জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কোনো দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ূন কবির। তিনি জানান, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই বিভিন্ন সাইডলাইন বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হুমায়ূন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এবারের যুক্তরাষ্ট্র সফরের মূল উদ্দেশ্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নেওয়া। ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।
জাতিসংঘ অধিবেশন ঘিরে ব্যস্ত কর্মসূচি
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী ডজনের বেশি দ্বিপাক্ষিক, বহুপাক্ষিক ও সৌজন্য সাক্ষাতে অংশ নেবেন।
বাংলাদেশের স্বার্থকে সামনে রেখে এসব বৈঠকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তবে ট্রাম্পের সঙ্গে কোনো দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হচ্ছে না—এ বিষয়টিই সফরের কূটনৈতিক কর্মসূচির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে সামনে এসেছে।
নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর আগমন
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় ২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন জুবাইদা খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।
বিমানবন্দর থেকে মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে নিউইয়র্কের হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে তিনি হোটেলে পৌঁছান।
প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের খবর পেয়ে বিমানবন্দর ও হোটেলের সামনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতি দেখা যায়। তারা বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
জাতিসংঘে ভাষণ ২৪ সেপ্টেম্বর
সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৩টায় তার ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।
জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি সফরে একাধিক দ্বিপাক্ষিক, বহুপাক্ষিক ও সৌজন্য সাক্ষাতের কর্মসূচি রয়েছে। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির।












