রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ০২:১১ পূর্বাহ্ন

দেশের নিবন্ধিত মিনিবাসের ৭০ শতাংশ মেয়াদোত্তীর্ণ, যুদ্ধোত্তর গাজার বিষয়ে আলোচনা করতে সৌদি আরবে ব্লিংকেন

  • Update Time : সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৪, ৮.১৭ পিএম

সারাক্ষণ ডেস্ক

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমসের শিরোনাম ‘‘আর্টিকেল ৩৭০ ধারা ফিরিয়ে আনার জন্য কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জ মোদীর”

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কংগ্রেস বা অন্য কোনও বিরোধী দলকে জম্মু ও কাশ্মীরে আর্টিকেল ৩৭০ ধারা ফিরিয়ে আনার চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন।

বিরোধী নেতাদের ৩৭০ ধারা ফিরিয়ে আনার ঘোষণার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মোদী বলেন, ৩৭০ ধারা ফিরিয়ে আনা বিরোধীদের এক্তিয়ারে নেই। মোদী আরও বলেন, তিনি জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী হলেও তা করতে পারবেন না।

মোদী বলেন, কংগ্রেস সংবিধান এবং বাবাসাহেব আম্বেদকর সম্পর্কে’ বড়” কথা বলে।

তিনি কংগ্রেসকে একটি সংবাদ সম্মেলন করার এবং ৩৭০ ধারা পুনরুদ্ধার করবে বলে ঘোষণা করার চ্যালেঞ্জ জানান।

 

 

 

পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডনের একটি শিরোনাম ‘‘বিনিয়োগ বাণিজ্যে পাকিস্তান অগ্রাধিকার পাবে: সৌদির বাণিজ্যমন্ত্রী’’

খবরে বলা হয়, সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে এক বৈঠকে সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী মজিদ আল কাসাবি সোমবার বলেছেন, যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে পাকিস্তান সৌদি আরবের “অগ্রাধিকার”।

রিয়াদে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বিশেষ বৈঠকের ফাঁকে এই বৈঠক হয়।

সৌদি মন্ত্রী বলেন, আগামী ১২-১৮ মাসের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হচ্ছে।

আল কাসাবি আরও বলেন, সৌদি ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের একটি প্রতিনিধিদল শীঘ্রই পাকিস্তান সফর করবে।

সৌদি আরবের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে পাকিস্তানিদের ভূমিকার কথা স্বীকার করে মন্ত্রী উভয় দেশের যুবকদের মধ্যে সৌদি-পাক বন্ধুত্বের অনুভূতি জাগিয়ে তোলার ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ বলেন, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। উভয় দেশের গৃহীত পদক্ষেপের কারণে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্পেশাল ইনভেস্টমেন্ট ফেসিলিটেশন কাউন্সিল সক্রিয়ভাবে বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করছে এবং বিনিয়োগকারীদের সুবিধা দিচ্ছে।

 

 

 

আরব নিউজের শিরোনাম ‘‘যুদ্ধোত্তর গাজার বিষয়ে আলোচনা করতে সৌদি আরবে ব্লিংকেন’’

প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন সোমবার (২৯ এপ্রিল) সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। ইসরায়েলের সাথে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরে গাজার শাসন সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে মধ্যপ্রাচ্যে সফরের প্রথম পদক্ষেপ।

রিয়াদে মার্কিন-উপসাগরীয় সহযোগিতা কাউন্সিলের বৈঠকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্লিংকেন বলেন, গাজায় মানবিক সংকট নিরসনের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল যুদ্ধবিরতি । তিনি আরও বলেন, গাজা যুদ্ধের বিস্তার রোধে ওয়াশিংটন প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত কয়েক সপ্তাহ ধরে গাজার মানবিক পরিস্থিতিতে “পরিমাপযোগ্য অগ্রগতি” দেখেছে। তবে ইসরায়েলকে আরও অনেক কিছু করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ব্লিংকেন জিসিসি মন্ত্রীদের আরও বলেছিলেন যে, ইসরায়েলের সাথে ইরানের দ্বন্দ্ব বৃহত্তর প্রতিরক্ষা সংহতির প্রয়োজনীয়তা দেখায়। তিনি বলেন, “এই আক্রমণ ইরানের তীব্র এবং ক্রমবর্ধমান হুমকির পাশাপাশি সমন্বিত প্রতিরক্ষায় আমাদের একসাথে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছে।”

সৌদি প্রেস এজেন্সি জানিয়েছে, শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিক ব্লিংকেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহানের সাথে পৃথকভাবে বৈঠক করেছেন। যেখানে তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও যৌথ সহযোগিতা জোরদার করার উপায় পর্যালোচনা করেছেন।

 

 

 

প্রথম আলোর শিরোনাম ‘‘ঢাকাসহ ৫ জেলার মাধ্যমিক স্কুল–কলেজ সোমবার বন্ধ ঘোষণা’’

 

খবরে বলা হয়, দেশে চলমান তাপপ্রবাহের কারণে ঢাকাসহ দেশের পাঁচটি জেলার সব মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামীকাল সোমবার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ঢাকা ছাড়া বাকি জেলাগুলো হলো চুয়াডাঙ্গা, যশোর, খুলনা ও রাজশাহী।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে পরামর্শ করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এসব এলাকার যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শীততাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আছে, সেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ চাইলে খোলা রাখতে পারবে।

তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে এক সপ্তাহ এবং ঈদ ও রোজার দীর্ঘ ছুটি শেষে আজ প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে। এক দিন ক্লাসের পরই কয়েকটি জেলায় নতুন করে ছুটির ঘোষণা হলো।

 

 

মানবজমিনের শিরোনাম ‘‘কোন পথে অর্থনীতি’’

প্রতিবেদনে বলা হয়, মূল্যস্ফীতির হার পৌঁছেছে সর্বোচ্চ পর্যায়ে। নিম্নবিত্ত আর মধ্যবিত্তের সংসারে চাল-তেলের হিসাব মেলাতে প্রচণ্ড চাপ পড়ছে। ডলারের দর হয়ে উঠেছে পাগলা ঘোড়া। তিন বছরের ব্যবধানে মার্কিন ডলারের দাম বেড়েছে ২৪ টাকারও বেশি। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমার পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশের জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৭ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ। এদিকে বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপ বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের ৯ মাসেই ঋণের সুদ বাবদ খরচ ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি।

প্রবাসী আয় কখনো বাড়ছে, কখনো কমছে। ডলার আসার অন্যতম প্রধান দুটি উৎস নিয়ে স্বস্তি আসেনি। প্রধান কয়েকটি খাতের রপ্তানি কমেছে। ব্যাংক খাতে অস্থিরতা বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি কোনদিকে যাবে? এমন প্রশ্নে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের অর্থনীতি বহুমুখী চাপের মধ্যে রয়েছে। অর্থনৈতিক সূচকগুলো নেতিবাচক ধারায় রয়েছে। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে।

 

 

বণিক বার্তার একটি শিরোনাম ‘‘দেশের নিবন্ধিত মিনিবাসের ৭০ শতাংশ মেয়াদোত্তীর্ণ’’

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতে বহুল ব্যবহৃত যানবাহনের মধ্যে মিনিবাস একটি। সর্বোচ্চ ৩১ আসনের এ যান শহরাঞ্চল ও স্বল্প দূরত্বের গন্তব্যে বেশি জনপ্রিয়। বাংলাদেশে নিবন্ধিত মিনিবাস রয়েছে ২৮ হাজার ৩২২টি। কিন্তু এর মধ্যে ১৯ হাজার ৬৪৬টির বয়স ২০ বছর বা তার চেয়ে বেশি, যা মোট নিবন্ধিত মিনিবাসের ৭০ দশমিক ৪২ শতাংশ। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মানদণ্ড অনুযায়ী, এসব মিনিবাস মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে। এগুলোর ‘ইকোনমিক লাইফ’ বা অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল শেষ।

মেয়াদোত্তীর্ণ মিনিবাসের একটা বড় অংশ চলাচল করে ঢাকা মহানগরে। ঢাকা মহানগরের জন্য এখন পর্যন্ত ১০ হাজার ১৫৮টি মিনিবাসের নিবন্ধন দিয়েছে বিআরটিএ। এর মধ্যে ইকোনমিক লাইফ অতিক্রম করেছে ৬ হাজার ৪৭৮টি। পুরনো হয়ে যাওয়া এসব লক্কড়ঝক্কড় বাসে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে রাজধানীবাসী।
শুধু মিনিবাস নয়, বাস (৩২ বা তার চেয়ে বেশি আসন), ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও ট্যাংকারের মতো বাণিজ্যিক পরিবহনেরও ইকোনমিক লাইফ নির্ধারণ করে দিয়েছে বিআরটিএ। বাস-মিনিবাসের ইকোনমিক লাইফ ২০ বছর। ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও ট্যাংকারের ২৫ বছর।
পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফিটনেস না থাকা পরিবহনের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। সড়কে বিকল হয়ে তৈরি করে যানজট-বিশৃঙ্খলা। এসব যানবাহনের কারণে পরিবেশ দূষণও বেশি ঘটে।

 

ইত্তেফাকের শিরোনাম ‘‘সব পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করার সুপারিশ আইএমএফের’’

খবরে বলা হয়, রেয়াতি হার বাতিল করে সব পর্যায়ে ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট আরোপের সুপারিশ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। যেসব প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক টার্নওভার ৩ কোটি টাকার বেশি তাদের রেয়াতি হার বাতিল করে ১৫ শতাংশ করার সুপারিশ করেছে সংস্থাটি। রাজস্ব আয় বাড়াতে আগামী বাজেটে এটি বাস্তবায়ন করতে বলেছে সংস্থাটি।

আইএমএফের প্রতিশ্রুত তৃতীয় কিস্তি অর্থছাড় পাওয়ার জন্য আগে দেওয়া শর্তগুলো সরকার কতটুকু বাস্তবায়ন করেছে তা মূল্যায়ন করতে সংস্থাটির প্রতিনিধিরা বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। ধারাবাহিক বৈঠকের অংশ হিসেবে গতকাল রবিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রতিনিধিদল। এনবিআর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আইএমএফের হিসাবে রাজস্ব প্রশাসন সংস্কারে জিডিপির হিসাবে অন্তত দশমিক ১৫ শতাংশ রাজস্ব আদায় বাড়ানো সম্ভব। তাছাড়া পোশাক খাত, পাদুকা শিল্প, এলপিজি, মোবাইল ফোন এবং আরো কিছু খাতে করছাড় দেওয়া না হলে দশমিক ৩১ শতাংশ রাজস্ব বাড়ানো সম্ভব।

আইএমএফের ঋণ পাওয়ার শর্ত অনুযায়ী, আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে রাজস্ব খাত বিষয়ে দেওয়া শর্ত পূরণের প্রতিফলন থাকতে হবে। এজন্য করছাড় কমানোর উদ্যোগ নিতে হবে। ২০২৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগে তিন ধাপে বিদ্যমান সব ধরনের করছাড় বাতিল করতে হবে। রাজস্ব খাতে সংস্কারের অন্যতম হলো আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) এবং শুল্ক খাতে বছরের পর বছর যেসব করছাড় দেওয়া হয়েছে, সেগুলো কমাতে হবে।

এনবিআরের সূত্রগুলো বলছে, বছরের পর বছর বিভিন্ন খাতে যেসব করছাড় দেওয়া হয়েছে, তা ধীরে ধীরে কমিয়ে ফেলার শর্ত দিয়েছে আইএমএফ। আইএমএফের শর্ত পূরণ করতে এনবিআর একটি কমিটি গঠন করেছে। সেই কমিটি বাজেটের আগে করছাড় নিয়ে একটি পর্যালোচনা প্রতিবেদন দেবে। সেই অনুসারে আগামী ২০২৪ -২৫ অর্থবছরের বাজেটে অন্তত ভ্যাট ও আয়করের কয়েকটি খাতের কর অব্যাহতি তুলে দেওয়া হবে বলে এনবিআরের কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024