শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ০৫:০১ অপরাহ্ন

বুড়িমারী এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত – ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ বন্ধ

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৯ মে, ২০২৪, ৯.৫৮ এএম

সারাক্ষণ ডেস্ক

প্রথমআলোর একটি শিরোনাম “উপজেলায়ও ভোটের হার কম”

বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বর্জন করেছে। এবারের নির্বাচন অনেকটা আওয়ামী লীগ বনাম আওয়ামী লীগের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ফলে উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটের মূল বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়ায় ভোটারের খরা।

গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচনে বিচ্ছিন্ন কিছু সংঘাতের খবর পাওয়া গেছে। জাল ভোট দেওয়া, জবরদস্তি এবং ভোট কিনতে টাকা বিলানো, মন্ত্রী-সংসদ সদস্যদের প্রভাব বিস্তার—এসবের অভিযোগও ছিল।

মাদারীপুর সদর, মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া, সুনামগঞ্জের শাল্লা, নোয়াখালীর সুবর্ণচরে কিছু কেন্দ্রে সংঘর্ষ এবং পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় বোমাবাজি, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। ভোটে অনিয়মের অভিযোগে বগুড়ায় দুই সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ ছাড়া ওই জেলার আরেক কেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ দুজনকে আটক করা হয়।

তবে সব ছাপিয়ে সকাল থেকে ভোটারের জন্য অপেক্ষা ছিল প্রায় সর্বত্র। কেন্দ্রগুলো দিনভর প্রায় ফাঁকা ছিল। ভোটারের দীর্ঘ সারি চোখে পড়েনি। ফলে অলস সময় পার করেন ভোট গ্রহণের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।

রাত সাড়ে ১২টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১২২টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম জানা গেছে। তাঁদের মধ্যে ১০১ জনই আওয়ামী লীগের।

দেশে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল আছে ৪৪টি। এর মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ মিলিয়ে জাতীয় পার্টি, জেপি, জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টি—এই চারটি দলের মোট ১২ জনের মতো দলীয় প্রতীকে প্রার্থী হয়েছেন।

ভোটার উপস্থিতি এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়াতে আওয়ামী লীগ এবার তাদের কোনো প্রার্থীকে দলীয় প্রতীক দেয়নি। তবে প্রতিটি উপজেলায় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা স্বতন্ত্র হিসেবে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা, প্রচারে উত্তেজনা ও প্রভাব বিস্তারের যে তথ্য ভোটের আগে ছিল, এর প্রায় সবগুলোর সঙ্গেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী এবং তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের নাম এসেছে।

ভোটের হার ৩০-৪০ শতাংশ

উপজেলা নির্বাচনে ভোটের হার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশের মধ্যে হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। গতকাল ভোট গ্রহণ শেষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে। এমন ৩৪টি ঘটনায় ৩৭ জনকে আটক করা হয়েছে। দুটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়েছে।

এর আগে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রথম চার ঘণ্টায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ভোট পড়ে থাকতে পারে। আর প্রথম দুই ঘণ্টার হিসাব জানিয়ে বলা হয়েছিল, ৭ থেকে ৮ শতাংশের মতো ভোট পড়েছে।

ভোটারের কম উপস্থিতির ব্যাখ্যায় সিইসি বলেন, ‘আমাদের বলা হয়েছে অনেকেই ধান কাটতে থাকায় ওঁরা ভোট দিতে আসেননি। সকালে বেশ কিছু জায়গায় ঝড়–বৃষ্টি হয়েছে, এটা একটা কারণ হতে পারে।’ ভোটের হার নিয়ে সন্তুষ্ট কি না, এমন প্রশ্নে কোনো মন্তব্য করতে চাননি সিইসি।

উপজেলা নির্বাচনের ইতিহাস বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রথম চারটি নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ছিল। সেগুলোতে ভোটারের উপস্থিতিও ছিল বেশি। সর্বশেষ ২০১৯ সালে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো উপজেলা নির্বাচন বর্জন করে। সেবার ভোট পড়ে ৪০ দশমিক ২২ শতাংশ। এবারও বিএনপি, জামায়াত, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ইসলামী আন্দোলনসহ গুরুত্বপূর্ণ দলগুলো ভোট বর্জন করেছে।

গত ৭ জানুয়ারি বিরোধী দলের বর্জনের মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটার উপস্থিতি ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়াতে প্রথমবারের মতো দলীয় সিদ্ধান্তে নৌকার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দলের নেতাদের স্বতন্ত্র ভোট করার সুযোগ দেয় আওয়ামী লীগ। ইসির হিসাবে, জাতীয় নির্বাচনে ভোট পড়ার হার ৪১ দশমিক ৮ শতাংশ। এই নির্বাচনের চার মাসের মাথায় উপজেলা নির্বাচন শুরু হলো। চার ধাপে ৪৫০টির মতো উপজেলায় ভোট হওয়ার কথা রয়েছে। সর্বশেষ ধাপের ভোট হবে ৫ জুন।

দিন দিন ভোটার কমছে

২০১৯ সালে প্রথমবার দলীয় প্রতীকে উপজেলা নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি ছিল ৪০ দশমিক ২২ শতাংশ। সেবার পাঁচ ধাপে উপজেলা ভোট অনুষ্ঠিত হয়। ভোটারদের নির্বাচনবিমুখতা গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত বলে তখন জাতীয় সংসদে বলেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা।

এর আগে ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত চতুর্থ উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৬১ শতাংশের মতো। সে বছর ছয় ধাপে উপজেলা নির্বাচন হয়। দেড় দশক আগে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি তৃতীয় উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৬৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। অর্থাৎ গত দুই নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি ব্যাপকভাবে কমেছে।

২০১৯ সালে প্রথমবার বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলো উপজেলা নির্বাচন বর্জন করে। এর আগের নির্বাচনগুলোতে দলটির নেতারা অংশ নিয়েছিল। এরপর থেকেই ভোটারের উপস্থিতি কমতে থাকে। এবার দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপির ৭৫ জন অংশ নিয়েছেন। তাঁদের দল থেকে বহিষ্কারও করেছে বিএনপি।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোটের শরিকদের বেশির ভাগেরই উপজেলা ভোটে কোনো তৎপরতা দেখা যায় না। দু-একটা দলের স্থানীয় নেতারা কিছু কিছু উপজেলায় প্রার্থী হয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১৪–দলীয় জোটের একটি শরিক দলের শীর্ষ নেতা প্রথম আলোকে বলেন, অর্থ, প্রভাব, পেশিশক্তি ও লোকবল—এসব বিবেচনায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভোটযুদ্ধে নামার মতো শক্তি তাঁদের নেই। এ ছাড়া প্রশাসন আওয়ামী লীগের নেতা ছাড়া অন্যদের খুব একটা পাত্তাও দেয় না। ফলে শুধু শুধু ভোটে নেমে লাভ কী?

আওয়ামী লীগ অখুশি নয়

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ উপজেলা ভোটের প্রথম পর্ব নিয়ে অখুশি নয়। দলটির নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, বিএনপিসহ বিরোধী দলবিহীন ভোটে ৪০ শতাংশ ভোট পড়লেই তাঁরা সন্তুষ্ট থাকবেন। বরং ভোটের দিন বড় সংঘাত, প্রাণহানি হয়নি—এটাই বড় সাফল্য। পরের পর্বগুলোতে ভোটারের উপস্থিতি আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।

আওয়ামী লীগের একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, এখন ৪০ শতাংশ ভোটই একটা রীতিতে পরিণত হয়েছে। ভোটে প্রাণহানি এড়ানোই বড় সাফল্য মনে করেন তাঁরা।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গতকাল সন্ধ্যায় দলের ধানমন্ডি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নির্বাচনে ৩০-৪০ শতাংশ ভোটারের উপস্থিতি সন্তোষজনক। অনেকের আশঙ্কা ছিল স্থানীয় সরকার নির্বাচন খুনোখুনি–মারামারির মাধ্যমে সমাপ্ত হবে। প্রাণহানি ছাড়া একটা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে।

তবে নির্বাচন পর্যবেক্ষকেরা মনে করেন, উপজেলার এই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হলেও ভোট নিয়ে মানুষের মধে৵ আস্থার সংকট রয়েছে। সে কারণে স্থানীয় সরকারব্যবস্থার নির্বাচনেও ভোটারের উপস্থিতি কম।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, একসময় বাংলাদেশের নারীদের দল বেঁধে ভোট দেওয়ার ঘটনা বিশ্বে খবর হতো। এখন আস্থাহীনতার কারণে ভোটার আসে না। কারণ, ভোট দিতে পারবে কি না, দিলে সঠিকভাবে গণনা হবে কি না এবং ফলাফল পাওয়া যাবে কি না, সেই আস্থাহীনতা আছে। তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলগুলোর নির্বাচন বর্জনও ভোটার কমিয়ে দিয়েছে। মূলত নির্বাচন কমিশন ও ভোট-ব্যবস্থার ওপর আস্থাহীনতার কারণে দলগুলোও ভোট বর্জন করছে। এটা গণতন্ত্রের জন্য দুঃসংবাদ।

 

ইত্তেফাক এর একটি শিরোনাম “হজযাত্রীদের নিয়ে ঢাকা ছাড়ল প্রথম ফ্লাইট”

চলতি বছরের হজ ফ্লাইট শুরু হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার (৯ মে) থেকে। ভোর সোয়া ৪টার দিকে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ৪০৯ জন হজযাত্রী জেদ্দার উদ্দেশে রওনা হন।

এরপর সকাল ৭টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমান দ্বিতীয় ফ্লাইটে সৌদি যান‌ ৪১৭ জন। ভোর সাড়ে ৫টায় এই ফ্লাইটের উদ্বোধন করেন ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান। এরপর সকাল ৮টায় ফ্লাইনাস এয়ারের আরেকটি ফ্লাইটের উদ্বোধন করেন ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৬ হাজার ৫২৭ জন হজযাত্রী পরিবহন করা হবে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৫০ শতাংশ হজযাত্রী পরিবহন করবে, যার সংখ্যা ৪৩ হাজার ৮৯৯ জন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস প্রি-হজে মোট ১১৬টি ডেডিকেটেড ফ্লাইট পরিচালনা করবে। এর মধ্যে ঢাকা থেকে জেদ্দায় ৮২টি, চট্টগ্রাম থেকে জেদ্দায় ১৭টি, সিলেট থেকে জেদ্দায় ৫টি, ঢাকা থেকে মদিনায় ৯টি, চট্টগ্রাম থেকে মদিনায় ২টি এবং সিলেট থেকে মদিনায় একটি।

এ ছাড়া হজ শেষে পোস্ট হজে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস মোট ১২৫টি ডেডিকেটেড হজ ফ্লাইট পরিচালনা করবে। এর মধ্যে জেদ্দা থেকে ঢাকাতে ৭৩টি, জেদ্দা থেকে চট্টগ্রামে ১৫টি, জেদ্দা থেকে সিলেটে ২টি, এছাড়া মদিনা থেকে ঢাকা ২২টি, মদিনা থেকে চট্টগ্রামে ৯টি এবং মদিনা থেকে সিলেটে ৪টি।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার জেদ্দা ও মদিনায় পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকায় হজ অফিসে বিমান বোর্ডিং এবং ইমিগ্রেশন কাউন্টারে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ করা হয়েছে। ঢাকা হজ অফিসে বিমানের সেলস কাউন্টার এ ব্যালটি হাজিদের টিকিট ইস্যু এবং নন-ব্যালটি হাজিদের টিকিট সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানের সুবিধা রাখা হয়েছে।

এর আগে, বুধবার (৮ মে) রাজধানীর আশকোনা হজ ক্যাম্পে এবারের হজ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে হজ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৬ জুন।

 

 

The Daily Star বাংলার “ট্রাম্পের বিরুদ্ধে গোপন নথি রাখার মামলা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত”

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে গোপনীয় নথি রাখার মামলা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেছে আদালত।আগামী ২০ মে এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিচারক ক্যানন তা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দিয়েছেন।

বিচারক জানিয়েছেন, তার আদালতে প্রচুর মামলা জমা রয়েছে। তাই তিনি ২০ মে ট্রাম্পের মামলার শুনানি শুরু করতে পারছেন না। কবে এই মামলা শুরু হবে তার কোনো তারিখও তিনি দেননি।

ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখনই ক্যাননকে বিচারক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছিল।

আগামী নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে। ট্রাম্প সেই নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী। তার আগে এই মামলার কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা একেবারেই কম।

ক্যানন তার পাঁচ পাতার নির্দেশে বলেছেন, এই মুহূর্তে নতুন তারিখ জানানোটা অবিবেচকের মতো কাজ হবে।

ট্রাম্পের আইনি লড়াই

ট্রাম্পের আইনজীবীরা চাইছেন, তার বিরুদ্ধে করা বিভিন্ন ফৌজদারি মামলার শুনানি পিছিয়ে যাক। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে যেন কোনো মামলা আদালতে না ওঠে, সে বিষয়ে তারা তৎপর আছেন।

নিউ ইয়র্কে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একটি মামলা চলছে।

এই মামলার অভিযোগ, ২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে তার একটি সম্পর্কের কথা গোপন রাখার জন্য পর্নো তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে এক লাখ ৩০ হাজার ডলার দিয়েছিলেন ট্রাম্প।

তবে ট্রাম্প সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

মঙ্গলবার ম্যানহাটনের আদালতে এই মামলার শুনানি হয়েছে। সেখানে স্টর্মি ড্যানিয়েলস বলেছেন, তার অর্থ পেতে দেরি হচ্ছিল। তাই তিনি চুক্তি ভেঙে দেন। তারপর তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে ট্রাম্পের আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং বিবৃতি দেন।

আদালতে ট্রাম্পও উপস্থিত ছিলেন।

(এএফপি, এপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

 

 

মানবজমিন এর একটি শিরোনাম “বুড়িমারী এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ বন্ধ”

পাবনার মুলাডুলি স্টেশন এলাকায় বুড়িমারী এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার ভোরে পাবনার ঈশ্বরদীতে মুলাডুলি স্টেশনে বগি লাইনচ্যুতির এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, লালমনিরহাট-ঢাকা রুটে বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেনটি চলাচল করে। ভোরে ট্রেনটি মুলাডুলি স্টেশন এলাকায় পৌঁছালে দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। ট্রেনটি উদ্ধারে রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।

এ বিষয়ে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার আব্দুল করিম জানান, ঈশ্বরদীর মুলাডুলিতে বুড়িমারী এক্সপ্রেসের দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এই ঘটনায় ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। তবে ট্রেনটি উদ্ধারের কাজ চলছে।

 

 

কালবেলার একটি শিরোনাম “ব্রাজিলে ভয়াবহ বন্যা, মৃত্যু বেড়ে ১০০”

ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বুধবার (৮ মে) পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসনের হিসাবে মৃত্যু ১০০ ছুঁয়েছে।

নিখোঁজ রয়েছেন ডজেনখানেক। তাদের অনেকেই মারা গেছেন বলে ধারণা করছে স্থানীয় সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে রিও গ্রান্দে দো সুল রাজ্যের ৪০০টি পৌরসভা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। তাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে সীমান্তবর্তী রাজ্যটিতে গত সোমবার থেকে ভারি বৃষ্টি হচ্ছে। এতে তলিয়ে গেছে শহরের রাস্তাঘাট। পানির নিচে নিচু এলাকার বাড়িঘর। সেতু, নদী, খাল একাকার। কিছু এলাকায় ভূমিধসের ঘটনাও ঘটে। এখনো অনেক অঞ্চলে ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে।

এ ছাড়া গুয়াইবা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে বইছে। এতে তীরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাই এর আশপাশের এলাকা থেকে নতুন করে লোকজনকে সরানো হচ্ছে।

ব্রাজিলের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবিলায় ন্যাশনাল সেন্টার বলেছে, রাজ্যের দক্ষিণ অংশ আরও ভয়াবহ বন্যার উচ্চঝুঁকির মধ্যে ছিল। কিন্তু ভারি বৃষ্টি কমায় তা থেকে নিস্তার পাওয়া গেছে।

ওই এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে বিদ্যুতের মতো পরিষেবাগুলো। এ ছাড়া পথঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উদ্ধারকাজ খুব কঠিন হয়ে পড়েছে।

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা দফায় দফায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, দুর্গত এলাকায় উদ্ধারকাজে খুব গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন নিয়ে তার মন্ত্রিসভা পরিকল্পনা করছে বলে জানান তিনি।

এর আগে এক বক্তব্যে তিনি দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতির ওপর জোর দেন। আশ্বাস দেন, ভবিষ্যতে কী ঘটতে যাচ্ছে তা অনুমান করে আগে থেকেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বন্যাকবলিত অঞ্চলে সর্বাত্মক উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখা হবে বলে জানান প্রেসিডেন্ট।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024