শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ০৮:০২ অপরাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রে গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা করছেন দেশটির ৪১ ভাগ ভোটার

  • Update Time : শুক্রবার, ৩ মে, ২০২৪, ৩.৪০ পিএম

ইত্তেফাক এর  একটি শিরোনামযুক্তরাষ্ট্রে গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা করছেন দেশটির ৪১ ভাগ ভোটার”

মার্কিন মোট ভোটারের সম্ভাব্য ৪১ শতাংশ বিশ্বাস করেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে গৃহযুদ্ধের মুখোমুখি হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের মধ্যে ১৬ শতাংশ বলেছেন, দৃশ্যকল্প ‘খুবই সম্ভবত’ এমনই। রাসমুসেন রিপোর্টস প্রকাশিত একটি মতামত জরিপে এ তথ্য উঠে আসে। খবর বাসসের।

আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন এমন ১১০০ জনেরও বেশি উত্তরদাতার মধ্যে ২১ থেকে ২৩ এপ্রিল এ জরিপটি চালানো হয়েছিল। তাদের মধ্যেই আবার ৪৯ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন না যে আগামী পাঁচ বছরে আরেকটি গৃহযুদ্ধের সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি ১০ শতাংশ এই বিষয়ে নিশ্চিত নন।

জরিপে আরও দেখা গেছে, ৩৭ শতাংশ ভোটার বিশ্বাস করেন, বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পুনরায় নির্বাচিত হলে আরেকটি গৃহযুদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অপরদিকে ২৫ শতাংশ মনে করেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জয়ী হলে পরিস্থিতি আরও বেশি খারাপ হবে।

আগামী ৫ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে রিপাবলিকান মনোনয়নে জয়ী হয়েছেন ট্রাম্প। দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য বাইডেন ডেমোক্র্যাটদের প্রার্থী হিসেবে ভোটে অংশগ্রহণ করছেন। স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচনী প্রতিযোগিতা চার বছর আগের মতোই হবে।

প্রথমআলোর একটি শিরোনাম “প্রধানমন্ত্রী স্বজন বলতে স্ত্রী-সন্তানকে বুঝিয়েছেন, ওবায়দুল কাদের”

উপজেলা নির্বাচন থেকে স্বজনদের সরে যাওয়ার বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, স্বজন বলতে প্রধানমন্ত্রী সুনির্দিষ্টভাবে সন্তান ও স্ত্রীকে বুঝিয়েছেন। যা গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে এবং রাতের সভায় তিনি (প্রধানমন্ত্রী) খোলাসা করেছেন।

আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানী ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচন নিয়ে আমি যেসব বক্তব্য রেখেছি, অনেকে ভেবেছিলেন আমি নিজেই নিজের নামে বলে বেড়াচ্ছি। কিন্তু গতকাল নেত্রী নিজেই এ নিয়ে খোলাসা করে বলেছেন। স্বজন বলতে তিনি দুটো শব্দ উল্লেখ করেছেন—স্ত্রী ও সন্তান।’

প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সেখানে (উপজেলা নির্বাচনে) কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ও প্রভাব বিস্তার করা যাবে না।  প্রশাসনকে প্রভাবিত করা যাবে না। নির্বাচনকে প্রভাবিত করা যাবে না। সে কথা তিনি (প্রধানমন্ত্রী) পরিষ্কারভাবে বলেছেন। তাঁর (প্রধানমন্ত্রীর) গাইডলাইন অনুযায়ী আমরা আমাদের পার্টির কার্যক্রম পরিচালনা করব এবং উপজেলা নির্বাচনের ব্যাপারেও আমাদের নেত্রীর গাইডলাইনস অনুযায়ী আমাদের দায়িত্ব পালন করব।’

এখনো অনেকের স্বজন প্রার্থী রয়ে গেছেন, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, অনেকে এরই মধ্যে প্রত্যাহার করা শুরু করেছেন। সামনে আরও সময় আছে। প্রত্যাহার করতে চাইলে নির্ধারিত সময়ের পরেও করা যায়।

উপজেলা নির্বাচনে নিজের ভাইয়ের প্রার্থী হওয়া নিয়েও সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘একটা প্রশ্ন হয়তো আপনারা করতে পারেন, আমার স্বজনও একজন প্রার্থী হয়েছেন, আমার নিজের উপজেলায়। সেখানে প্রশ্নটা হচ্ছে আমার এই প্রার্থিতার পেছনে সমর্থন আছে কি না, সম্মতি আছে কি না, আমি তার পক্ষে প্রশাসন বা নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছি কি না। সরেজমিনে সেটাই দেখার বিষয়। আমার দলের এর সঙ্গে কোনো সংযোগ নেই। নেতৃস্থানীয় কারও সমর্থন নেই। আমার সমর্থন তো প্রশ্নই ওঠে না। কাজেই আর এটা শেষ পর্যন্ত সরে যাবে না, এটাও বলা যায় না।’

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এখনো বিদেশি শক্তির চাপ অনুভব করে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নির্বাচনের আগে চাপ স্পষ্ট ছিল। কিন্তু যাঁরা চাপ দেবেন, তাঁরা নিজেরাও এখন যথেষ্ট চাপে আছেন। কারণ, আরব বসন্তের স্পর্শ আটলান্টিকের ওপারে গিয়েও পড়েছে। তা আমরা দূর থেকেই দেখতে পারছি।’

সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘ব্যাপক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আমাদের দলের ৭৫তম রজতজয়ন্তী উদ্‌যাপন করব। সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় বিস্তারিত কর্মসূচি প্রণয়ন করব। এর মধ্যে ১৭ মে প্রধানমন্ত্রী, আমাদের সভাপতি শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষেও সারা দেশে সব পর্যায়ে কর্মসূচি পালন করব। সে ব্যাপারেও বিস্তারিত আলোচনা করব।’

ওবায়দুল কাদেরের ভাষ্য, ‘এই মুহূর্তে দেশে যে বাস্তবতা, এখানে বিরোধী দল বলতে কথাসর্বস্ব এবং বক্তব্য–বিবৃতিসর্বস্ব যে রাজনীতি, তার বাইরে রাজনীতির আউটডোরে তেমন কোনো কর্মসূচি চোখে পড়ে না। বাস্তবে আমাদের বিরোধী দল নির্বাচন ঠেকাতে গিয়ে এবং আন্দোলনের নামে অগ্নিসন্ত্রাস করতে গিয়ে সারা দেশে যে অবস্থার সৃষ্টি করেছে, তাতে তাদের নেতিবাচক রাজনীতি সম্পর্কে জনমনে অনীহা সৃষ্টি হয়েছে।’

জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া যে যেটাই বলুক আন্দোলন কোনো দিন সফল হতে পারে না, এমনটা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নিজেরাই এখন বিভক্ত। তাদের দলের বহুদিন ধরে কাউন্সিল নেই। তাদের ঘরোয়া রাজনীতি বলতে গেলে ঝিমিয়ে পড়েছে। নেতায় নেতায় মিল নেই। দল আবার ক্ষমতায় আসবে এ ধরনের আশাবাদ নেতারা ব্যক্ত করলেও কর্মীরা এই আশার কারণ দেখছেন না। কর্মীরাও হতাশ হয়ে পড়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আনিসুর রহমান প্রমুখ।

 

মানবজমিন এর একটি শিরোনাম  “শনিবার বন্ধ থাকবে যেসব জেলার স্কুল-কলেজ”

চলমান তাপপ্রবাহের কারণে বেশ কিছু জেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল ও কলেজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
শুক্রবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় বিষয়টি জানানো হয়।

বার্তায় বলা হয়, দেশে চলমান তাপদাহের কারণে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়া পূর্বাভাসের ভিত্তিতে খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের সকল জেলার, ঢাকা বিভাগের ঢাকা ও টাঙ্গাইল জেলার, চট্টগ্রাম বিভাগের চাঁদপুর জেলার এবং রংপুর বিভাগের রংপুর, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও দিনাজপুর জেলার সকল মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামীকাল শনিবার, ৪ঠা মে বন্ধ থাকবে।

 

কালবেলার  একটি শিরোনাম “খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলনে ব্যর্থ বিএনপি : কাদের”

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলন করতে বিএনপি ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (৩ মে) সকালে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা আমাদের চাপে রাখতে চেয়েছিল, তারাই এখন চাপে আছে। কারণ, আরব বসন্তের ছোঁয়া আটলান্টিকের ওপারেও লেগেছে। ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করার জন্য মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তিদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

আসন্ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী প্রসঙ্গে কাদের বলেন, আমরা ব্যাপক উদযাপনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পালন করব। আগামী ১৭ মে আমাদের নেত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সারা দেশে কর্মসূচি পালন করব।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল নির্বাচন ঠেকাতে গিয়ে আন্দোলনের নামে সারা দেশে যে ভয় সৃষ্টি করেছে, জনগণ তাদের পাশে নেই। বিএনপি ঝিমিয়ে পড়েছে। কর্মীরা হতাশ হয়ে পড়েছে।

এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল হোসেন, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

The Daily Star বাংলা এর একটি শিরোনাম “মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও ভারতের নিচে বাংলাদেশ”

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকের ২০২৪ সংস্করণ প্রকাশ করেছে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স। এই সূচকে গত বছরের তুলনায় আরও দুই ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ।

মোট ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৬৫তম। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শুধু আফগানিস্তানের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল ও ভুটানের পেছনে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ। 

২০২২ সালে ৩৬ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে ১৬২তম অবস্থানে এবং ২০২১ সালে ৫০ দশমিক ২৯ পয়েন্ট নিয়ে ১৫২তম অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ।

দক্ষিণ এশিয়ায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতার দিক দিয়ে এবার শীর্ষস্থান দখল করেছে নেপাল; ৬০ দশমিক ৫২ পয়েন্ট নিয়ে দেশটি ৭৪তম অবস্থান দখল করেছে। এর পরের অবস্থানে আছে মালদ্বীপ। ৫২ দশমিক ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে দেশটি ১০৬তম অবস্থানে।

এবারের তালিকায় প্রথম অবস্থান থেকে ছিটকে তৃতীয় স্থান পেয়েছে ভুটান। ৩৭ দশমিক ২৯ পয়েন্ট নিয়ে দেশটি ১৪৭তম অবস্থানে রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও ভারত। এই তিন দেশের বৈশ্বিক অবস্থান যথাক্রমে ১৫০, ১৫২ ও ১৫৯তম।

গত বছরের ১৬১ থেকে দুই ধাপ এগিয়ে এবার ১৫৯তম অবস্থান পেয়েছে ভারত।

আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বশেষ স্থান পেয়েছে। ২৬ ধাপ পিছিয়ে দেশটির বৈশ্বিক অবস্থান ১৭৮তম, পয়েন্ট মাত্র ১৯ দশমিক ০৯।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জের দিক দিয়ে গোটা বিশ্বে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক কর্মস্থল হিসেবে মিয়ানমার, চীন, উত্তর কোরিয়া, ভিয়েতনাম ও আফগানিস্তানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।

বৈশ্বিক সূচকে শীর্ষস্থান অটুট রেখেছে নরওয়ে। তাদের পয়েন্ট ৯১ দশমিক ৮৯। শীর্ষ দশের বাকি দেশগুলো হলো ডেনমার্ক, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড, এস্তোনিয়া, পর্তুগাল, আয়ারল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড ও জার্মানি।

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের সাংবাদিকরা কতটুকু স্বাধীনভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেন, তা যাচাই করা হয়।

এই সূচকে পাঁচটি বিষয় আমলে নেওয়া হয়। এগুলো হলো—রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, আইনি অবকাঠামো, অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট, আর্থ-সামাজিক অবস্থা ও নিরাপত্তা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সারা বিশ্বের মুক্ত গণমাধ্যম রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে হুমকির মুখোমুখি হচ্ছে, যাতে রাজনৈতিক সূচকের উল্লেখযোগ্য হ্রাস থেকে নিশ্চিত হয়েছে।

এ বছর এই সূচকের বৈশ্বিক গড় সাত দশমিক ছয় শতাংশ কমেছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024