শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন

‘’সয়াবিন তেলের দামে কারসাজি’’

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪, ৮.০৩ পিএম

সারাক্ষণ ডেস্ক

পাকিস্তানের ডন পত্রিকার আজকের শিরোনাম ছিল ‘SC issues historic mea culpa on Zulfikar Bhutto’s trial’.

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান পিপলস পার্টি-পিপিপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলি ভুট্টো সুষ্ঠু বিচার পাননি। ৪৪ বছর আগে হত্যা মামলায় ফাঁসি হওয়া ভুট্টোকে নিয়ে বুধবার রায় দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। পাকিস্তানে জেনারেল জিয়াউল হকের সামরিক শাসনামলে ১৯৭৯ সালে ভুট্টোর বিচারের পর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল। পিপিপি এখন পরিচালনা করছেন তাঁর নাতি বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। বুধবারের রায়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কাজি ফয়েজ ইসা বলেছেন, ভুট্টোর সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার শর্তগুলো পূরণ হয়নি এবং যথাযথ বিচার প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের ৯ বিচারপতির বেঞ্চের এই রায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত বলে জানান তিনি।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের এপ্রিলে সুপ্রিম কোর্টে ওই আবেদন করেন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি। এরপর গত বছর সুপ্রিম কোর্টে জারদারি তাঁর আবেদনের মাধ্যমে জুলফিকার আলি ভুট্টোর হত্যা মামলার রায় পর্যবেক্ষণের অনুরোধ জানালে ১২ বছর পর ফের আলোচনায় আসে ওই মামলা। এরই শুনানি শেষে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট ওই রায় দিয়েছেন।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ‘Bengaluru cafe blast: CCTV trail gives leads on suspect’s identity, stopovers’.
খবরে বলা হচ্ছে, বেঙ্গালুরু পুলিশের কাছ থেকে মামলাটি এনআইএর কাছে হস্তান্তর। শুরু করেছে। বুধবার, সন্দেহভাজন আততায়ীর সম্পর্কে তথ্যের জন্য ১০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ। এনআইএ জানিয়েছে, তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে। তাই, আততায়ী সম্পর্কে তথ্য জানালে, প্রতিহিংসার শিকার হওয়ার ভয় নেই। বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরমে ক্যাফে বিস্ফোরণ মামলায়, হামলাকারী সম্পর্কে তথ্যের জন্য ১০ লক্ষ টাকা নগদ পুরস্কার ঘোষণা করল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ। এনআইএ জানিয়েছে, তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে। তাই, আততায়ী সম্পর্কে তথ্য জানালে, প্রতিহিংসার শিকার হওয়ার ভয় নেই। ১ মার্চ এই বিস্ফোরণ ঘটেছিল। একটি কম-তীব্রতার আইইডি ব্যবহার করা হয়েছিল। বিস্ফোরণে, ক্যাফেটিতে সেই সময় থাকা অন্তত ১০ জন ব্যক্তি আহত হয়েছিলেন। এনআইএ, এদিন অভিযুক্তের ছবি-সহ একটি ‘ওয়ান্টেড’ পোস্টার প্রকাশ করেছে। ছবিতে অভিযুক্তকে চশমা এবং টুপি পরা অবস্থায় দেখা গিয়েছে।
খবরে বলা হচ্ছে, রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণ মামলার এই সন্দেহভাজন ব্যক্তির ছবি ধরা পড়েছিল সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে। এই ফুটেজের সূত্র ধরে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি একটি বাস নিয়ে ক্যাফেতে পৌঁছেছিল। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সে রেস্তোরাঁয় প্রবেশ করেছিল। তার সঙ্গে একটা ব্যাগ ছিল, পরনে ছিল ধুসর রঙের টিশার্ট। একটি রাভা ইডলির অর্ডার দিয়ে সে ডাইনিং এলাকায় গিয়েছিল। সব মিলিয়ে ৯ মিনিট সে ক্যাফেটিতে ছিল। তবে অর্ডার করা খাবার সে খায়নি। ডাইনিং এলাকায় সেই ব্যাগ ফেলে সে ওই রেস্তোরাঁ থেকে বেরিয়ে এসেছিল। বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার বি দয়ানন্দ জানিয়েছেন, এই ক্যাফে বিস্ফোরণ মামলার তদন্ত সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযুক্তর বয়স ২৮ থেকে ৩০ বছর। পুলিশ বেশ কিছু সূত্র পেয়েছে। সেগুলির ভিত্তিতে পুলিশের বেশ কয়েকটি দল বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বেঙ্গালুরু শহর জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, এম চিন্নাস্বামী ক্রিকেট স্টেডিয়াম, বিভিন্ন বাস স্ট্যান্ড, রেলস্টেশন এবং অন্যান্য যে যে এলাকায় প্রচুর লোক সমাগম হয়, সেই সব জায়গায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। এরই মধ্যে, এই ওয়ান্টেড পোস্টার প্রকাশ করল এনআইএ।

সয়াবিন তেলের দামে কারসাজি নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘সয়াবিন তেলের দামে কারসাজি ,বিশ্ববাজারে কমেছে ৫২ শতাংশ, দেশে ১৭’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক বাজারে গত পৌনে দুই বছরে সয়াবিন তেলের দাম কমেছে ৫১ দশমিক ৫২ শতাংশ। জ্বালানি তেলের দাম কমায় জাহাজ ভাড়াসহ পরিবহণ খরচ কমেছে। এ হিসাবে সয়াবিনের দাম দেশের বাজারে অর্ধেকের বেশি কমার কথা। এর বিপরীতে ওই সময়ে ডলারের দাম বেড়েছে ২৮ শতাংশ। এ হিসাবে আরও প্রায় ২৮ শতাংশ বাড়ার কথা। আন্তর্জাতিক বাজার, জাহাজ ভাড়া, পরিবহণ ব্যয় ও ডলারের দাম বৃদ্ধি সমন্বয়ের ফলে তেলের দাম কমার কথা ২২ থেকে ২৫ শতাংশ। সেখানে আলোচ্য সময়ে দেশের বাজারে সয়াবিন তেলের দাম কমেছে মাত্র ১৭ শতাংশ। এদিকে রোজা উপলক্ষ্যে ভ্যাটে বড় ধরনের ছাড় দেওয়া হয়েছে। এর প্রভাবও বাজারে পড়েনি। তবে ‘অদৃশ্য’ খরচের কারণে তেলের দাম প্রত্যাশা অনুযায়ী কমছে না। সংশ্লিষ্টরা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমেছে অর্ধেকের বেশি। এ হিসাবে আমদানি খরচ কমেছে অর্ধেক। জ্বালানি তেলের দাম কমার কারণে জাহাজ ভাড়া গড়ে কমেছে। একই সঙ্গে অন্যান্য খাতে তেল পরিবহণ খরচও কমেছে। কনটেইনার সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় এ খাতেও খরচ কমেছে। ফলে সয়াবিন আমদানির খরচও কমেছে ডলারের হিসাবে। কিন্তু তেলের বাজারে এর প্রভাব পড়েনি।

আন্তর্জাতিক বাজার ও ডলারের দাম সমন্বয় করলে প্রতি লিটারে কমপক্ষে ২৫ শতাংশ কমলেও ৫১ টাকা কমার কথা। এ হিসাবে বর্তমানে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম হওয়ার কথা সর্বোচ্চ ১৫৪ টাকা। কিন্তু বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকা লিটার। এর মধ্যে আসন্ন রোজা উপলক্ষ্যে সয়াবিন তেল আমদানিতে ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ১৫ শতাংশ সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিপণন পর্যায়ে ভ্যাট ৫ শতাংশ তুলে দেওয়া হয়েছে। এতে প্রতি লিটারে দাম কমার কথা আরও ৭ থেকে ৮ টাকা। এর প্রভাবও পড়েনি। সব মিলে দেশের বাজারে সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ১৫০ টাকার কম হওয়ার কথা। এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে বুকিং রেট কমার পর দেশীয় বাজারেও ভোজ্যতেলের দাম কিছুটা কমেছে। বুধবার বৃহৎ পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ-চাক্তাইয়ে ভোজ্যতেল বিক্রি হয়েছে প্রতিমণ ৫ হাজার ৭০০ টাকা দরে। অর্থাৎ প্রতিমণে দেশের বাজারে কমেছে ১০০ টাকা। অথচ আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি টনে কমেছে ৫০ ডলার হিসাবে ৬ হাজার ৩০০ টাকা।

 

চিনির দাম নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘চিনির বাজারে উত্তাপ থাকলেও পর্যাপ্ত আমদানি’।

এ খবরে বলা হচ্ছে, বিদ্যমান মজুদ ও আমদানিকে বিবেচনায় নিলে দেশের বাজারে এখন চিনির সংকট দেখা দেয়ার কোনো কারণ নেই।আমদানিকারক ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, স্বাভাবিক অবস্থায় দেশে প্রতি মাসে চিনির সরবরাহ থাকে দেড় লাখ টনের কাছাকাছি।এবারের রমজানে তা আড়াই লাখ টনের মতো হতে পারে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে।সব মিলিয়ে বাজারে বিদ্যমান সরবরাহ ও মজুদ এবং পাইপলাইনে খালাসের অপেক্ষায় থাকা চিনি দিয়ে আসন্ন রমজানের চাহিদা বেশ ভালোভাবেই পূরণ করা যাবে বলে তারা মনে করছেন।বৃহৎ চিনি আমদানিকারক ও পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান এস আলম সুগার মিলের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর মঙ্গলবার থেকেই ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে চিনি বিক্রিতে অনীহা দেখা যাচ্ছে।চিনির মজুদ পর্যাপ্ত হলেও এ ঘটনা এবং আসন্ন রমজান ও গ্রীষ্মকালকে সামনে রেখে বৃহৎ পাইকারি ব্যবসায়ী ও ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানগুলো বাড়তি দাম হাঁকিয়ে বাজারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

কর্মক্ষেত্রে অধিকার প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনকে ঘিরে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘অধিকার ভোগে পুরুষের অনেক পেছনে নারীরা’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কর্মক্ষেত্রে বাংলাদেশের নারীরা পুরুষের তিন ভাগের এক ভাগ আইনি অধিকার ভোগ করেন। এ ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর চেয়ে পিছিয়ে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পেছনে আছে শুধু আফগানিস্তান।আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আগে ১৯০টি দেশ ও অঞ্চলের ওপর নারী, ব্যবসা ও আইন-২০২৪’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক। যেখানে দুটি সূচক তুলে ধরা হয়ে।একটি সূচকে কাগজপত্রে নারীরা কতটা আইনি অধিকার ভোগ করেন, তা বলা হয়েছে। এখানে মাপকাঠি আটটি—অবাধ চলাচল, কর্মক্ষেত্র, মজুরি, বিয়ে, পিতৃত্ব-মাতৃত্ব, ব্যবসার উদ্যোগ, সম্পদ ও অবসরভাতা সুবিধা।দ্বিতীয় সূচকটি হল আইনকানুন কতটা রয়েছে এবং তার বাস্তবায়ন কতটা হয়। এখানে দুটি নতুন মাপকাঠি যোগ করা হয়—নিরাপত্তা ও শিশুর পরিচর্যা।বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশ প্রথম সূচকে নম্বর পেয়েছে ৪৯ দশমিক চার। দ্বিতীয় সূচকে নম্বর পেয়েছে ৩২ দশমিক পাঁচ। অর্থাৎ নারীরা পুরুষের চেয়ে তিন ভাগের এক ভাগ অধিকার ভোগ করতে পারেন।

ঢাকা আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘Dhaka-Ashulia Elevated Expressway: Huge interchange to keep traffic flowing’ অর্থাৎ, ‘ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বিশাল ইন্টারচেঞ্জ’।প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের কর্তৃপক্ষ বাইপাইলে নির্বিঘ্নে যান চলাচলের জন্য একটি ইন্টারচেঞ্জ তৈরি করতে যাচ্ছে যেখানে তিনটি প্রধান সড়ক মিলিত হবে। এই ইন্টারচেঞ্জ, গ্রেড-সেপারেটেড জংশন নামেও পরিচিত। এটি হল রাস্তার একটি সেট যা সাধারণত বিভিন্ন স্তরে ডিজাইন করা হয়। এটি যানবাহনগুলিকে থামতে না দিয়ে এক মহাসড়ক থেকে অন্য মহাসড়কে যাওয়ার পথ করে দেয়।
২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি সম্প্রতি গতি বাড়ানোর কারণে দুই কিমি দীর্ঘ ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা ইপিজেড এলাকা ও বিমানবন্দরের মধ্যে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। ইন্টারচেঞ্জের জন্য প্রয়োজনীয় নকশা পরিবর্তনের ফলে প্রকল্পের ব্যয় ৫০০ কোটি টাকা বাড়বে। চীনের অর্থায়নে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ ২০২২ সালের নভেম্বরে শুরু হয়েছিল এবং গত মাস পর্যন্ত এর মাত্র ২০ শতাংশ কাজের অগ্রগতি করেছে। তাদের মতে, ২০২৬ সালের জুনের সময়সীমায় কাজ সম্পন্ন করাও কর্তৃপক্ষের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘যে ভাষণে আজও জেগে ওঠে বাঙালি’।প্রতিবেদনটি কবি নির্মলেন্দু গুণের কবিতার দুটি লাইন দিয়ে শুরু করা হয়েছে, “…কে রোধে তাঁহার বজ্রকণ্ঠ বাণী? গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তাঁর অমর-কবিতাখানি :/ ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,/ এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’।”এখানে কবি বলতে শেখ মুজিবুর রহমানকে বোঝানো হয়েছে এবং এই কবিতায় ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) তার স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেয়ার মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে।তার যুগান্তকারী ভাষণের স্মারক হিসেবে ৭ই মার্চ দিনটিকে বিশেষভাবে পালন করা হয়।বলা হয় মাত্র ১৯ মিনিটের ভাষণটি প্রকৃতপক্ষে জাতির উদ্দেশে শেখ মুজিবের স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছিল।২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ইউনেসকো। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থাটি ঐতিহাসিক এই ভাষণকে ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারের মেমোরিতে অন্তর্ভুক্ত করে।

রেস্তোঁরায় চলমান অভিযানকে ঘিরে সমকালের প্রথম পাতার খবর, ‘ভবন-রেস্টুরেন্ট মালিকের দোষ কর্মচারীর ওপর’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে গ্রেপ্তার আতঙ্কে গত কয়েকদিন ধরে দোকান বন্ধ রেখেছে বেশ কিছু রেস্তোরাঁ ও ফাস্টফুডের দোকান।এভাবে দোকান বন্ধ থাকায় যে কোন সময় চাকরি চলে যেতে পারে এমন আশঙ্কায় আছেন সেখানকার কর্মচারিরা। ঢাকার প্রায় প্রতিটি রেস্তোরাঁর কর্মচারীদের মধ্যেই এ ভীতি ভর করেছে।এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের অনিয়মের অভিযোগে গ্রেপ্তারও হতে হচ্ছে কর্মচারীদের। তাদের ভাষ্য, ঢাকার প্রায় সব রেস্তোরাঁ ভবন মালিকের কাছ থেকে ফ্লোর ভাড়া নিয়ে গড়ে উঠেছে।সে পটভূমিতে নিয়ম-অনিয়মের জন্য দায়ী হওয়ার কথা ভবন মালিক ও রেস্তোরাঁ মালিকদের। তবে হয়রানির মুখে পড়ছেন কর্মচারীরা। পুলিশ কর্মচারীদেরই ধরে নিয়ে যাচ্ছে।বেইলি রোডের ট্র্যাজেডির পর ৩রা মার্চ থেকে রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে পুলিশ, রাজউক ও সিটি করপোরেশন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024