রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন

ওষুধের দাম গড়ে ৩৫% বেড়েছে, ভারতে প্রতি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমল ১০০ রুপি

  • Update Time : শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪, ৫.৩২ পিএম

 সারাক্ষণ ডেস্ক

 

পাকিস্তানের ডন পত্রিকার আজকের বিজনেস পাতার শিরোনাম ছিল PTI leaders not denied permission to meet Imran, IHC told

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,  সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নেতাদের দেখা করার অনুমতি প্রত্যাখ্যান করা হয়নি বলে জানিয়েছে আদিয়ালা জেল সুপারিনটেনডেন্ট। শুক্রবার ইসলামাবাদ হাইকোর্টকে (আইএইচসি) এ কথা জানিয়েছেন তিনি।  তবে কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড যাতে না ঘটতে পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আদিয়ালা জেল সুপারিনটেনডেন্ট। এখানেই বন্দি আছেন পিটিআই চেয়ারম্যান ইমরান খান।

ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করতে পিটিআই নেতা ওমর আইয়ুব, আসাদ কায়সারসহ অন্যদের আবেদন নাকচ করার মাধ্যমে জেল সুপারিনটেনডেন্ট আসাদ জাভেদ ওয়ারাইচ আদালত অবমাননা করেছেন। এ বিষয়ে আদালতের দারস্থ হয় পিটিআই। খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার শুনানিতে অংশ নিয়ে জেল কর্তৃপক্ষ আইএইচসি বিচারপতি সরদার এজাজ ইসহাক খানকে জানিয়েছে, সম্প্রতি কিছু বিস্ফোরক দ্রব্যসহ জেলের কাছে কিছু সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়, তারা জেল চত্বরে হামলার পরিকল্পনা করেছিল। সেজন্য জেল চত্বরে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এ সময় বিচারপতি কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন যে, দর্শকরা তার পূর্ব সম্মতির ভিত্তিতে ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করতে পারেন। জেল কর্তৃপক্ষের এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আদালতের আদেশ কঠোরভাবে মেনে চলা হচ্ছে এবং খানের আইনজীবীদের কখনই তার সঙ্গে দেখা করার ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া হয়নি। সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় স্টেশনারি বহনে তাদের কখনই বাধা দেওয়া হবে না। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কারা প্রাঙ্গণের ভিতরে নেওয়ার আগে এটি যাচাই-বাছাই করা হবে। আদালত মামলার পরবর্তী শুনানি ১৫ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি করেছেন।

 

টাইমস অব ইন্ডিয়া পত্রিকার শিরোনাম Modi’s Women’s Day ‘gift’: LPG cylinder price cut 100.

খবরে জানা যায়, ভারতে প্রতিটি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম ১০০ রুপি কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আন্তর্জাতিক নারী দিবস ঘিরে শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া পোস্টে তিনি এই ঘোষণা দেন। পোস্টে নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, আজ নারী দিবসে সরকার এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১০০ রুপি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে দেশের কোটি পরিবারের আর্থিক বোঝা উল্লেখযোগ্যভাবে লাঘব হবে। এতে বিশেষভাবে উপকৃত হবে নারী শক্তি। ‘রান্নার গ্যাসকে আরও সাশ্রয়ী করে তোলার মাধ্যমে আমরা পরিবারগুলোর কল্যাণে সহায়তা করা ও একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিতের লক্ষ্যে কাজ করছি। নারীর ক্ষমতায়ন ও তাদের ‘জীবনযাত্রায় স্বাচ্ছন্দ্য’ আনতে আমাদের অঙ্গীকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে’, লিখেছেন মোদি।

টাইমস অব ইন্ডিয়াপ্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দিল্লিতে ১৪ দশমিক দুই কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম প্রায় ৯০০ রুপি। মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে ভারতে গত বছর দুইবার এলপিজি সিলিন্ডারে ভর্তুকি বাড়িয়ে ২০০ রুপি থেকে ৩০০ রুপি করা হয়েছে। সবশেষ ভারত সরকার নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য এই ভর্তুকি অব্যাহত রাখার কথাও জানায়। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভারতের জাতীয় নির্বাচনের আগে নারী ভোটারদের আকৃষ্ট করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

বৈশ্বিক গণতান্ত্রিক সূচকে অবনতি বাংলাদেশের – দেশ রুপান্তরের খবর।

এতে বলা হয় বিশ্ব গণতান্ত্রিক সূচকে দুই ধাপ অবনতি হয়েছে বাংলাদেশের। ২০২৩ সালে বিশ্বের ১৬৫টি দেশ ও দুটি অঞ্চলের মধ্যে ৫ দশমিক ৮৭ স্কোর নিয়ে ৭৫তম স্থানে জায়গা হয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক দ্য ইকোনমিস্ট সাময়িকীর ইকোনমিক ইনটেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) প্রকাশিত ডেমোক্রেসি ইনডেক্স ২০২৩-এ এমনটিই বলা হয়েছে। ইনটেলিজেন্স ইউনিটের এই সূচক পাঁচটি মানদণ্ড-নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও বহুদলীয় ব্যবস্থা, সরকারের কর্মকাণ্ড, রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং নাগরিক অধিকারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। বিশ্বের ১৬৫ দেশ ও দুটি অঞ্চলের গণতন্ত্র পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে ১০ স্কোরের ভিত্তিতে এই সূচক তৈরি করা হয়। এসব মানদণ্ড বিবেচনা করে পূর্ণ গণতন্ত্র, ত্রুটিপূর্ণ গণতন্ত্র, মিশ্র গণতন্ত্র এবং স্বৈরশাসন-এই চার শ্রেণিতে সূচক তৈরি করা হয়েছে। ইকোনমিস্টের মতে, কোনো দেশের গড় স্কোর ৮ এর বেশি হলে পূর্ণ গণতন্ত্র, ৬ থেকে ৮ হলে ত্রুটিপূর্ণ গণতন্ত্র, ৪ থেকে ৬ হলে মিশ্র গণতন্ত্র এবং ৪ এর নিচে হলে সেই দেশে স্বৈরশাসন জারি রয়েছে।এবারের এই সূচকে ৯ দশমিক ৮১ স্কোর নিয়ে গত বারের মতো সবার ওপরে আছে নরওয়ে। নিউজিল্যান্ড ২০২২ সালের মতো এবারের সূচকে দ্বিতীয় স্থানে আছে। ইআইইউ বলছে, ২০২৩ সালের সূচকে ৫ দশমিক ৮৭ স্কোর নিয়ে ৭৫তম স্থানে আছে বাংলাদেশ। ২০২২, ২০২১ ও ২০২০ সালে এই সূচকে ৫ দশমিক ৯৯ স্কোর নিয়ে মিশ্র গণতন্ত্রের দেশের তালিকায় ছিলো বাংলাদেশ। একই সূচকে ২০১৯ সালে ৮৮তম স্থানে বাংলাদেশর স্কোর ছিলো ৫ দশমিক ৫৭।

 

Irregular migration from Bangladesh rises – ইরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রধান শিরোনাম এটি।

খবরে বলা হয় বাংলাদেশ থেকে অবৈধ উপায়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, মধ্যপ্রাচ্য ও মালয়েশিয়াতে পাড়ি দেয়ার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। অভিবাসী বিশেষজ্ঞরা বলছেন এতে প্রচুর শ্রমিকের যাত্রাপথে মারা যাওয়া, আটক হওয়াসহ অর্থনৈতিক ক্ষতির পর সব হারিয়ে তাদের ঘরে ফিরতে হচ্ছে।

দ্য ইউরোপিয়ান বর্ডার অ্যান্ড কোস্ট গার্ড এজেন্সি বা ফ্রন্টেক্স জানিয়েছে ২০২৩ সালে তারা অন্তত ৩,৩৭,০০৮ জনকে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত বিভিন্ন দেশে ঢোকার সময় শনাক্ত করেছে।

 

‘ইসির ভুল, নাগরিকের খেসারত জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে’ আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

বলা হয় ইসির ভুলে এমন অনেকেই ভোগান্তিতে পড়েছেন। সাড়ে তিন লাখের মতো নাগরিকের এনআইডি সংশোধনের আবেদন ইসিতে জমা পড়ে আছে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর।অথচ জাতীয় পরিচয়পত্র ও সংরক্ষিত তথ্য-উপাত্ত (সংশোধন, যাচাই ও সরবরাহ) প্রবিধানমালা ২০১৪-এ উল্লেখিত জাতীয় পরিচয়পত্র বা সংরক্ষিত তথ্য-উপাত্তে মুদ্রণজনিত ভুল সংশোধন অংশে বলা হয়েছে, এনআইডি সংশোধনের আবেদন করার পর জরুরি হলে সাত কার্যদিবস, আর সাধারণ ফি দিয়ে আবেদন করলে তা ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোনো আবেদন নামঞ্জুর করলে নাগরিক তা জানার ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে ইসিতে আপিল করতে পারবেন। আপিল পাওয়ার ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনের তা নিষ্পত্তি করার বিধান রয়েছে।এ ব্যাপারে ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম বলেন, সংশোধনের আবেদন করলে কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তা নিষ্পন্ন করতে হয়। তবে এটি এত সময় কেন লাগবে, সে প্রশ্ন তিনি নিজেও রাখেন।ঝুলে আছে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ আবেদন ইসি সূত্র বলেছে, গত রোববার পর্যন্ত ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ক্যাটাগরিতে এনআইডি সংশোধনের প্রায় সাড়ে তিন লাখ আবেদন জমা পড়ে আছে। তদন্তের অপেক্ষায় আছে পৌনে ১ লাখের বেশি আবেদন। নাগরিক আবেদন করার পর সেভাবেই পড়ে আছে ২৫ হাজারের মতো।

কোন পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে আবেদন জমা আছে, তার ওপর ক্যাটাগরি নির্ধারিত হয়। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে আবেদন জমা থাকলে তা ‘ক’ ক্যাটাগরির। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, ১০ আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং মহাপরিচালকের (ডিজি) কাছে আবেদন জমা থাকলে সেগুলো যথাক্রমে ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ ক্যাটাগরির। ইসি সূত্র বলেছে, ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের মনোনীত তথ্য সংগ্রহকারীরা হাতে পূরণ করার ফরম নিয়ে বাড়ি বাড়ি যান। এই ফরমটিই ২ নম্বর ফরম। এরপর সংশ্লিষ্ট ভোটারকে ছবি ও আঙুলের ছাপ দিতে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে যেতে বলা হয়। সব তথ্য সংগ্রহের পর হয় যাচাই-বাছাই। তারপর নির্বাচন কমিশনের মূল সার্ভারে ভোটারের ছবি ও তথ্য আপলোড করেন উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা। সূত্র বলেছে, অনেকেই মাঠপর্যায়ে ভোটারের ছবি ও আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে পরে নিরিবিলি কাজ করতে চান। এটি করতে গিয়েই তাঁরা অনেক সময় ভুল করেন।

 

আঙ্গুর, আপেল, মাল্টায় কেজিতে দাম বেড়েছে একশ টাকা পর্যন্ত – দৈনিক মানবজমিনের শিরোনাম এটি।

বলা হচ্ছে রমজান ও ইফতারকে কেন্দ্র করে প্রতি বছর খেজুরসহ আমদানিকৃত ফলের ঊর্ধ্বগতি দেখা যায় বাজারে। এ বছরও খেজুরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে আমদানিকৃত বিদেশি  ফল আঙ্গুর, আপেল, মাল্টাসহ কমলার দাম। সরজমিন রাজধানীর কাজীপাড়া ও কাওরান বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত রমজান থেকে এক বছরে কেজিতে মাল্টার দাম বেড়েছে ১০০ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়া আঙ্গুুরের কেজিতে ৮০ টাকা ও লাল আপেলে ৫০ টাকা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এই হিসাবে বছর ঘুরতে মাল্টার দাম ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। আমদানিকারকরা বলছেন, ডলার সংকট, সরকারি ট্যাক্স, সঠিক সময়ে দেশে পণ্য না আসায় ফলের দাম বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রতি বছরে রমজানে আমদানিকৃত ফলে ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন অজুহাতে দাম বাড়িয়ে দেন। বাড়তি মূল্যের কারণে ইফতারে ফল কিনে খাওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন ভোক্তাসাধারণ। কাজীপাড়া ফলের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি মাল্টা ৩২০ টাকা, সবুজ আঙ্গুর ৩৬০ টাকা, কালো আঙুর ৩৮০ টাকা, ফুজি আপেল ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আফ্রিকান জাতের লাল আপেল ৩৫০ টাকা, সবুজ আপেল ৩২০ টাকা ও চায়না ফুজি আপেল ৩০০ টাকা কেজি। মানভেদে আনার ৪০০/৪৫০ টাকা, কমলা ২২০/২৫০ টাকা, নাশপাতি ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গত রমজানে প্রতি কেজি মাল্টা ২২০ টাকা, সবুজ আপেল ৩০০ টাকা, লাল আপেল ৩০০ টাকা, ফুজি আপেল ২৬০, সবুজ আঙ্গুর ২৮০ টাকা, কালো আঙ্গুর ৩৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। এক বছরে মাল্টার দাম বেড়েছে ১০০ টাকা। আফ্রিকান জাতের লাল আপেলের দাম বেড়েছে ৫০ টাকা, সবুজ আপেলে ২০ টাকা ও ফুজি আপেলে ৪০ টাকা বেড়েছে। এ ছাড়া সবুজ আঙ্গুরের দাম বেড়েছে ৮০ টাকা। এই হিসেবে গত বছরের তুলনায় এ বছরে রমজানে মাল্টার দাম বেড়েছে প্রায় ৪৫ শতাংশ, সবুজ আঙ্গুরে প্রায় ২৯ শতাংশ ও লাল আপেলে ১৭ ও ফুজি আপেলে ১৫ শতাংশ দাম বেড়েছে। কাজীপাড়া ফল বাজারে এসেছেন শামসুল আলম। আঙ্গুরের দাম জিজ্ঞেস করেন তিনি। দরদামের এক পর্যায়ে তিনি মানবজমিনকে বলেন, দুইদিন আগেও আমি এই আঙ্গুর ২২০ টাকা করে কিনেছি। সেটা উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টর থেকে, আরও ভিআইপি এলাকা। ওরা এখন বলছে ২৮০ টাকা। গত রমজানে যেমন ছোলা ছিল ৯০ টাকা, এই রমজানে ১২০ টাকা। মাল্টার দামও অনেক বেশি। এই আপেল ছিল ১৮০/১৯০ টাকা। এখন ৩২০ টাকা বলছে। আগে যদি মানুষ ফল কিনতো দুই কেজি এখন কিনবে এক কেজি। এক মন্ত্রী বলেছেন- খেজুর না খেয়ে বরই খেতে।

 

ওষুধের দাম গড়ে ৩৫% বেড়েছে – কালের কন্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয় বাতের চিকিৎসায় খাদ্য সম্পূরক হিসেবে ব্যবহৃত ‘আর্থ-এ টিএস’ ট্যাবলেট কয়েক দিন আগেও ২০ টাকা করে পাওয়া গেলেও এখন প্রতিটির দাম বেড়ে হয়েছে ৩০ টাকা। অর্থাৎ ট্যাবলেটপ্রতি দাম বেড়েছে প্রায় ৬৬ শতাংশ। এ ছাড়া বেড়েছে সর্দিজ্বর, চর্মরোগ, অ্যালার্জি, শ্বাসনালির সংক্রমণ, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগের ওষুধের দাম। দেখা গেছে, ওষুধের দাম সর্বনিম্ন ২০ এবং সর্বোচ্চ ৬৬ শতাংশ বেড়েছে। গড়ে দাম বেড়েছে ৩৫ শতাংশ। গত কয়েক দিন চট্টগ্রাম নগর ও জেলায় ওষুধের বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারি দোকান ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নতুন বছরের শুরুতেই এসব ওষুধের দাম বেড়েছে।

শ্বাসনালির সংক্রমণসহ বিভিন্ন সংক্রমণে ব্যবহৃত ফ্লুক্লক্স প্রতি বক্স ৮০ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯৫ টাকা। অ্যালার্জির ট্যাবলেট ফেক্সো প্রতি পাতায় বেড়েছে ১০ টাকা, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ ওসারটিল প্রতি পাতায় বেড়েছে ২০ টাকা, এনজিলক বক্সপ্রতি বেড়েছে ১০০ টাকা, হার্টের ওষুধ নাইট্রোকার্ড প্রতি বক্স ট্যাবলেটের দাম ১২০ টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৪২০ টাকা। অ্যান্টিবায়োটিক সেফ-৩ প্রতিটি ট্যাবলেটের দাম ১০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৪৫ টাকা। ভিটামিন বি সমৃদ্ধ নিউরোজেনের দাম প্রতি প্যাকেটে ২০০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৬০০ টাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024