দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স, সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হামদান বিন মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম জাঞ্জিবারে ‘রাশিদ ভিলেজ’ উদ্যোগের আওতায় দ্বিতীয় একটি গ্রাম চালুর নির্দেশ দিয়েছেন।
শনিবার এই নতুন প্রকল্পের ঘোষণা দেওয়া হয়। উদ্যোগটির লক্ষ্য হলো স্থানীয় পরিবারগুলোর জন্য আবাসন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করা। এর মাধ্যমে সুবিধাভোগী পরিবারগুলো যেন দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদ ও স্থিতিশীল জীবনযাপন করতে পারে, সে বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রকল্পটি চালুর সময়টিও তাৎপর্যপূর্ণ। প্রয়াত শেখ রাশিদ বিন মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের মৃত্যুর ১১তম বার্ষিকীর সঙ্গে মিল রেখে দ্বিতীয় ‘রাশিদ ভিলেজ’ প্রকল্পটি শুরু করা হচ্ছে। প্রয়াত শেখ রাশিদের মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও অভাবগ্রস্ত সম্প্রদায়ের জন্য সহায়তার যে ঐতিহ্য ছিল, নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে সেটিকে আরও এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন গ্রামটি হবে একটি সমন্বিত ও টেকসই আবাসনকেন্দ্র। সেখানে বসবাসকারী পরিবারগুলোর প্রয়োজনীয় মৌলিক সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের জীবিকা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগও তৈরি করা হবে। অর্থাৎ শুধু আবাসনের ব্যবস্থা নয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং আয়-রোজগারের সুযোগকে একই প্রকল্পের অংশ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
প্রকল্পটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকবেন শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ বিন মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম।
শেখ হামদান বলেন, তাঁর প্রয়াত ভাইয়ের মৃত্যুর বার্ষিকী তাঁর উদারতা এবং অন্য মানুষের জীবনে তাঁর ইতিবাচক প্রভাব স্মরণ করার একটি সুযোগ। তাঁর সেই মানবিক উত্তরাধিকারকে শুধু স্মৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব ও দীর্ঘস্থায়ী প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষের জীবনে পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য।
তিনি আরও বলেন, ‘রাশিদ ভিলেজ’ উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবারগুলোর নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিবছর নতুন নতুন সম্প্রদায়ের কাছে এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
জাঞ্জিবারে দ্বিতীয় গ্রাম চালুর এই উদ্যোগ তাই একটি আবাসন প্রকল্পের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়ন, মানবিক সহায়তা এবং স্থানীয় পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি স্বনির্ভরতার সুযোগ তৈরির একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা হিসেবে সামনে এসেছে।












