দেশে হাম ও হামসদৃশ উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে চলতি বছরে হাম-সংশ্লিষ্ট নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৩ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) তথ্য অনুযায়ী, নতুন পাঁচ মৃত্যুর মধ্যে একজনের মৃত্যু হাম-সংশ্লিষ্ট বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকি চারজনকে সন্দেহভাজন মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।
নতুন মৃত্যুর ফলে দেশে চলতি বছরে হামজনিত নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০১। আর সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৫২। অর্থাৎ নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন—দুই ধরনের মৃত্যুকে মিলিয়ে মোট প্রাণহানি এখন ১ হাজার ৫৩ জন।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হামসদৃশ উপসর্গের ৯৪১টি নতুন সন্দেহভাজন ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। এতে চলতি বছরে এ ধরনের সন্দেহভাজন রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৬৬ জনে।
একই সময়ে নতুন করে ৭৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে দেশে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হাম রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার ৪৭৪ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫৫৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৫১ হাজার ৩৯৫ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, হাম পরিস্থিতিতে নতুন আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা এখনও অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে এ রোগের বিস্তার ঠেকাতে দ্রুত শনাক্তকরণ, চিকিৎসা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি হয়ে উঠেছে।












