শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০৬:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদে ‘তিথিডোর’ নিয়ে আসছে মেহজাবীন চৌধুরী কলেজ ছাত্র মুরাদ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা ফের আইটেম গানে প্রিয়া অনন্যা স্মার্ট কর্মক্ষেত্র বুদ্ধিনির্ভর কাজের ক্ষমতা বাড়ায় নিরাপত্তা বিশ্লেষক আবদুর রশীদের মৃত্যুতে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির শোক প্রকাশ চে গেভারা যেভাবে কিউবার সশস্ত্র বিপ্লবের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন ট্রাম্প পুনঃনির্বাচিত হলে ইউয়ানের উপর চাপ ও বৈদেশিক মুদ্রার অস্থিরতা বাড়তে পারে মিরনজিল্লার হরিজন সম্প্রদায়কে পূনর্বাসন না করে উচ্ছেদ করা যাবে না নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের তিনটি ‘টার্নিং পয়েন্ট’ নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশীদ মারা গেছেন

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় কাজ করছে ব্র্যাকের প্রায় ২৩ হাজার কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪, ১.০৯ পিএম

(৩৬টি মিনি সাইক্লোনশেল্টারে আশ্রয় নিয়েছে ১৮৩ পরিবার)

সারাক্ষণ ডেস্ক

ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে বিপর্যস্ত মানুষের সহায়তায় মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে ব্র্যাকের ২২ হাজার ৫৭১ জন কর্মী, স্বাস্থ্য সেবিকা ও স্বেচ্ছাসেবক। ৮ হাজার ৪৫০ জন ব্র্যাক কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার (স্বাস্থ্য সেবিকা ও স্বেচ্ছাসেবক) গর্ভবতী এবং স্তন্যদানকারী মা, শিশু ও শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষ সহ দূর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে সহায়তা করছেন।

১৪ হাজার ১২১ জন ব্র্যাক কর্মী, যাদের মধ্যে ৫ হাজার ৮৬৩ জনই নারী, তারা ঘরে ঘরে দিয়ে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করছে এবং বিপদাপন্ন পরিবারদেরকে আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে সহায়তা করছে।

 

ব্র্যাকের মানবসম্পদ বিভাগ উপকূলীয় জেলাগুলিতে সকল ঝুঁকিপূর্ণ কার্যালয়ের কর্মীদের নিরাপত্তার জন্য একটি স্টাফ ট্র্যাকার চালু করেছে। বাগেরহাটে অবস্থিত ব্র্যাকের ৩ টি কার্যালয়কে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সেখানে মোট ৩৮৫ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে ব্র্যাকের মোট ৩৬টি মিনি সাইক্লোন শেল্টারে ১৮৩টি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।

এছাড়াও সংস্থাটির পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৬৮০ প্যাকেট শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। ব্র্যাক সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার ৫০ জন অংশগ্রহণকারীকে পূর্বাভাস ভিত্তিক আগাম কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৫ হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা দিয়েছে।

ব্র্যাকের পক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড়ের সামগ্রিক ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণ করা হচ্ছে এবং এই দুর্যোগকালে উপদ্রুত এলাকার মানুষের প্রয়োজনীয়তাগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর ভিত্তিতে ঘুর্ণিঝড় উপদ্রুত এলাকার মানুষের জন্য পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে বাতাস ও ভারী বৃষ্টিপাতসহ, ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোংলার দক্ষিণ-পশ্চিমে বাংলাদেশের খেপুপাড়া (বর্তমান কলাপড়া) উপকূলে (২৬শে মে ২০২৪ তারিখ) সন্ধ্যায় আঘাত হানে। উৎপত্তির শুরু থেকেই ব্র্যাকের পক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড় রিমালের গতি-প্রকৃতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সহযোগী সংস্থাগুলোর সাথে সমন্বয় রেখে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024