বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন

‘কত টাকা মুক্তিপণে বাঁচবে ২৩ জীবন’

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৪, ৭.২১ পিএম

সারাক্ষণ ডেস্ক

দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকার একটি শিরোনাম ‘Nigerian gunmen demand $621,848 ransom for 287 abducted school children’.

খবরে বলা হচ্ছে, নাইজেরিয়ায় ২৮৭ শিশু শিক্ষার্থীকে অপহরণের ঘটনায় স্থানীয় মুদ্রায় ১০০ কোটি নাইরা (৬ লাখ ২১ হাজার ৮৪৮ ডলার) মুক্তিপণ দাবি করেছে অপহরণকারীরা। তিন সপ্তাহের মধ্যে এই অর্থ না দেওয়া হলে সবাইকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। গত ৭ মার্চ নাইজেরিয়ার কাদুনা রাজ্যের চিকুন জেলার কুরিগা গ্রামের একটি স্কুলে হামলা চালায় অস্ত্রধারীরা। এ সময় তিন শতাধিক শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে এখনও ২৮৭ শিশু অপহরণকারীদের হাতে জিম্মি রয়েছে।
এ ঘটনায় কাদুনার গভর্নর উবা সানি এক বিবৃতিতে বলেন, অপহৃত শিক্ষার্থীদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে যথাসাধ্য চেষ্টা করছে সরকার। হামলার সময় অপহরণকারীদের প্রতিহত করতে চাইলে স্থানীয় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে জানান গভর্নর।কুরিগা গ্রামের বাসিন্দা আমিনু জিব্রিল সিএনএনকে বলেন, ‘অপহরণকারীরা গত মঙ্গলবার বিকেলে একটি গোপন নম্বর থেকে ফোন করে এবং শিক্ষার্থীদের মুক্তিপণ হিসেবে ১০০ কোটি নাইরা দাবি করে। অপহরণের দিন থেকে তিন সপ্তাহের আল্টিমেটামও দিয়েছে। যদি এর মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে জিম্মি সবাইকে হত্যা করবে।’অপহরণকারীরা আরও বলেছে, এই অপহরণ তাদের গ্যাংয়ের সদস্যদের হত্যা করায় সরকার ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর জন্য পাল্টা জবাব। গত বৃহস্পতিবার সকালে কুরিগা গ্রামের এলইএ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হামলা চালায় মোটরসাইকেলআরোহী সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা। এসময় তিন শতাধিক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে যায়। পরে কয়েকজনকে উদ্ধার করা হলেও ২৮৭ জন শিক্ষার্থী অপহরণকারীদের কাছে রয়ে গেছে। তাদের মধ্যে প্রায় ১০০ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এবং বাকিরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। নাইজেরিয়ার রাজধানী আবুজার দক্ষিণ পশ্চিম সীমান্তবর্তী রাজ্য কাদুনা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেখানে বেশ কয়েকটি গণঅপহরণের ঘটনা ঘটেছে।

দৈনিক যুগান্তরের অন্যতম শিরোনাম ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বারো শিশুসহ ৩৪’
প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সিলিন্ডারের গ্যাসে আগুন লেগে শিশুসহ ৩৪ জন দগ্ধ হয়েছেন। বুধবার বিকালে উপজেলার মৌচাক ইউনিয়নের তেলিরচালা টপ স্টার খারখানার পাশের একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাদের ঢাকায় শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। ভর্তি অধিকাংশ রোগীর ৩৫ থেকে ৯৮ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের কেউ শঙ্কামূক্ত নন। এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তেলিরচালা টপ স্টার কারখানার পাশে ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম জমি ইজারা নিয়ে কলোনি তৈরি করে ভাড়া দিয়েছেন। কলোনির একটি বাড়িতে থাকা সিলিন্ডারের গ্যাস শেষ হয়ে গেলে সফিকুল ইসলাম নিজেই দোকান থেকে একটি সিলিন্ডার কিনে আনেন। সেই সিলিন্ডারটি সংযোগ দেওয়ার সময় এর চাবি খুলে যায়। এ সময় পাশের চুলা থেকে সিলিন্ডারের বের হওয়া গ্যাসে আগুন ধরে যায়। তখন শফিকুল সিলিন্ডারটি ছুড়ে মারেন। এ সময় উৎসুক নারী, পুরুষ ও শিশুদের শরীরে আগুন লেগে যায়। এতে অনেকে দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে। আশপাশের লোকজন উদ্ধার করে প্রথমে তাদের কোনাবাড়ী এলাকার কয়েকটি হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়। স্বজনরা হাসপাতালে ছুটে গেছেন। সেখানে তাদের আহাজারি চলছে।

 

বাংলাদেশে কোটিপতির সংখ্যাবৃদ্ধি নিয়ে পত্রিকাটির প্রথম পাতায় দৈনিক নয়াদিগন্ত’র শিরোনাম, ‘ব্যাংকের ৩০ ভাগ আমানত কোটিপতিদের দখলে’।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে পাওয়া তথ্য তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশে অস্বাভাবিক হারে কোটিপতির সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে গত দেড় দশকে (২০০৯-২০২৩) কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে প্রায় এক লাখ। ২০০৮ সালের ডিসেম্বর শেষে এর সংখ্যা ছিল ১৯ হাজার। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর শেষে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় এক লাখ ১৭ হাজার। এ সময়ে দেশে কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে প্রায় এক লাখ, যা শতকরা হিসাবে ৫১৫ ভাগ। গত তিন মাসেই কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার। গত সেপ্টেম্বর শেষে এ সংখ্যা ছিল এক লাখ ১৩ হাজার ৫৮৬ জন। এ কোটিপতিদের ব্যাংক হিসাবে টাকার পরিমাণ ৫ লাখ ১৭ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা। আর এ অর্থ ব্যাংকের মোট ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৩২ কোটি টাকা আমানতের প্রায় ৩০ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বিভিন্ন আকারের আমানতের হিসাব নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বশেষ প্রতিবেদন তৈরি করেছে গত ডিসেম্বরভিত্তিক পরিসংখ্যান নিয়ে। ওই পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, ব্যাংকিং খাতে শুধু এক কোটি এক টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকার ওপরে মজুদ রয়েছে এমন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯২ হাজার ৫১৬টি। এসব অ্যাকাউন্টের বিপরীতে অর্থ মজুদ রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৯৪ হাজার ৩৩৬ কোটি টাকা। আর ৭৫ লাখ টাকা থেকে এক কোটি টাকা পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট আছে আরো ৭৭ হাজার ৫১৬টি। এর বিপরীতে অর্থমজুদ রয়েছে প্রায় ৬৯ হাজার কোটি টাকা। ১২ হাজার ৬৫২টি অ্যাকাউন্ট রয়েছে ৫ কোটি টাকা থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত হিসাবধারীদের। তাদের অ্যাকাউন্টে মোট টাকা রয়েছে প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকিং খাতে ১০ কোটি টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা পর্যন্ত এমন অ্যাকাউন্টধারী রয়েছে চার হাজার ৮২ জন। যাদের আকাউন্টে টাকা রয়েছে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। আবার ১৫ কোটি টাকা থেকে ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট রয়েছে দুই হাজার দুইটি। যাদের অ্যাকাউন্টে রয়েছে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা। ২০ কোটি টাকা থেকে ২৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট রয়েছে এক হাজার ৩৪৫টি। তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা রয়েছে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি টাকা রয়েছে ৫০ কোটি টাকার ওপরে হিসাবধারীদের। তাদের অ্যাকাউন্ট রয়েছে এক হাজার ৮১২টি। এর বিপরীতে অর্থ মজুদ রয়েছে দুই লাখ ৫৩ হাজার ৭ কোটি টাকা।

 

সোমালিয়ার জলদস্যুদের বাংলাদেশি নাবিকদের জিম্মি হওয়ার ঘটনা নিয়ে সমকালের শিরোনাম, ‘কত টাকা মুক্তিপণে বাঁচবে ২৩ জীবন’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘টাকা না দিলে এক এক করে সবাইকে মেরে ফেলা হবে– এ খবরটা সবাইকে পৌঁছে দিও।’ সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর কাছে পাঠানো সবশেষ অডিও বার্তায় মঙ্গলবার রাতে এমনটিই বলেছেন ‘এমভি আবদুল্লাহ’ জাহাজের প্রধান কর্মকর্তা মো. আতিক উল্লাহ খান। তাঁর এই বার্তার সত্যতা পেয়েছে জাহাজটির মালিকপক্ষ কেএসআরএম গ্রুপও। তারা মনে করছে, টাকা ছাড়া নাবিকদের মুক্তি মিলবে না। তাই মুক্তিপণ দেওয়ার পথেই হাঁটছে তারা। তবে মুক্তিপণ কত? কোন প্রক্রিয়া বা কার মাধ্যমে দেওয়া হবে টাকা– এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা চলছে। ১৪ বছর আগে একই মালিকের আরেকটি জাহাজ ‘এমভি জাহান মণি’ একইভাবে সোমালিয়ার জলদস্যুর কবলে পড়েছিল। সে সময়ও মুক্তিপণ দিয়ে ২৫ নাবিক-ক্রুকে ছাড়িয়ে এনেছিল কেএসআরএম। সেবার ১০০ কোটি টাকার বেশি মুক্তিপণ চেয়েছিল দস্যু দল। তবে সমঝোতা করে টাকার অঙ্ক অনেক কমানো হয়েছিল। ঠিক কত টাকা মুক্তিপণ দিয়ে সে সময় বিষয়টির দফারফা করা হয়, তা গতকালও স্বীকার করেনি কর্তৃপক্ষ। এবারও তারা বলছে না মুক্তিপণের অঙ্ক। জলদস্যু দলের কারও সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে কিনা, তাও স্বীকার করছে না জাহাজ মালিকপক্ষ। ২০১০ সালের ৫ ডিসেম্বর ছিনতাই করা জাহাজটি মুক্ত করতে সোমালিয়ার জলদস্যুরা সময় নিয়েছিল তিন মাস। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টার দিকে ‘এমভি আবদুল্লাহ’ জাহাজটি নিয়ন্ত্রণে নেয় সোমালিয়ার জলদস্যুরা। জাহাজে থাকা ২৩ নাবিক-ক্রুকে জিম্মি করা হয়। জাহাজটি যাচ্ছিল মোজাম্বিক থেকে দুবাই। জাহাজটি পরিচালনা করছে গ্রুপটির সহযোগী সংস্থা এসআর শিপিং লিমিটেড। জাহাজটিতে ৫৫ হাজার টন কয়লা রয়েছে। এদিকে জলদস্যু দলের কবজায় থাকা জাহাজের ২৩ নাবিক-ক্রুর পরিবার ও স্বজন রয়েছেন উৎকণ্ঠায়। জিম্মিদের দস্যুর কবল থেকে ছাড়িয়ে আনতে উদ্বিগ্ন স্বজন সরকার ও জাহাজ মালিকের দিকে চেয়ে আছেন। অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ২৩ নাবিক-ক্রুর জিম্মিদশা থেকে মুক্তির পথ তৈরি করছে কেএসআরএম কর্তৃপক্ষ। মুক্তিপণের টাকা ও প্রক্রিয়া নিয়ে এবার আগ বাড়িয়ে কোনো তথ্য দিচ্ছে না তারা। এ ব্যাপারে কেএসআরএম গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহান রাহাত বলেন, ‘কৌশলগত কারণে আমরা মুক্তিপণের অঙ্ক কাউকে প্রকাশ করি না। আগে করিনি, এবারও করব না। আমাদের মূল উদ্দেশ্য সব নাবিক ও ক্রুকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনা। মুক্তিপণ নিয়ে দয়া করে আমাকে কোনো প্রশ্ন করবেন না।’

জলদস্যু কবলিত বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আব্দুল্লাহর অবস্থান নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম Hijacked ship sailing fast to Somali shores

বাংলাদেশ মার্চেন্ট মেরিন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএমওএ) বুধবার রাতে জাহাজটির গতিবিধি সম্পর্কে যে তথ্য দিয়েছে তার ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি করা হয়েছে।তাদের তথ্য অনুযায়ী, এমভি আব্দুল্লাহ বুধবার সন্ধ্যায় সোমালিয়ার উপকূল থেকে প্রায় ১৭০ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থান করছিল।জাহাজটিকে প্রায় ৫ থেকে ১১ নটিক্যাল মাইল গতিতে সোমালিয়ার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল দস্যুরা। পরবর্তীতে এর গতি বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএমএমওএ।তারা একটি আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানি থেকে জাহাজের সর্বশেষ অবস্থানের ছবি পেয়েছে।ছবিতে দেখা গেছে, জাহাজটি সোমালিয়ার গারাকাদ বন্দরের দিকে যাচ্ছে। গত ৫ ঘণ্টায় জাহাজের গতি বেড়েছে। সম্ভবত জোয়ারের কারণে গতি বেড়েছে।অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘জাহাজের বর্তমান গতি প্রায় ১৪ নটিক্যাল মাইল। এ গতিতে চললে জাহাজটি আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে সোমালিয়ায় নোঙর করবে।’

 

অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিতে অভিযান ও সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোর তদন্তের অবস্থা নিয়ে দৈনিক প্রথম আলোর শিরোনাম, ‘বিচ্ছিন্ন অভিযান, তদন্ত গতিহীন’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যুর পর সরকারি সংস্থাগুলো ‘যে যার মতো’ শত শত রেস্তোরাঁ ও ভবনে অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু সমন্বয়হীন এসব অভিযানের সুফল নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। বেইলি রোডের ভবনটিতে আগুন লাগে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে। ৩ ও ৪ মার্চ শুরু হয় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে অভিযান। দুই সিটির সঙ্গে ছিল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।ডিএমপি এই ১০ দিনে ১ হাজার ১৩২টি রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়েছে। রাজউক ৩৩টি ভবনে অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৪৭ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন দুটি ভবন ও দুটি রেস্তোরাঁ সিলগালা করার পাশাপাশি ৭টি প্রতিষ্ঠানকে ৭ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন জরিমানা করেছে ২২টি প্রতিষ্ঠানকে, পরিমাণ ৬ লাখ ১৮ হাজার টাকা। সরকারি সংস্থাগুলো ‘দায় সারতে’ই অভিযানগুলো চালাচ্ছে বলে মনে করেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আলী আহমেদ খান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, দায়সারা অভিযানে সমস্যার সমাধান হবে না। এটা করতে হবে পরিকল্পিত ও সমন্বিতভাবে। তিনি বলেন, অভিযানের আগে ভবনগুলো কী অবস্থায় আছে, সে বিষয়ে জরিপ করা প্রয়োজন। যেসব ভবনে নিরাপত্তা ঘাটতি রয়েছে, সেসব ভবন কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করার পাশাপাশি নিয়মিত সমন্বিত অভিযান চালাতে হবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024