সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ওকে গাইতে দাও (পর্ব-২) বিদেশে শিক্ষা বাণিজ্যে পা রাখার চেষ্টা করছে চায়না সুচিকিৎসা পাচ্ছেন বলেই খালেদা জিয়া এখন পর্য্যন্ত সুস্থ আছেন: আইনমন্ত্রী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরিতে বিসিপিএসকে কার্যকরী ভূমিকা রাখার তাগিদ রাষ্ট্রপতির সরকার বিজ্ঞান-প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে বহুমাত্রিক করেছে : প্রধানমন্ত্রী জনগণের সম্মতি ছাড়া রেল চলালচলের চুক্তি মানিনা – ‘এবি পার্টি’ যুদ্ধ এবং ‘এআই’ বরেন্দ্র এলাকায় পানির হাহাকার: মাটির নিচের পানি কোথায় গেলো? চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে স্পেশাল ট্রেন আরও এক মাস সময় বাড়ালো বিশ্বের সবচেয়ে বিষধর সাতটি সাপ সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে

“আমেরিকা ফার্স্ট” নীতি কি আমেরিকার মহাকাব্যিক প্রস্থান

  • Update Time : শনিবার, ১ জুন, ২০২৪, ৫.২৯ পিএম

সারাক্ষণ ডেস্ক

বিশ্বের কী অবস্থা হবে যদি যুক্তরাষ্ট্র একটি অন্য সাধারণ বৃহৎ শক্তির মতো একটি বৃহৎ শক্তি হয়ে ওঠে? এটি জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে না যে কী হবে যদি যুক্তরাষ্ট্র সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নতাবাদের দিকে পিছিয়ে যায়? বরং জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে কী হবে যদি দেশটি ইতিহাসের অনেক বৃহৎ শক্তির মতো সংকীর্ণ স্বার্থান্বেষী এবং শোষণমূলক উপায়ে আচরণ করে—যদি এটি এই ধারণা থেকে সরে আসে যে  তার একটি বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে একটি উদারতান্ত্রিক বিশ্ব গড়ে তোলার যা বৃহত্তর বিশ্বের জন্য উপকারী।  আর এখান থেকে সরে আসার অর্থই হচ্ছে  ৮০ বছরের আমেরিকান কৌশল থেকে একটি মহাকাব্যিক প্রস্থান হবে। 


২০১৬ সালেডোনাল্ড ট্রাম্প “আমেরিকা ফার্স্ট” প্ল্যাটফর্মে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তিনি এমন একটি যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছিলেন যা শক্তিশালী কিন্তু বর্হিবিশ্বে শুধু তার নিজস্ব সুবিধাগুলির দিকে নজর দেবে। এবং তার নিজস্ব জটিলতা হ্রাস করবে। প্রকৃতপক্ষেট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গির সংজ্ঞায়িত বৈশিষ্ট্য হল, তার বিশ্বাস যে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব সংকীর্ণ স্বার্থ ছাড়া অন্য কিছু অনুসরণের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আজট্রাম্প আবারও প্রেসিডেন্সির জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেনকারণ রিপাবলিকান পার্টির মধ্যে তার বিদেশ নীতির অনুসারীদের সংখ্যা বাড়ছে। এদিকেআমেরিকান গ্লোবালিজমের মূল দিকগুলো এখন অনেকটা দ্বিদলীয় বিষয় হয়ে উঠেছে।শীঘ্রই বা পরেট্রাম্প বা অন্য কোনো রাষ্ট্রপতির অধীনেবিশ্ব একটি মহাশক্তির মুখোমুখি হতে পারে যা ধারাবাহিকভাবে “আমেরিকা ফার্স্ট” কে অগ্রাধিকার দেয়।

এই ধরনের  একটি যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বব্যাপী ড্রপআউট হবে না। কিছু বিষয়েএটি আগের চেয়ে আরও আক্রমণাত্মক হতে পারে। কিন্তু এটি বিশ্বব্যাপী নিয়ম রক্ষাজনসাধারণের পণ্য সরবরাহ এবং দূরবর্তী মিত্রদের সুরক্ষার বিষয়ে অনেক কম চিন্তিত হবে। এর বিদেশ নীতি কম নীতিগতআরও শূন্য-সমন্বয়মূলক হয়ে উঠবে। সবচেয়ে ব্যাপকভাবেএই সংস্করণের যুক্তরাষ্ট্র অসামান্য দায়িত্বের নৈতিকতা ছাড়া অসামান্য ক্ষমতা প্রয়োগ করবেতাই এটি উদারতন্ত্র  প্রতিষ্ঠার বাস্তব কিন্তু বিস্তৃত সুবিধার সাধনায় অসম বোঝা বহন করতে অস্বীকার করবে।


ফলাফলগুলি সুন্দর হবে না। একটি আরও সাধারণ মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি এমন একটি বিশ্ব তৈরি করবে যা আরও সাধারণ হবেঅর্থাৎআরও নির্মম এবং বিশৃঙ্খল। একটি “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতি অবশ্যই পৃথিবীতে ইউক্রেনের ওপর যেমন স্বৈরাচারী আগ্রাসনহয়েছে এমন আগ্রাসন গুলোকে সহজ করবে। অন্যান্য গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলির জন্য নিরাপত্তাহীন পৃথিবী তৈরি করবে।  এ ধরনের বিশৃঙ্খলা মুক্ত করার জন্যে দীর্ঘদিন ধরে যে  মার্কিন আধিপত্য আছে তা নষ্ট হয়ে যাবে

বে যুক্তরাষ্ট্র নিজের জন্যে খুব একটা খারাপ হবে না। অবশ্য এ সত্য যে অনেক নতুন গণতান্ত্রিক বা উদার  রাষ্ট্র  তাদের গণতন্ত্র হারাবে বা ভেঙ্গে পড়বে তবে এই ভেঙ্গে পড়া গুলো বা যদি সত্যিই ভেঙ্গে পড়েআমেরিকানরা তার সর্বশেষ অবধি লক্ষ্য করবে। “আমেরিকা ফার্স্ট”অবশ্যই অনেক আমেরিকানকে প্রলুব্ধ করবে। তবে এর জন্যে আমেরিকানদের মূল্য দিতে হবে

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024