বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন

এ আই কি অভিনয়, পর্দা ও মঞ্চকে কি বদলে দেবে?

  • Update Time : শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪, ৪.২০ পিএম

একটা সময় দুটো বিষয় খুব কাজ করতো হয় একটি জনপ্রিয় জুটি না হয় নতুন মুখ।

জনপ্রিয় জুটির প্রতি মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে না তারপরেও কোন এক সময়ে একটা এক ঘেয়েমি এসে যায়। আবার নতুন প্রজম্মও আসে। তারা ঠিক নায়ক নায়িকাদের তাদের নায়ক নায়িকা মনে করতে পারে না।

এ সময়ে নতুন দর্শকের কথা চিন্তা করে অনেক প্রয়োজক নতুন মুখ নিয়ে আসেন।

সব নতুন মুখ যে সব সময় নতুন জুটি তৈরি করতে পেরেছে তা নয়। আবার নতুন জুটিকে দেখা যায় তারাও একটি গন্ডির মধ্যে পড়ে যায়। গন্ডিকে ভেঙ্গে বের হয়ে আসতে পারে না।

যেমন কোন কোন জুটি নাগরিক জীবনে সীমাবদ্ধ থাকে আবার কোন কোন জুটি বা নতুন মুখ ওই অর্থে ঠিক নাগরিক জীবনে প্রবেশ করতে পারে না।

তবে কখনও কখনও গ্রামীন জীবন বা নাগরিক জীবনের বাইরে অন্য কোন ধরনের জীবনে সে অপ্রতিদ্বন্ধি হয়ে ওঠে।

আবার এই দুই গন্ডিকে ভেঙ্গে ফেলে কেউ কেউ অভিনয়ের জোরে।  এ ক্ষেত্রে এ উপমহাদেশে মনে হয় প্রথম নাম আসবে নাসিরুদ্দিন শাহ ও শাবনা আজমির।

এই দুই জন অভিনেতা ও অভিনেত্রী যখন যে জীবনে গেছেন তখন তারা শতভাগ ওই জীবনের মানুষ হিসেবে অভিনয় করেছেন।

বর্তমানে, ইউরোপ, আমেরিকা, আফ্রিকা এমনকি দক্ষিন পূর্ব এশিয়াতে এমন অভিনেতা ও অভিনেত্রী প্রচুর্।

কারণ, এখন ডিজিটালাইজেশানের ফলে প্লাটফর্ম এত বেড়ে গেছে যে এখন আর পর্দা শুধু একটি বা দুটি মাধ্যমে সীমাবদ্ধ নেই। তাই এখানে জুটি হবার বা কোন একজন দুজন অভিনেতা একটি যুগ ধরে রাখবে এমন সুযোগ নেই।

এ কারণে এখন অভিনয় দিয়েই একজন অভিনেতা বা অভিনেত্রীকে দর্শকের কাছে যেতে হচ্ছে।

অন্যদিকে মানুষের রুচিও চিন্তার জগতও বদলে গেছে। একটা সময় ছিলো যখন মানুষ অভিনেতা ও অভিনেত্রীকে ভিন্ন জগতের মানুষ হিসেবে দেখতে চাইতো। তারা সিনেমা বা নাটকের গল্পগুলোও তাদের জগত থেকে ভিন্ন হোক এমনটিই মনে করতো।

এখন মানুষ তাদের নিজের গল্পগুলো চায়। আবার এর পাশাপাশি তাদের সেই জগতের গল্পগুলো চায় যে জগত তার পূ্র্ব পুরুষরা বাস্তবে পার করে এসেছে। সেখানে কোন অসত্য নেই,  কল্পনা আছে তবে সেটা বাস্তবের অনেক বেশি মাটিতে দাড়িয়ে। আর যে মানুষগুলোকে তারা পর্দায় দেখতে চায় তারা যেন তাদের চারপাশের মানুষ হয়।

এই সময়টা আসলে অভিনয় জগতের জন্যে সত্যি এক কঠিন সময়। কিন্তু এটা পরিবর্তনের সময়।

পর্দা বা মঞ্চ দীর্ঘ সময় পার করে এসেছে। এর ভেতর মঞ্চ পার করেছে হাজার হাজার বছরের বেশি সময়। সে পথে নানান পরিবর্তন আছে।

বর্তমানের ডিজিটাল যুগেও ঠিক একই রকম।

কিন্তু বিষয়টি কি এখানে থেমে থাকবে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স একে কোথায় টেনে নিয়ে যাবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে এটুকু বলা যায় শীঘ্রই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এ জগতে পরিবর্তন আনবে।

–               কালান্তর

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024