সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফেরদৌসের আয়োজনে ‘উচ্ছ্বাসে উৎসবে’ মুগ্ধতা ছড়ালেন তারা ওকে গাইতে দাও (পর্ব-২) বিদেশে শিক্ষা বাণিজ্যে পা রাখার চেষ্টা করছে চায়না সুচিকিৎসা পাচ্ছেন বলেই খালেদা জিয়া এখন পর্য্যন্ত সুস্থ আছেন: আইনমন্ত্রী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরিতে বিসিপিএসকে কার্যকরী ভূমিকা রাখার তাগিদ রাষ্ট্রপতির সরকার বিজ্ঞান-প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে বহুমাত্রিক করেছে : প্রধানমন্ত্রী জনগণের সম্মতি ছাড়া রেল চলালচলের চুক্তি মানিনা – ‘এবি পার্টি’ যুদ্ধ এবং ‘এআই’ বরেন্দ্র এলাকায় পানির হাহাকার: মাটির নিচের পানি কোথায় গেলো? চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে স্পেশাল ট্রেন আরও এক মাস সময় বাড়ালো

ইকবাল সিদ্দিকী এডুকেশন সোসাইট’র ফল উৎসব-১৪৩১

  • Update Time : শনিবার, ৮ জুন, ২০২৪, ৪.৪৭ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক

গাজীপুর সদর উপজেলাধীন ইকবাল সিদ্দিকী এডুকেশন সোসাইটি পরিচালিত ইকবাল সিদ্দিকী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কচি-কাঁচা একাডেমি এবং নয়নপুর এন এস আদর্শ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে উদযাপন করা হয় ফল উৎসব ১৪৩১।

 

নানান প্রজাতির দেশি ফলের সাথে পরিচয় ও ফলের বিভিন্ন উপকারিতা শিক্ষার্থীদের জানানোর উদ্দেশ্যে পঞ্চমবারের মতো উদযাপিত হলো এই ফল উৎসব। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে যখন জনজীবন অতিষ্ঠ, ঠিক তখনই প্রশান্তি ও সুখের পরশ নিয়ে প্রকৃতিতে হাজির হয় মধুমাস জ্যৈষ্ঠ।

 

 

এ সময় বাহারি রং-বেরঙের  মিষ্টি ও সুস্বাদু ফল পাওয়া যায়। দেশি নানান প্রজাতির ফলে সুশোভিত হয় চারিদিক। সব ফলের মধ্যেই পানির পরিমাণ বেশি থাকে।সেই কারণে গরমের সময় শরীরের পানিশূন্যতা পূরণে ফল দারুণভাবে সহায়তা করে। ফলের মধ্যে প্রচুর খাদ্যশক্তি থাকে, যা শরীরের ভেতর থেকে ক্ষতিকর চর্বি বের করে দেয়, তাই ফল সবার জন্য ভীষণ উপকারী। পুষ্টি ও খাদ্যমানের দিক থেকেও সব ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং খনিজ পদার্থ থাকে।

 

 

সকালে উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন ইকবাল সিদ্দিকী স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি জনাব আব্দুর রহমান।  এসময় উপস্থিত ছিলেন ইকবাল সিদ্দিকিী কলেজের অধ্যক্ষ জনাব মো. মনোয়ার হোসেন, ইকবাল সিদ্দিকী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক জনাব সিরজুল হক,প্রশাসনিক কর্মকর্তা জনাব এস এম মিজানুর রহমান ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ।

 

 

ফল উৎসবে  আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা, কলা, জামরুল, ডেউয়া, ডেফল, করমচা, তেঁতুল, লটকন,  আনারস, পেঁপে, আঁখ, তাল, বেল, লেবু, খেজুর, বাঙ্গি, জাম্বুরা, অরবরই, আঙুর, ডাব, ডালিম, কামরাঙা, সফেদা, কমলা, মালটা, আপেল, দাতই, বিলম্ব, আঁতা, চালতা, গাব, চেরি, কাঠ বাদাম, ফেলা ফল, চাম্বল কাঁঠাল, কদবেল, আতা, আমড়া, আমলকি, জলপাই, হরতকি, তরমুজ, বরই ও ড্রাগন ফলসহ ৪৯ প্রজাতির ফল প্রদর্শনীর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ফল কেটে খাওয়ানো হয়।

 

বর্ণিল এই আয়োজনে অনুষ্ঠান সভাপতি জনাব আব্দুর রহমান বলেন, ‘বিদেশি ফল খাওয়ার উপর আগ্রহ কমিয়ে, দেশিয় ফল খাওয়ার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করতে হবে কারণ দেশিয় ফলে রয়েছে ভীষণ উপকারী পুষ্টিগুণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। তাই শিক্ষার্থীদের বাড়িতে প্রতিদিন একাধিক ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।” ইকবাল সিদ্দিকী এডুকেশন সোসাইটি প্রতিবছর মৌসুমি ফল উৎসবের আয়োজন করে আসছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024