সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ০৯:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফেরদৌসের আয়োজনে ‘উচ্ছ্বাসে উৎসবে’ মুগ্ধতা ছড়ালেন তারা ওকে গাইতে দাও (পর্ব-২) বিদেশে শিক্ষা বাণিজ্যে পা রাখার চেষ্টা করছে চায়না সুচিকিৎসা পাচ্ছেন বলেই খালেদা জিয়া এখন পর্য্যন্ত সুস্থ আছেন: আইনমন্ত্রী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরিতে বিসিপিএসকে কার্যকরী ভূমিকা রাখার তাগিদ রাষ্ট্রপতির সরকার বিজ্ঞান-প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে বহুমাত্রিক করেছে : প্রধানমন্ত্রী জনগণের সম্মতি ছাড়া রেল চলালচলের চুক্তি মানিনা – ‘এবি পার্টি’ যুদ্ধ এবং ‘এআই’ বরেন্দ্র এলাকায় পানির হাহাকার: মাটির নিচের পানি কোথায় গেলো? চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে স্পেশাল ট্রেন আরও এক মাস সময় বাড়ালো

বাংলাদেশ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আইএলওর গভর্নিং বডির সদস্য নির্বাচিত

  • Update Time : শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪, ১০.৪৭ এএম

সারাক্ষণ ডেস্ক

প্রথম আলোর একটি শিরোনাম “বাংলাদেশ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আইএলওর গভর্নিং বডির সদস্য নির্বাচিত”

বাংলাদেশ ২০২৪-২৭ মেয়াদের জন্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গভর্নিং বডির সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। আজ শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ১১২তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বাংলাদেশ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংস্থাটির গভর্নিং বডির সদস্য নির্বাচিত হয়।

আইএলওর পরিচালনা পর্ষদ ও নীতিনির্ধারণী ফোরাম গভর্নিং বডিতে ২৮টি সদস্যপদ রয়েছে। এর মধ্যে ১০টি উচ্চ শিল্প গুরুত্বসম্পন্ন দেশের জন্য সংরক্ষিত। বাকি ১৮টি পদের জন্য সংস্থাটির ১৭৭টি দেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে থাকে।

আন্তর্জাতিক সংস্থাটির গভর্নিং বডিতে দক্ষিণ-মধ্য এশিয়ার সাতটি দেশের জন্য একটিমাত্র সদস্যপদ বরাদ্দ রয়েছে। ফলে এই অঞ্চলের সদস্য নির্বাচনে সাধারণত তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়ে থাকে। তবে আজকের নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে অন্যান্য সদস্যপদপ্রত্যাশী দেশগুলোর সঙ্গে সমঝোতা করে।

এবার এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে মোট ৪টি দেশ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। এর আগে বাংলাদেশ ১৯৯৬-৯৯ ও ২০০৮-১১ মেয়াদে সংস্থাটির গভর্নিং বডির সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল। এই সদস্যপদ লাভের ফলে বাংলাদেশ সংস্থাটির নীতিনির্ধারণ ও পরিচালনায় কার্যকর অবদান রাখতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। তা ছাড়া সংস্থাটির ত্রিপক্ষীয় অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করারও সুযোগ পাবে।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী আজ সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সম্মেলনস্থলে উপস্থিত ছিলেন। কূটনৈতিক সাফল্যের জন্য বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন জেনেভা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

যুগান্তর এর একটি শিরোনাম “গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি”

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বর্বর হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আরও ২২১ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।

শুক্রবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে এসব কথা জানিয়েছে। খবর আনাদোলুর।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলের হামলায় ৭৭ জন নিহত এবং আরও ২২১ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকে আছেন কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সত্ত্বেও ইসরাইল অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে।

এছাড়া গত অক্টোবর থেকে চলা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৮৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের চলমান আক্রমণে নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা কমপক্ষে ৩৬ হাজার ৭৩১ জনে পৌঁছেছে বলে শুক্রবার অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, হামলায় আরও ৮৩ হাজার ৫৩০ জন আহত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরাইল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরাইলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

এছাড়া ইসরাইলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

মূলত ইসরাইলি আক্রমণ গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। জাতিসংঘের মতে, ইসরাইলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন।

এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরাইল ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।

 

 

প্রথম আলোর আরো একটি শিরোনাম “খেলাপি ঋণ ‘মোটাতাজাকরণ’ কর্মসূচির সাফল্যে অভিনন্দন”

গত ১৫ বছরে ঋণখেলাপি ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের একের পর এক ছাড় দেওয়া হয়েছে। ২০০৯ সালের পর প্রথমেই খেলাপি ঋণের সংজ্ঞা শিথিল করে তিন মাস সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়। ২০১৫ সালে ঋণ পুনর্গঠনের নামে দেওয়া হয় খেলাপিদের বিশেষ সুবিধা। ঋণ অবলোপনের ক্ষেত্রেও দেওয়া হয় বিশেষ ছাড়। ২০১৯ সালে ২ শতাংশ কিস্তি দিয়ে ঋণ নিয়মিত করার বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়।

এরপর করোনা শুরু হলে সব ধরনের ঋণগ্রহীতার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ পরিশোধ না করার সুবিধা দেয়। এ সময় কিছু ভালো ঋণগ্রহীতাও ঋণ পরিশোধে অনাগ্রহী হয়ে ওঠেন। বর্তমান গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পান ২০২২ সালের জুলাই মাসে। এসেই তিনি ঋণখেলাপিদের গণ ছাড় দিয়ে নতুন এক নীতিমালা জারি করেন। নতুন নীতিমালায় আড়াই থেকে সাড়ে ৬ শতাংশ অর্থ জমা দিয়ে খেলাপি ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ দেওয়া হয়। আগে খেলাপি ঋণ নিয়মিত করতে জমা দিতে হতো ১০ থেকে ৩০ শতাংশ অর্থ। এর পাশাপাশি খেলাপি ঋণ পাঁচ থেকে আট বছরে পরিশোধের সুযোগ রাখা হয়। আগে এসব ঋণ শোধ করতে সর্বোচ্চ দুই বছর সময় দেওয়া হতো।

নতুন নীতিমালায় খেলাপি ঋণের সুবিধা প্রদান ও পুনঃ তফসিলের ক্ষমতাও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের হাতে ছেড়ে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর ফলে ব্যাংকমালিকেরাই ঠিক করছেন কোন ঋণ পুনঃ তফসিল সুবিধা পাবে। আগে ঋণ পুনঃ তফসিলের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন লাগত। এর ফলে খেলাপি ঋণ আড়াল করার সুযোগ আরও বেড়েছে।

 

যুগান্তর এর একটি শিরোনাম “রোমাঞ্চকর জয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের”

শ্রীলংকার বিপক্ষে ১১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭৩ রানে ৩ উইকেট। জয় পেতে তখনও ৫৪ বলে ৫২ রান করতে হবে বাংলাদেশকে। এমন উইকেটে খুব একটা সহজ নয় এই কাজ। কেননা, খানিক আগেই শেষ ৩৬ বলে মোটে ২৪ রান তুলতে পেরেছিল লংকানরা। তাই শঙ্কা ছিলই। তবে সেই শঙ্কা দূর করার দায়িত্বটা কাঁধে তুলে নিলেন তাওহীদ হৃদয়। ইনিংসের ১২তম ওভারে লংকান অধিনায়ক ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্কাকে টানা তিনটি ছক্কা হাঁকালেন পরপর। চতুর্থ বলেই একই কাজ করতে গিয়ে বল মিস করলেন হৃদয়। লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফিরতে হলো তাকে। তবে ফেরার আগে ঠিকই ২০ বলে ৪০ রান করে দিয়ে গেছেন এমন উইকেটে। তাতেই জয়ের সুবাস পেয়ে যায় বাংলাদেশ।

এরপর মাঝে লিটন ও সাকিব দ্রুত ফিরলে খানিকটা শঙ্কাও জাগে হারের। তবে সেই শঙ্কা আরও ঝেঁকে বসে মাহমুদউল্লাহকে রেখে পরপর রিশাদ ও তাসকিন ফিরলে। মনে হচ্ছিল মাহমুদউল্লাহ সুযোগ পাবেন তো শেষ পর্যন্ত। অবশেষে সুযোগটা পান তিনি। দাসুন শানাকার ১৯তম ওভারের প্রথম বলেই হাঁকান ছক্কা। দূর হয় সব শঙ্কা। বাংলাদেশ ম্যাচ জেতে ৬ বল ও ২ উইকেট হাতে রেখে। তাতে জয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু হয় নাজমুল শান্তর দলের।

এদিন বাংলাদেশের জয়ের রাস্তাটা প্রশস্ত করে দিয়ে গিয়েছিল বোলাররাই। ১৪ ওভারে দলীয় শত রান করা লংকানদের শেষ ৬ ওভারে আটকে দিয়েছিল মাত্র ২৪ রানে। তাতে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২৫ রানের। টি টোয়েন্টিতে যে কোনো উইকেটেই যা অতি মামুলি। তবে সেই টার্গেটটাই কঠিন করে তুলেছিল বাংলাদেশে টপ অর্ডার ব্যাটাররা। পাওয়ার প্লের আগেই ২৮ রানে খুইয়ে ফেলেছিল ৩ উইকেট। তাতে খানিকটা শঙ্কাও উঁকি দিচ্ছিল হারের। তবে সেই শঙ্কা দায়িত্ব নিয়েই দূর করে গেছেন লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়। চতুর্থ উইকেট জুটিতে দু’জনে মিলে জমা করেছেন ৬৩ রান।

এরপর অতি আগ্রাসী হতে গিয়ে হাসারাঙ্গার বলে ২০ বলে ৪০ রান করে ফিরতে হয় হৃদয়কে। এরপর লিটন ফিরে যান ৩৮ বলে ৩৬ রান করে। খানকি পর ১৪ বলে ৮ রান করে সাজঘরে ফিরে যান সাকিবও। তাতেই শঙ্কায় পড়ে যায় বাংলাদেশের জয়। এরপর তুষারার পরপর দুই বলে রিশাদ ও তাসকিন ফিরলে সেই শঙ্কা আরও বাড়ে। তবে দায়িত্ব নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। খেলেছেন ১৩ বলে ১৬ রানের হার না মানা এক ইনিংস।

এর আগে, টসে জিতে শ্রীলংকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। শুরুতে বাংলাদেশি বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে রানের চাকা সচল রেখেছিলেন দলটির ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা। যদিও অপর প্রান্ত থেকে নিয়মিত উইকেট পড়ছিল। এরপরও বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে ফেলেছিল শ্রীলংকা। ১৪ ওভারেই ছুঁয়েছিল দলীয় শত রান।

তবে নিশাঙ্কা ২৮ বলে ৪৭ রান করে ফিরলে বাকিরা হাঁটতে পারেনি তার দেখানো পথে। মাঝে উইকেটে ধনঞ্জয়া ও আসালাঙ্কা জমে উঠার চেষ্টা চালিয়েছেন মাত্র। তাতে অবশ্য খানিকটা ভয় ঝেঁকে বসেছিল বাংলাদেশের। তবে সেই ভয় দূর করেছেন রিশাদ। ১৬তম ওভারে এসে পরপর ফিরিয়েছেন আসালাঙ্কা ও হাসারাঙ্কাকে। তাতেই বড় সংগ্রহের স্বপ্নটা শেষ শ্রীলংকার। বাংলাদেশের বিপক্ষে শেষ পর্যন্ত লংকানদের ইনিংস থামে ৯ উইকেটে ১২৪ রানে।

বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ ও রিশাদ। মুস্তাফিজ ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৭ রান খরচায় তুলেছেন ৩ উইকেট। অন্যদিকে ২২ রান খরচায় রিশাদের শিকার ৩ উইকেট। ২ উইকেট নিয়েছেন তাসকিন।

 

 

ইত্তেফাকের একটি শিরোনাম “নয়াদিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী”

ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নয়াদিল্লির উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

শনিবার (৮ জুন) সকাল সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি। মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে ১০ জুন দুপুরে দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে বুধবার টেলিফোনে আলাপকালে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানান নরেন্দ্র মোদি। শেখ হাসিনা এই আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেন।

আগামী ৯ জুন নরেন্দ্র মোদির শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ২৯৩টি এবং ইন্ডিয়া জোট ২৩৩টি আসনে জিতেছে।

 

 

বণিক বার্তার একটি শিরোনাম “সৌদি পৌঁছেছেন ৬৯,৯৫৪ হজযাত্রী”

পবিত্র হজ পালন করতে গতকাল দিবাগত রাতপর্যন্ত সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৬৯ হাজার ৯৫৪ হজযাত্রী। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৫০ ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৪ হাজার ৪০৪ জন হজযাত্রী পৌঁছেছেন।মোট ১৭৯টি ফ্লাইটে তারা সৌদিতে পৌঁছান।

শনিবার (৮ জুন) হজ সম্পর্কিত সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এয়ারলাইন্স, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্পডেস্ক।

তথ্যমতে, এ পর্যন্ত মোট ১৭৯টি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৯৪টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৫৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২৬টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। গতকাল পর্যন্ত মোট ফ্লাইটের ৮৪ দশমিক ৩ শতাংশ, আর মোট হজযাত্রীদের মধ্যে ৮৩ শতাংশ সৌদি পৌঁছেছেন।

এদিকে হজ পালন করেতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ১২ জন মারা গেছেন। সর্বশেষ ৬ জুন মক্কায় শেখ আরিফুল ইসলাম (৫৭) নামে একজন মারা যান। মারা যাওয়া হজযাত্রীদের মধ্যে মক্কায় ৯ এবং মদিনায় তিনজন। চলতি হজ মৌসুমে সৌদি আরবে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে গত ১৫ মে মো. আসাদুজ্জামান নামে এক হজযাত্রী মারা যান।

সৌদি আরবে পবিত্র ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৬ জুন।

 

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024