রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন

শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্ক রেখে উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

  • Update Time : বুধবার, ১ মে, ২০২৪, ৩.৩৩ পিএম

সারাক্ষণ ডেস্ক

প্রথম আলোর একটি শিরোনাম “আগামীকাল থেকে তাপমাত্রা কমতে পারে: আবহাওয়া অফিস”

 

দেশে চলমান তাপপ্রবাহ আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে সামান্য কমতে পারে। আজ বুধবার আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। আগামী ৫ মে সারা দেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। আর এতে তাপমাত্রা আরও খানিকটা কমে যেতে পারে।

দেশে গত ১ এপ্রিল থেকে টানা তাপপ্রবাহ চলছে। এর মধ্যে গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যশোরে, ৪৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটা ৩৫ বছরের রেকর্ড। এর আগে ১৯৮৯ সালে বগুড়ায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তবে এই তাপমাত্রা আগামীকাল থেকে কমতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. উমর ফারুক। তিনি আজ প্রথম আলোকে বলেন, দেশের কিছু এলাকায় আজ বৃষ্টি হচ্ছে। আগামীকাল থেকে তাপমাত্রা একটু করে কমতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর গতকাল জানিয়েছিল, আগামী ৪ থেকে ৫ মে দেশজুড়ে বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ উমর ফারুক বলেন, আগামী ৫ মে দেশজুড়ে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। তাতে তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসবে।

গতকাল দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টি রেকর্ড করা হয় সিলেটে, ৫৩ মিলিমিটার।

তবে শুধু একটি দুটি এলাকায় বৃষ্টি হলে টানা যে তাপপ্রবাহ চলছে তা কমবে না বলেই মনে করেন আবহাওয়াবিদেরা। এর জন্য দেশজুড়ে বৃষ্টির দরকার।

সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মৃদু তাপপ্রবাহ, ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মাঝারি তাপপ্রবাহ, ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি হলে তাকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বলে থাকে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

দেশে সবচেয়ে বেশি বজ্রঝড় হয় মে মাসে। এরপর আছে জুন, সেপ্টেম্বর ও এপ্রিল মাস। কিন্তু এবার এই ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মাত্র একটি বজ্রঝড় বা কালবৈশাখী হয়েছে। তা-ও হয়েছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে। সেটাও অস্বাভাবিক। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১৯৮১ সাল থেকে চলতি ২০২৪ সাল পর্যন্ত বজ্রঝড়ের সংখ্যা বিশ্লেষণ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে। আবহাওয়া ও জলবায়ুবিশেষজ্ঞরা প্রকৃতির এ আচরণকে অস্বাভাবিক বলছেন।

 

মানবজমিন এর একটি শিরোনাম “নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে জারি হচ্ছে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, থমথমে গোটা ইসরাইল”

ইসরাইলি মিডিয়া আউটলেটের মতে, তেলআবিবের সরকার নেদারল্যান্ডসের হেগের দিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখছে – কারণ সেখানেই রয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসি । সাম্প্রতিক দিনগুলিতে  সরকারের অস্বস্তি বেড়েছে। কারণ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত  সপ্তাহ শেষের আগে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট এবং ইসরাইল প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) জেনারেল স্টাফের প্রধান হারজি হালেভির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি  পরোয়ানা জারি করতে পারে। নেতানিয়াহু ২৬ এপ্রিল  সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ সম্ভাব্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন। তাতে লিখেছেন, “আমার নেতৃত্বে, ইসরাইল কখনই আইসিসির আত্মরক্ষার  অধিকারকে ক্ষুণ্ন করার কোনও প্রচেষ্টা মেনে নেবে না।”

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আইসিসি কী ধরনের ফৌজদারি মামলা আনতে পারে?

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত শুধু ব্যক্তিদের তদন্ত করে এবং তখনই সক্রিয় হয় যখন একজন ব্যক্তিকে চারটি মূল অপরাধের একটির জন্য দায়ী বলে সন্দেহ করা হয়: গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, বা আগ্রাসনের যুদ্ধ শুরু করা। আইসিসি প্রকৃতপক্ষে ২০২১ সাল থেকে ইসরাইলের সংঘটিত সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধগুলি খতিয়ে দেখছে৷ একই সময়ে, আদালত হামাস যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে আরোপিত অনুরূপ অভিযোগগুলিও তদন্ত করছে ৷   বর্তমানে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের সংঘটিত সহিংসতার বিষয়েও  তদন্ত চলছে। ইসরাইল ও হামাসের মধ্যকার যুদ্ধের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী সেই প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করা হচ্ছে। এই সাম্প্রতিকতম সংঘাত শুরু হয় যখন  হামাস যোদ্ধারা ৭ অক্টোবর, ২০২৩-এ দক্ষিণ ইসরাইলে আক্রমণে  প্রায় ১২০০ জন নিহত হন। ২৪০ জনকে গাজায় ফিরিয়ে নিয়ে যায় তারা। হামাসকে অনেক পশ্চিমা দেশ দ্বারা একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে বিবেচনা করা হয়, যার মধ্যে অনেক ইইউ সদস্য রাষ্ট্র এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও রয়েছে।

হামাস-নিয়ন্ত্রিত গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, হামলায় ইসরাইলের আক্রমণে ৩৪,০০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যদিও এই সংখ্যাগুলি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায় না।

আইসিসি কখন ইসরাইলি নাগরিকদের উপর এখতিয়ার পায়?

নিয়ম অনুসারে , আইসিসি কেবলমাত্র তখনই ব্যবস্থা নিতে পারে যখন রাষ্ট্রগুলি জাতীয় স্তরে উপরে উল্লিখিত অপরাধের জন্য অভিযোগগুলি অনুসরণ করতে পারে না বা করবে না। বর্তমান প্রেক্ষিতে  এটি আরো অস্বাভাবিক যে ইসরাইলি আদালত তার সরকার প্রধান, তার মন্ত্রী বা সেনা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যক্রম শুরু করবে। একজন অপরাধীকে তার নিজ দেশের  আদালতকে স্বীকার করতে হবে — ইসরায়েল তা করে না। অথবা যে দেশে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে সেই দেশকে  অবশ্যই তা স্বীকার করতে হবে। এই মামলার ক্ষেত্রে ফিলিস্তিনি অঞ্চলগুলি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রোম সংবিধিতে স্বাক্ষরকারী। আইসিসির প্রত্যাখ্যানে ইসরায়েলের দিকে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, ভারত, প্রায় সব আরব রাষ্ট্র  ।  যখন অপরাধের সাথে জড়িত দেশগুলির মধ্যে কোনটিই আইসিসি চুক্তি স্বাক্ষরকারী নয়, তখন তদন্তের জন্য আইসিসিকে চুক্তিবদ্ধ করার কাজটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কাঁধে পড়ে — যেমনটি ছিল  লিবিয়া এবং সুদানের ক্ষেত্রে ।

নেতানিয়াহুর জন্য আইসিসি পরোয়ানার কী পরিণতি হতে পারে?

একটি গ্রেফতারি পরোয়ানার অর্থ কাউকে  দোষী সাব্যস্ত  করা নয়।  প্রথম দৃষ্টান্তে এটি একটি লক্ষণ যে আইসিসি একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগগুলি তদন্ত করার জন্য যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছে ।আইসিসির ওয়েবসাইটের মতে, ” কোনো  ব্যক্তিকে আটকানোর জন্য প্রয়োজন মনে হলে বিচারকরা গ্রেপ্তারি  পরোয়ানা জারি করবেন তাকে ক্রমাগত অপরাধ করা থেকে বিরত রাখতে ।” আইসিসির কাছে যাদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছে তাদের গ্রেফতার করার জন্য কোনো পুলিশ বাহিনী নেই, তাই ইসরায়েলি সরকারের সদস্যদের হেগে বিচারকদের সামনে হাজির হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।তবুও, একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নেতানিয়াহু এবং তার সহযোগীরা যে স্বাধীনতা উপভোগ করে তা ব্যাপকভাবে সীমিত করবে, কারণ আইসিসি চুক্তির ১২৪ জন স্বাক্ষরকারী প্রত্যেকে  ওয়ারেন্ট সহ ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে এবং তাদের আদালতে হস্তান্তর করতে বাধ্য। এ কারণেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনীয় শিশুদের পদ্ধতিগত অপহরণের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আইসিসি তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার পর থেকে বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক বৈঠক এড়াতে বাধ্য হয়েছেন। পুতিন কেবলমাত্র সেই দেশগুলিতে সরাসরি ভ্রমণ করেন যারা আইসিসির বৈধতা স্বীকার করে না।

ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগের সাথে এই ধরনের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কীভাবে যুক্ত হবে?

আইসিসির তদন্তকে ইসরাইল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে মুলতুবি থাকা অনুরূপ আরেকটি মামলার সাথে মিলিয়ে দেয়া  উচিত নয়, যেমন বেশ কয়েকটি দেশ ইসরায়েলের  বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ এনেছে । দক্ষিণ আফ্রিকা গাজায় উচ্চ সংখ্যক হতাহতের উপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের  সামনে একটি মামলা এনেছে ।  এছাড়াও হেগে অবস্থিত আইসিজে  ব্যক্তির  বিরুদ্ধে তদন্ত করে না বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে না, পরিবর্তে রাষ্ট্রগুলির মধ্যে আইনি বিরোধের একচেটিয়াভাবে মোকাবেলা করে।  জানুয়ারির শেষের দিকে, আইসিজে  বলেছিল যে তারা  “গাজা উপত্যকায় গণহত্যার ঝুঁকি” স্বীকার করেছে। তবুও, আইসিজে ইসরায়েলকে অবিলম্বে ছিটমহলে সমস্ত সামরিক অভিযান বন্ধ করার দাবিতে দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা জরুরি প্রস্তাবকে সমর্থন করতে অস্বীকার করে। সেই অবস্থানের ফলে, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলাটি কয়েক মাস বা এমনকি বছর ধরে চলতে  পারে।

সূত্র : dw.com

দৈনিক ইত্তেফাক এর একটি শিরোনাম “শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্ক রেখে উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর”

শ্রমিক-মালিক সবাইকে সুসম্পর্ক রক্ষা করে উৎপাদন বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশটা আমাদের। এখানে উভয়ে এক হয়ে কাজ করতে হবে। কোনো সমস্যা হলে আমরা দেখবো। এজন্য কারো দুয়ারে যাওয়ার দরকার নেই। আমাদের মাটি ও মানুষের চরিত্র, বৈশিষ্ট্য আমরা জানি। সমস্যার সমাধানও আমরা করতে পারবো।’

বুধবার (১ মে) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মহান মে দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় এই আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশ আমরা এগিয়ে নিয়ে যাবো। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়বো। এজন্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদী থাকবে না। নিজেদের প্রয়োজন নিজেরা মেটাবো। কারো কাছে হাত পাতবো না। জাতির পিতা বলেছেন, ভিক্ষুক জাতির মর্যাদা থাকে না। আমাদের জনবল আছে, শ্রম দিতে পারবো, বাকি সম্পদকে কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বাড়াবো।’

শ্রমিকদের জন্য নেওয়া তার সরকারের নানা পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শিল্প কলকারখানা যাতে বন্ধ না হয়, সে ব্যবস্থা নিয়েছি। এমনকি করোনায় আমরা প্রণোদনা দেওয়াসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট সংকটেও শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের পাশে ছিলাম। গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি ৮২০০-১২৫০০ করে দিয়েছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের কিছু লোক আছে, কথায় কথায় শ্রমিকদের নিয়ে রাস্তায় নেমে যায়। যে কারখানা আপনার রুটি-রুজির যায়গা, এতে আপনার পরিবারও চলে। সে কারখানা বন্ধ হলে আপনি, আপনার পরিবার ও মালিকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু লাভবান কে? এগুলো আমাদের মাথায় রাখতে হবে। আমরা চাই, মালিক-শ্রমিক উভয়পক্ষ লাভবান হোক।’

তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর অনেক দেশে নারী-পুরুষ সমান মজুরি পায় না। আমরা সেটা সমান করে দিয়েছি। নারী শ্রমিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েছি। তাদের থাকার জন্য ডরমিটরি করে দিয়েছি।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, খেটে খাওয়া মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনই আওয়ামী লীগের লক্ষ্য। সরকার চায় দক্ষ জনশক্তি গড়ে উঠুক। আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে শ্রমিকদের মজুরি বাড়িয়েছে। শ্রমিকদের কল্যাণ দেখা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব।

বিএনপির সমালোচনা করে সরকারপ্রধান বলেন, আন্দোলনের নামে বাস ট্রাকে আগুন দিয়ে শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে বিএনপি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রম ও কর্মসস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

 

The Daily Star বাংলা এর একটি শিরোনাম “কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়: বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ, গ্রেপ্তার অনেকে”

 

যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনবিরোধী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে অভিযান চালিয়েছে নিউ ইয়র্ক পুলিশ। এসময় অনেককে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে বিবিসি সিএনএন।

গতকাল মঙ্গলবার শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন হ্যামিল্টন হলের নিয়ন্ত্রণ নিলে বিক্ষোভকারীদের সরাতে ভবনে প্রবেশ করে পুলিশ।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, নিউইয়র্ক পুলিশ জানিয়েছে, দুই ঘণ্টারও কম সময়ের অভিযানে হ্যামিল্টন হল থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসময় কেউ আহত হয়নি বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ১৭ মে পর্যন্ত নিউ ইয়র্ক পুলিশকে বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান নিতে বলেছে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চিঠি পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দিতে পুলিশ সেখানে যায়।

এর আগে গাজার প্রতি সংহতি ও যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের কথা জানায় কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। হুমকি মাথায় নিয়েও শিক্ষার্থীরা জানায় আন্দোলন থেকে সরে আসবে না তারা।

গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনবিরোধী এই বিক্ষোভ কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও ছড়িয়ে পড়েছে।

 

কালবেলার একটি শিরোনাম “পাঁচ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস”

পাঁচ বিভাগে বৃষ্টির সুখবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে সারা দেশে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা বাড়ার পূর্বাভাসও দিয়েছে সংস্থাটি।

বুধবার (১ মে) সকালে আবহাওয়ার ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২ মে) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

 

 

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024