শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন

সিরাজগঞ্জের তিন শতাধিক নারীর হস্তশিল্প পণ্য যাচ্ছে বিদেশে, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে সম্মত ইরান-পাকিস্তান

  • Update Time : বুধবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৪, ৮.২৩ পিএম

সারাক্ষণ ডেস্ক

 

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমসের শিরোনাম ‘‘ভারতকে ধ্বংস করতেএক বছর এক প্রধানমন্ত্রীর ফর্মুলা : নরেন্দ্র মোদী’’

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বুধবার (২৪ এপ্রিল) বলেছেন যে, ইন্ডিয়া ব্লক এক বছরের প্রধানমন্ত্রীর ফর্মুলা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে। কারণ তারা এক প্রধানমন্ত্রীর মুখ নিয়ে কোনো ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। মধ্যপ্রদেশের বেতুলে এক জনসভায় মোদী এসব কথা বলেন।

মোদী জনসভায় বলেন, আপনার সামনে মোদী আছেন, যার ১০ বছরের ট্র্যাক রিপোর্ট রয়েছে। বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রীর মুখ খুঁজছিল, কিন্তু খুঁজে পায়নি। এখন কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, তারা এক বছরের এক প্রধানমন্ত্রীর ফর্মুলা নিয়ে আলোচনা করছেন, যার অর্থ পাঁচ বছরে পাঁচজন প্রধানমন্ত্রী। দেশের কি হবে? ”

তিনি আরো বলেন,”তার মানে তারা এখন প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার নিলামে তুলছে। চেয়ারে একজন লোক বসবে। এবং আরও চারজন তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করবেন। এটি একটি অত্যন্ত ভীতিকর প্রস্তাব যা দেশকে ধ্বংস করে দেবে। এটা আপনাদের সব স্বপ্ন ভেঙে দেবে “।

ভারতে ২৬শে এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে লড়াই তীব্র হয়ে উঠেছে।

 

 

পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডনের একটি শিরোনাম ‘‘দ্রুত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে সম্মত ইরানপাকিস্তান”

প্রতিবেদনে বলা হয়, তেহরান ও ইসলামাবাদ দ্রুত একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) চূড়ান্ত করতে সম্মত হয়েছে। বুধবার (২৪ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম রাইসি পাকিস্তানে তাঁর তিন দিনের সরকারী সফর শেষ করার পরে একটি যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

ইরান ও পাকিস্তানের জারি করা এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “উভয় পক্ষই দ্রুত এফটিএ চূড়ান্ত করতে এবং বার্ষিক দ্বিপাক্ষিক রাজনৈতিক পরামর্শ (বিপিসি) এবং যৌথ ব্যবসায়িক বাণিজ্য কমিটির (জেবিটিসি) পরবর্তী অধিবেশন এবং অদূর ভবিষ্যতে যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের (জেইসি) আলোচনার ২২ তম দফার আয়োজন করতে সম্মত হয়েছে।

গত মাসে ইরানের রাষ্ট্রদূত ড. রেজা আমিরি মোঘাদাম বলেছিলেন যে এফটিএ পারস্পরিক বাণিজ্য বৃদ্ধি করবে, শক্তিশালী বিমান, সামুদ্রিক এবং সমুদ্র সংযোগের প্রয়োজনীয়তার উপর আলোকপাত করে।

যৌথ বিবৃতিতে রাইসির পাকিস্তান সফরের সময় বিনিময় ও বৈঠকের কথা স্মরণ করে বলা হয়েছে যে উভয় পক্ষই “পাকিস্তান-ইরান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পুরো বর্ণালী পর্যালোচনা করেছে”।

উভয় প্রতিবেশী নিয়মিত উচ্চ পর্যায়ের সফরের মাধ্যমে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়েও সম্মত হয়েছেন।

 

 

 

আরব নিউজের শিরোনাম ‘‘টেকসই ডিজিটাল পদ্ধতি প্রচারে টাটা কিং খালিদ ফাউন্ডেশনের মধ্যে চুক্তি’’

খবরে বলা হয়, সৌদি আরবের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে টেকসই ডিজিটাল অনুশীলন প্রচারের জন্য কিং খালিদ ফাউন্ডেশন এবং টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের সাথে একটি সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

ফাউন্ডেশনের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগের নাম “সাসটেনাথন” এবং এর লক্ষ্য হল শিক্ষার্থীদের এমন প্রকল্পগুলি ডিজাইন করতে সহায়তা করা যা এই ক্ষেত্রে সহায়তা করবে।

তিন মাস ধরে কিং খালিদ ফাউন্ডেশন এবং টিসিএস প্রতিযোগীদের তাদের প্রস্তাবগুলি নিয়ে সহায়তা করার জন্য অনলাইন সেমিনার পরিচালনা করবে।

সময়সীমা শেষে, শিক্ষার্থীদের বিচারকদের একটি প্যানেলের কাছে তাদের ধারণাগুলো উপস্থাপন করতে হবে।

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহের পাশাপাশি ব্যবহারিক প্রয়োগের উপর ভিত্তি করে পুরস্কার প্রদান করা হবে।

 

 

 

 

প্রথম আলোর একটি শিরোনাম ‘‘রোদে আগুনের উত্তাপ শ্রমজীবী মানুষের জীবন দুর্বিষহ, কমেছে আয়’’

 

প্রতিবেদনে বলা হয়,  প্রখর রোদ থেকে বাঁচতে গামছা দিয়ে মাথা ঢেকে রিকশা চালাচ্ছেন চালক। শুধু মুখমণ্ডলই নয়, সারা শরীরই তাঁর ঘামে জবজবে। বৃষ্টিতে ভিজলে যেমন হয়, আবদুস সাত্তারকে তেমনই দেখাচ্ছিল। মঙ্গলবার এলিফ্যান্ট রোডের দোকানপাট বন্ধ। সে কারণে এই সড়কে যানবাহনের ভিড়বাট্টা একটু কম। আবদুস সাত্তার পুরানা পল্টন থেকে যাত্রী নিয়ে কাঁটাবন মোড়ে নামিয়ে দিয়ে এলিফ্যান্ট রোড পর্যন্ত এসে থেমে গেছেন। তিনি বললেন, ‘আর পারতাছি না। কলিজায় টান লাগতাছে। একটু না জিরাইলে অইব না।’ তাঁর বয়স ৬৮ বছর। বেলা তখন পৌনে একটা। তিনি থাকেন শাহজাহানপুরে। বলছিলেন, ‘এই রোইদ্যে মানুষ হইয়া মানুষ টানি, খুবই কষ্টের কাজ। না কইরাও উপায় নাই।’

 

আগে হাজার-বারো শ টাকা তাঁদের আয় হতো। এখন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা ভাড়া তোলাই কঠিন হয়ে পড়েছে।

 

রায়েরবাজারের সাদেক খান পাইকারি কাঁচাবাজার থেকে শাকসবজি কিনে মহল্লায় মহল্লায় ঘুরে বিক্রি করা তাঁর পেশা। তিনি জানান, বিভিন্ন ধরনের ১৫০ থেকে ২০০ আঁটি শাক প্রতিদিন বিক্রি করতেন। এখন ৭০ থেকে ৮০ আঁটি বিক্রি হচ্ছে। কারণ, রোদে শাক নেতিয়ে যায়। ক্রেতারা কিনতে চান না। তা ছাড়া সারা দিন পথে পথে ঘোরাও সম্ভব হচ্ছে না।

 

 

 

ইত্তেফাকের শিরোনাম ‘‘সিরাজগঞ্জের তিন শতাধিক নারীর হস্তশিল্প পণ্য যাচ্ছে বিদেশে’’

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, কিছু দিন আগে তারা ছিলেন শুধুই গৃহিণী। গৃহস্থালির কাজের বাইরে কিছুই করতেন না। সেই নারীরা এখন ঘর-সংসার সামলে বাড়িতে বসে হস্তশিল্পের কাজ করে প্রতি মাসে ভালো টাকা আয় করছেন। প্রত্যন্ত পল্লির প্রায় ৩ শতাধিক গ্রামীণ নারীর এমন জয়যাত্রা সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলায়। এসব নারীর হাতের তৈরি পণ্য যাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। চলনবিল উন্নয়ন কেন্দ্র নামে একটি সংগঠনের প্রশিক্ষণ আর সহায়তায় তাদের এই ঘুড়ে দাঁড়ানো।

 

প্রশিক্ষিত নারীদের ৩২ টি গ্রুপে ভাগ করে তাদের দিয়ে তৈরি করানো হচ্ছে কেট বক্স, ডক বক্স, বড় পাতিল, বালতি, হাফ সিলিন্ডার, কড়াই, ফাইল বক্স, চাকা, কিচেন ডালাসহ হরেক নকশার হস্তশিল্প পণ্য। এসব তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে হোগলা পাতা, শন, তালপাতা, পুরোনো শাড়ি কাপড়। পণ্য উত্পাদন হয়ে গেলে সংস্থা থেকে প্রতিটি পণ্যের নগদ পারিশ্রমিক দিয়ে নিয়ে যান। বছর জুড়ে এভাবে নারীরা হস্তশিল্প তৈরি করছেন।

 

চলনবিল উন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক এস এম আব্দুল আজিজ বলেন, ‘কারিতাশ বাংলাদেশ এবং বেজ ইন্টারন্যাশনাল আমাদের কাছে নকশা ধরে কাজের অর্ডার দেন। এরপর আমরা পণ্য তৈরির জন্য নারীদের কেন্দ্রে কাঁচামাল দিয়ে আসি। তারা সপ্তাহ জুড়ে সেগুলো তৈরি করেন। আমরা তাদের নগদ পারিশ্রমিক দিয়ে তা সংগ্রহ করি। এরপর খুলনায় কারিতাস এবং বেজ ইন্টারন্যাশনালের কাছে দিই। তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এসব পণ্য রপ্তানি করেন।’

 

 

 

বণিক বার্তার শিরোনাম ‘‘বিমানবন্দর-গাজীপুর বিআরটি করিডোরের জন্য কেনা হচ্ছে ১৩৭টি এসি বাস’’

 

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকার বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের মধ্যে গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের প্রথম বাস র্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি করিডোর। বিশেষায়িত এ গণপরিবহনসেবা দিতে কেনা হচ্ছে ১৩৭টি ডিজেলচালিত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস। এজন্য ১৮ এপ্রিল নতুন করে দরপত্র আহ্বান করেছে ঢাকায় বিআরটি নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সংস্থা ঢাকা বাস র্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড। কোম্পানির কর্মকর্তারা আশা করছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বিআরটি সেবার কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। এর আগেও একবার বাস কেনার জন্য দরপত্র আহ্বান করেছিল বিআরটি কোম্পানি, যা পরে বাতিল হয়ে যায়।

‘গ্রেটার ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট’ প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকার প্রথম বাসভিত্তিক এ বিশেষায়িত সেবার জন্য ১৩৭টি বাস কেনা হচ্ছে। বাসগুলো কেনায় অর্থায়ন করছে ফ্রেঞ্চ ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (এএফডি)। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় অধীন ঢাকা বাস র্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘বাস সংগ্রহ প্রক্রিয়া শেষ হলেই ঢাকা-গাজীপুরের মধ্যে বিআরটি সেবা চালু করে দেয়া হবে। আমরা আশা করছি, আগামী ডিসেম্বর নাগাদ কার্যক্রম শুরু করতে পারব। প্রথম দিকে হয়তো সীমিত পরিসরে বাস চলাচল করবে। পর্যায়ক্রমে বাসের সংখ্যা বাড়ানো হবে।’

 

 

 

মানবজমিনের শিরোনাম ‘‘দাবদাহে নাভিশ্বাস’’

 

খবরে বলা হয়, কমছে না গরমের তেজ। তীব্র তাপপ্রবাহে হাঁসফাঁস অবস্থা মানুষের। বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুরা কষ্ট পাচ্ছে বেশি। খেটে খাওয়া মানুষেরও কষ্টের শেষ নেই। প্রতিদিনই হিটস্ট্রোকে মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরও তেমন কোনো সুবার্তা দিতে পারেনি। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বিরাজ করতে পারে। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে। এখানে তাপমাত্রা ছিল ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

তীব্র গরমে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে চার দফা নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেগুলো হলো- তীব্র গরম থেকে দূরে থাকুন, মাঝে মাঝে ছায়ায় বিশ্রাম নিন; প্রচুর পরিমাণে নিরাপদ পানি পান করুন। হেপাটাইটিস এ.ই. ডায়রিয়াসহ প্রাণঘাতী পানিবাহী রোগ থেকে বাঁচতে রাস্তায় তৈরি পানীয় ও খাবার এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজনে একাধিকবার গোসল করুন; গরম আবহাওয়ায় ঢিলেঢালা পাতলা ও হালকা রঙের পোশাক পরুন, সম্ভব হলে গাঢ় রঙিন পোশাক এড়িয়ে চলুন; গরম আবহাওয়ায় যদি ঘাম বন্ধ হয়ে যায়, বমি বমি ভাব দেখা দেয়, তীব্র মাথাব্যথা হয়, শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়, প্রস্রাব কমে যায়, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হয়, খিঁচুনি এবং অজ্ঞান হওয়ার মতো কোনো লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে অবিলম্বে হাসপাতালে যান এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024