বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ১২:২৯ অপরাহ্ন

বেলুচিস্থানের খাবারের দাম, আমদানী কমার প্রভাব অর্থনীতিতে, চলবে রিজার্ভ চুরির মামলা নিউইয়র্কে

  • Update Time : রবিবার, ৩ মার্চ, ২০২৪, ৭.৪৬ পিএম

সারাক্ষণ ডেস্ক

 

পাকিস্তানের ডন পত্রিকার আজকের বিজনেস পাতার শিরোনাম ছিল ‘Punjab, Balochistan lead in costly food’.

 

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান ব্যুরো অফ স্ট্যাটিস্টিকস (পিবিএস) অনুসারে, প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীর দাম জেলা প্রশাসন দ্বারা নির্ধারিত প্রকৃত এবং মূল্যের মধ্যে ব্যবধানের দিক থেকে পাঞ্জাব এবং বেলুচিস্তান দুটি সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রদেশ।

 

পাঞ্জাবে, ফয়সালাবাদ অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যদ্রব্যের বাজার মূল্য এবং জেলা প্রশাসনের দ্বারা নির্ধারিত হারের মধ্যে ৬০.১৫  শতাংশের গড় ব্যবধান নিয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে রয়েছে। এর পরে মুলতান ৫১.৪১ শতাংশ, বাহাওয়ালপুর ৩৫.৪৬ শতাংশ এবং রাওয়ালপিন্ডি ৩৩.৩৪ শতাংশ। স্কেলের অন্য প্রান্তে, লাহোরে সর্বনিম্ন গড় ব্যবধান ৮.৩৯  শতাংশ, সারগোধা ১০.৮৯ শতাংশ, শিয়ালকোট ২০.৫৩  শতাংশ এবং গুজরানওয়ালা ২১.৯২ শতাংশে পিছিয়ে রয়েছে৷ এই ডেটা একই প্রদেশের বিভিন্ন শহর জুড়ে মূল্য নিয়ন্ত্রণের উল্লেখযোগ্য তারতম্যকে আন্ডারস্কোর করে।

 

এদিকে, ইসলামাবাদে, দামের ব্যবধান ৩৮.০৯  শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে, যা ভোক্তাদের জন্য মূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর প্রশাসনের অভাব নির্দেশ করে। খাদ্যদ্রব্যের বাজারমূল্য এবং জেলা প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যের মধ্যে এই উল্লেখযোগ্য পার্থক্য ফেডারেল রাজধানীর জেলা প্রশাসনের দুর্বল পর্যবেক্ষণকে প্রতিফলিত করে।

 

 

 

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার মতামত পাতার পি চন্দ্রামনিয়মের প্রতিবেদনের  শিরোনাম ‘P Chidambaram writes: There are no poor in Indial’.

 

প্রতিবেদনের জানা যায় ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভে অফিস কর্তৃক প্রকাশিত গৃহস্থালি খরচ সমীক্ষার (HCES) ফলাফলের ভিত্তিতে সিইও এই বিস্ময়কর দাবি করেছেন। এখন, এর সিইও ঘোষণা করেছেন যে ভারতে দরিদ্ররা জনসংখ্যার ৫ শতাংশের বেশি নয়।

 

আশ্চর্য হবেন না যদি আপনি একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে সংবাদপত্রে শিরোনাম পড়েন “আর গরিব নেই: ভারত দারিদ্র্য দূর করে”। আপনাকে এটাই বিশ্বাস করতে হবে।

 

প্রথমত, ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভে অফিস ঘোষণা করেছে যে বহুমাত্রিকভাবে দরিদ্র মানুষের অনুপাতের অনুপাত ১১.২৮ শতাংশ। ন্যাশনাল স্যাম্পল সার্ভে অফিস কর্তৃক প্রকাশিত হাউজহোল্ড কনজাম্পশন এক্সপেন্ডিচার সার্ভে (এইচসিইএস) এর ফলাফলের ভিত্তিতে সিইও এই বিস্ময়কর দাবি করেছেন। HCES আগস্ট ২০২২ থেকে জুলাই ২০২৩ এর মধ্যে পরিচালিত হয়েছিল।

 

 

 

টাইম বোমায় ভাসছে ঢাকা – দৈনিক মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম।

বলা হচ্ছে পুরান ঢাকার নিমতলী থেকে বেইলি রোড। ট্র্যাজেডি আসে, ট্র্যাজেডি যায়। মৃত্যু আর আহাজারিতে ভারী হয় ঢাকার বাতাস। এসব দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তির মূলে রয়েছে নগরের বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনা। মানুষের সুরক্ষার কথা চিন্তা না করে শহরে গড়ে উঠছে বড় বড় অট্টালিকা। গ্রিন কোজি কটেজের মতো শহর জুড়েই ভবনে ভবনে গড়ে উঠেছে হোটেল-রেস্তরাঁ। এসব ভবনে চুলার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে সিলিন্ডারের গ্যাস। ক্রেতাদের উঠানামার সিঁড়ি বা লিফট নেই পর্যাপ্ত। এ কারণে এসব ভবন হয়ে উঠেছে অনেকটা টাইম বোম। বেইলি রোডেই রাস্তার দু’পাশেই অসংখ্য রেস্তরাঁ। এসব রেস্তরাঁর ভবনে আছে আবাসিক ফ্ল্যাটও।

 

কোনো কোনো ভবনের নিচে বা উপরে আছে বিভিন্ন পণ্যের দোকান। বৃহস্পতিবার গ্রিন কোজি কটেজ নামে বহুতল ভবনে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় ৪৬ জনের মৃত্যু হয়। ওই ভবনটির আশপাশে একই ধরনের বেশ কয়েকটি বহুতল ভবন রয়েছে। কিছু ভবনের প্রথম ৪ থেকে ৫ তলা পর্যন্ত বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত হয়। সেখানে ভাড়া দেয়া হয়েছে রেস্তরাঁ, কফিশপ কিংবা শপিংমল। রেস্তরাঁর কর্মীরা জানান, ওই এলাকায় অন্তত ৫০টি রেস্তরাঁ রয়েছে। একাধিক বহুতল ভবনে অন্তত ৮ থেকে ১০টি করে রেস্তরাঁ রয়েছে। রেস্তরাঁয় রান্নার কাজে সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি রেস্তরাঁগুলোর মাঝে কাঁচের দেয়াল দিয়ে আলাদা করা। নেই ভেন্টিলেশনের কোনো ব্যবস্থা। ওয়াসিস রেস্তরাঁর একজন কর্মী বলেন, এই ভবনে বার্গার এক্সপ্রেস, সেশিয়েট, ক্যাফে জেলাটেরিয়া নামের রেস্তরাঁ রয়েছে। শুধু আমরা ছাড়া ভবনের সবাই সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করে। আগুন লাগা গ্রিন কোজি কটেজের পাশেই আরেকটি বহুতল ভবন রয়েছে। এই ভবনেও কেএফসি, পিজ্জাহাট, দোসা এক্সপ্রেস, সেভেন পিক, থ্রিথ্রি ও সিক্রেট রেসিপি নামের রেস্তরাঁ রয়েছে। ভবনটিতে আন্ডারগ্রাউন্ডের পেছনের অংশে অরক্ষিত অবস্থায় একাধিক গ্যাসের সিলিন্ডার শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে দেখা গেছে। তবে এসব সিলিন্ডারে গ্যাস না থাকার কথা জানান সেখানকার এক কর্মী। ওই ভবনের চতুর্থতলার রান্নাঘরে সারি সারি গ্যাসের সিলিন্ডার রেখে ব্যবহার করা হচ্ছে। ভবনের একটিমাত্র সিঁড়ি ঘেঁষেই এমন অবস্থা দেখা গেছে।

 

ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের শিরোনাম Bangladesh remains a transit hotspot । বন্যপ্রাণী পাচারের ‘ট্রানজিট’বাংলাদেশ|

 

এতে বলা হয়, প্যাটাগোনিয়ান মারা। কিছুটা খরগোশ ও কিছুটা হরিণের মতো দেখতে এই প্রাণীর আবাসস্থল দক্ষিণ আমেরিকার প্যাটাগোনিয়ার বিশাল এলাকা সহ আর্জেন্টিনার অনেক জায়গায়। এই তৃণভোজী স্তন্যপায়ী প্রাণীটি উপমহাদেশের এই অংশে কখনও পাওয়া গেছে এমনটা জানা যায় না। কিন্তু ২০২১ সালের মার্চ মাসে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার তুষখালী সীমান্ত এলাকায় ফেলে রাখা বস্তা থেকে সাতটি বিপন্নপ্রায় প্রাণী উদ্ধার করেন সীমান্তরক্ষী সদস্যরা। পরের বছর, চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা থেকে উল্লুক, সজারু, মেছো বিড়াল, চিতা বিড়াল এবং কালো মথুরাসহ বিপুল সংখ্যক বন্যপ্রাণী উদ্ধার করা হয়। সর্বশেষ গত বছরের জানুয়ারিতে কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে দুটি ভালুকের বাচ্চা উদ্ধার করা হয়। এর আগে ২০১৮ সালে যশোরের শার্শা সীমান্তের কাছে একটি গোয়ালঘর থেকে নয়টি জেব্রা এবং ২০১৭ সালে যশোর থেকে দুটি সিংহ শাবক ও একটি চিতাবাঘ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর অর্থ হলো, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা থেকে অনেক বিদেশি ও বিপন্ন প্রজাতির প্রাণি এদেশে পাচার হচ্ছে কারণ; বন্যপ্রাণী পাচারের ট্রানজিট হটস্পট হিসাবে কাজ করছে বাংলাদেশ। বন কর্মকর্তারা উদ্ধারকৃত এসব প্রাণি গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে পাঠালেও পাচারকারীদের ধরতে বা এসব প্রাণীর চূড়ান্ত গন্তব্য কোথায় ছিল তা বের করতে পারেননি। বন কর্মকর্তা, বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন বিভাগের কর্মকর্তা ও গবেষকরা বলছেন, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকা থেকে আনা ওই সব প্রাণি ভারত সীমান্ত থেকে উদ্ধার করায় ধারণা করা হচ্ছে প্রতিবেশী দেশটিতে পাচারের জন্যই এগুলো বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। ২০২২ সালের নভেম্বরে ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণায় বাংলাদেশের ১৩টি বন্যপ্রাণীর বাজার জরিপ করা হয় এবং বন্যপ্রাণী বিক্রির সঙ্গে জড়িত ৪২১ ব্যবসায়ীকে চিহ্নিত করা হয়। আরেকটি গবেষণা ২০২২ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত ‘লন্ডারড অ্যালাইভ? দ্য ট্রান্সন্যাশনাল ট্রেড ইন ওয়াইল্ড ফেলিডস থ্রু বাংলাদেশ’ এ দেখা যায়, বাংলাদেশ থেকে এশিয়া, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়ার ১৩টি দেশে বাঘজাত বিভিন্ন পণ্য পাচার হয়। বিভিন্ন সময় নিয়মিতভাবেই দুষ্প্রাপ্য ও বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন সব প্রাণী দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ধরা পড়ছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে। যার মানে আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা থেকে প্রায়ই এসব প্রাণী পাচারের উদ্দ্যেশে বাংলাদেশে ঢুকছে, মূলত এখান থেকে ট্রানজিট নিয়ে ভারত ও অন্যান্য দেশে প্রাণীগুলো পাচার করা হয়।

 

 

 

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা হলেও ব্যবস্থা নেই – ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয় রাজধানীজুড়ে যত্রতত্র দাঁড়িয়ে আছে ছোট-বড় কয়েক লাখ ভবন। অধিকাংশ সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, মার্কেট, শপিং মল, বাণিজ্যিক ভবন ঝুঁকিপূর্ণ। রাজউকের মতে, রাজধানীর ৬০ থেকে ৭০ ভাগ ভবন ঝুঁকিপূর্ণ ও অনুমোদনহীন। এসব দেখভালে সরকারি বিভিন্ন সংস্থা থাকলেও তারা কাজ করেন নামকাওয়াস্তে। নগরীতে বড় বড় ভবনে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলো রয়েছে। কিন্তু সেখানে কোন ফায়ার ফাইটিংয়ের ব্যবস্থা নেই। রোগী ও কর্তব্যরত ডাক্তার-নার্সদের বের হওয়ার পথ দুর্বল। সেখানে আগুন লাগলে বেইলি রোডের মতো ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। ওইসব ভবনে লিফট আছে। তবে সিঁড়িগুলো সরু। হাসপাতালে অগ্নিকান্ড ঘটলে বেশিরভাগেরই প্রাণহানির ঘটনা ঘটতে পারে। আবার রাজধানীর কোনো কোনো বহুতল ভবন মার্কেটের প্রবেশপথে কিংবা আন্ডারগ্রাউন্ডে নানা দোকানপাট বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাখা হয়েছে গ্যাস সিলিন্ডারসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র ও ময়লা-আবর্জনা। যেখানে গাড়ি রাখা হবে, সেখানেও দোকানপাট দিয়ে রেখেছে। এমন চিত্র রাজধানীর অধিকাংশ মার্কেটে। নামা ও ওঠার সিঁড়ির জায়গা কম। অগ্নিকান্ড ঘটলে পদদলিত হয়ে মারা যাবে মানুষ।

 

২০২৩ সালের মার্চ মাসে সিদ্দিকবাজারে ভূগর্ভস্থ মার্কেটে আগুন লেগে ২৪ জন মারা যান। এরআগে নিমতলীতে ২০১০ সালে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ১২৪ জনের মৃত্যু হয়। তারপরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে না। নোটিশ দিয়ে দায় সারছে কর্তৃপক্ষ। কোন কিছু ঘটলে সবাই দোষ দেয় রাজউকের। রাজউক ছাড়াও অনেক কর্তৃপক্ষ আছে। যারা গ্যাস ও বিদ্যুতের সংযোগ দেয়। তাদেরও দেখার দায়িত্ব নকশা অনুযায়ী হয়েছে কিনা। অর্থাৎ দায়িত্ব অনেকের। যারা বিল্ডিং নির্মাণ করবেন তাদের দায়িত্ব আছে। সরকারি বেসরকারি ভবনের কর্ণধার তাদের নিজেদের স্বার্থেই নিরাপত্তার বিষয়টি দেখা উচিত। তবে কেউ তার নিজের দায়িত্ব দেখে না। রাজউক দায়িত্বের বিষয়টি স্বীকার করে বলেছে, নকশা অনুমোদন অনুযায়ী ভবন করেন না অনেকে। তারা জায়গা নিজেদের মতো বাড়িয়ে নেন। তারা নিজেরাই সচেতন না। অথচ অন্যকে বলে সচেতন হতে। নিজে চুরি করে অন্যকে বলে চোর। নিজের দোষটা কেউ চোখে দেখে না। যারা ভবনে বসবাস করবে, রক্ষণাবেক্ষণ করবে, সেই মালিক কর্তৃপক্ষের দেখা উচিত।  ভবনে অবস্থানরত ব্যবসায়ীদেরও দেখা উচিত। কিন্তু তারা সেই দায়িত্ব পালন না করে কোথায় থেকে একটা দোকান বেশি বানানো যায়, সেটাতেই মনোযোগ দেন। অধিকাংশ ভবনের দোকান মালিক সমিতি কিংবা শপিং মল মালিক সমিতি এর সাথে জড়িত।

 

 

 

ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনের প্রধান শিরোনাম – Why are buildings not closed after fire safety warnings?

এখানে বলা হয়, আগুন লাগার পর বেইলি রোডের এই ভবনের তদন্তের বেরিয়ে আসছে, ফায়ার সার্ভিস থেকে নোটিশ পাবার পরও কোন অগ্নি নিরাপত্তা পরিকল্পনা ছাড়াই রাজউকের অনুমতি নিয়ে এখানে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল রেস্টুরেন্টগুলো। গত সেপ্টেম্বরে নোটিশ পেলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। এর আগে বঙ্গবাজার মার্কেটের নিরাপত্তা নিয়েও নোটিশ দিয়ে ব্যানার টাঙালেও কোন লাভ হয়নি।

 

 

 

মানুষ মরলো নাকি বাঁচল, কারও ভ্রুক্ষেপ নেই – বিআইপির পর্যবেক্ষণ নিয়ে প্রথম আলোর শিরোনাম।

বলা হয় মানুষ মরল নাকি বাঁচল, তা নিয়ে কারও কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই বলে মনে করে নগর-পরিকল্পনাবিদদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)। তাদের পর্যবেক্ষণ হচ্ছে, রাজধানীর বেইলি রোডের ভবনটিতে যে ধরনের অগ্নিদুর্ঘটনা ঘটেছে, তা আসলে গাফিলতিজনিত হত্যাকাণ্ড। অগ্নিকাণ্ডে মানুষের মৃত্যুর অন্যতম কারণ ভবনমালিকদের অতি মুনাফার লোভ। একই সঙ্গে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের গাফিলতি, উদাসীনতা, দায়িত্বহীন এবং অন্যায় আচরণও এ ধরনের ‘হত্যাকাণ্ডের’ জন্য দায়ী। নিজেদের পর্যবেক্ষণ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তুলে ধরেছে বিআইপি। গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর বাংলামোটরে বিআইপি কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয়, যার শিরোনাম ছিল ‘বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ড এবং ভবনে জীবনের নিরাপত্তা: বিআইপির পর্যবেক্ষণ ও প্রস্তাবনা’। বিআইপি বলেছে, নগর-পরিকল্পনা, ভবনের নকশা, নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনা, ভবনের ব্যবহার, ভবনের অগ্নি প্রতিরক্ষা, ফায়ার ড্রিল, ভবনমালিকের সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণ এবং নগর সংস্থাগুলোর নিয়মিত তদারকি থাকলে বেইলি রোডের অগ্নিদুর্ঘটনা এড়ানো যেত।

 

Import dipped $21b in 2023. With what impact? দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের শিরোনামে বলা হচ্ছে ডলার সঙ্কট রোধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানান নীতিমালার কারণে গত বছর আমদানির পরিমাণ কমে যায় প্রায় ২১ বিলিয়ন ডলার, ফলে বিনিয়োগও কমে গিয়েছে যার প্রভাব পড়েছে দেশের অর্থনীতিতেও। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে গত বছরের শেষ নাগাদ হিসেবে দেখা যায় আগের বছরের তুলনায় ২৪.৩২% আমদানি কমে গিয়েছে। যার মধ্যে প্রধান আমদানি পণ্য হল শিল্প কারখানার কাঁচামাল।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলা চলবে – বণিক বার্তার শিরোনাম।

বলা হচ্ছে রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকের (আরসিবিসি) বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়ের করা মামলা চলবে বলে জানিয়েছেন নিউইয়র্ক আদালত। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত এখতিয়ার না থাকায় আরও চার আসামিকে মামলা থেকে খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সুপ্রিম কোর্ট এ রায় দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024