর্ব-৫৬)

আর্কাদি গাইদার সপ্তম পরিচ্ছেদ যে ভাবা সেই কাজ। এক দৌড়ে জামাকাপড়ের ঘরে গিয়ে কোটটা গায়ে চড়িয়ে ফের একছুটে একেবারে রাস্তায়।

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ০৮)

ম্যাকসিম গোর্কী চৌদ্দ খৃস্টের ধর্মপুত্র সম্পর্কে একটি কাহিনী তাঁর কাছে কে পাঠিয়েছিল। সেটিকে তিনি উচ্চকণ্ঠে পড়ে সুলার এবং শেখভকে শোনাছিলেন-

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-৮২)

চৈত্র-পুজা চারিদিকের জমাট-অন্ধকারের উপর তাহাদের ধূপতির আগুন নানারকমের নকশা আঁকিয়া নিবিয়া যাইতেছিল। শ্মশানঘাটের এই ভীতিবহুল সমাবেশে তাহাদের ধূপতিনাচ মনে এক

ইশকুল (পর্ব-৫৫)

আর্কাদি গাইদার সপ্তম পরিচ্ছেদ ক্লাসের মনিটর প্রার্থনা-বাক্য আউড়ে গেল। ছেলেরা দমান্দম ডেস্কের ঢাকা বন্ধ করে একের পর এক ছুটে বেরিয়ে

পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের স্মৃতিকথা (পর্ব-৮১)

চৈত্র-পুজা বলরে হরগৌরী নাম বি-ভো-র। এই গুরুগম্ভীর পরিবেশের মধ্যে হাজরা পূজা শেষ হইল। এবার হইবে শ্মশান-পূজা। ওদিক হইতে লক্ষ্মীপুরের দল