বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ০১:২২ অপরাহ্ন

যুক্তরাষ্ট্রে ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ, ‘৫৩ বছরে স্বীকৃতি মাত্র ৪৫৫ জনের’

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ, ২০২৪, ৭.০৮ পিএম

সারাক্ষণ ডেস্ক

 

এটি পাকিস্তান টুডে পত্রিকার প্রথম পাতার খবর ‘ PTI demands EU report on Feb 8 polls to be made public’.

এই খবরটি সেই দেশের প্রায় সকল দৈনিকের প্রথম কিংবা শেষ পাতায় প্রাধান্য পেয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পিটিআইর মুখপাত্র রাউফ হাসান ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে ইইউর প্রতিবেদনটি সবার সামনে প্রকাশ করা উচিত।’পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) গত ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিবেদনটিকে জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানিয়েছে। পিটিআইর মুখপাত্র রাউফ হাসান ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে ইইউর প্রতিবেদনটি সবার সামনে প্রকাশ করা উচিত।’

নির্বাচনের আগে ইইউর প্রতিনিধিরা পাকিস্তান সফর করেন। হাসান জানান, এই সংস্থাটি পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের (ইসিপি) কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ‘ইইউর প্রতিবেদন খুবই সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ’, যোগ করেন তিনি। এমন সময় পিটিআইর মুখপাত্র এই দাবি জানালেন, যখন দলটি আবারও নির্বাচনে বড় আকারে কারচুপি ও ভোটের ফল নিয়ে কারসাজির অভিযোগ আনছে। তাদের মতে, গত মাসের সাধারণ নির্বাচনের ইশতেহার ‘চুরি’ করা হয়েছে। এর আগে দলের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান আন্তর্জাতিক মুদ্রা সংস্থার (আইএমএফ) কাছে চিঠি লিখে ইসলামাবাদকে নতুন কোন ঋণের অনুমোদন দেওয়ার আগে নির্বাচনী প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান। ওয়াশিংটন ভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি এই দায়িত্ব এড়িয়েছে। তারা জানিয়েছে, তারা শুধু আর্থিক বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে। অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে তাদের কোনো মন্তব্য নেই। ইইউর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যও নির্বাচনী পরিবেশের ‘সীমাবদ্ধতা’, নির্বাচনে অনিয়ম ও হস্তক্ষেপের অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।

 

‘DeSantis Signs Social Media Bill Barring Accounts for Children Under 14’ এটি দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবর।

এখানে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম (সোশ্যাল মিডিয়া) ব্যবহার নিষিদ্ধ হচ্ছে। সোমবার (২৫ মার্চ) এ সম্পর্কিত একটি বিলে স্বাক্ষর করেছেন রাজ্যটির গভর্নর রন ডিস্যান্টিস। এতে বলা হয়, ১৪ বছরের কম বয়সী কোনো শিশু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। এর পাশাপাশি ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সীদের সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যবহারের জন্য বাবা-মার অনুমতির (প্যারেন্টাল কনসেন্ট) প্রয়োজন হবে। মূলত অনলাইন ঝুঁকি ও মানসিক স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিতের জন্য এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

 

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যের রিপাবলিকান নেতৃত্বাধীন আইনসভা একটি বিল পাস করেছিল, যা ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার থেকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে। তবে সেই বিলে ভেটো দিয়েছিলেন ডিস্যান্টিস। তিনি বলেছিলেন, এই বিল অভিভাবকের অধিকার সীমিত করেছে। বিলের সংশোধিত সংস্করণে ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে অভিভাবকের অনুমতির বিষয়টি উল্লেখ আছে। আগামী ১ জুলাই থেকে আইনটি কার্যকর হবে।

 

 

আজকের পত্রিকার শিরোনাম, ‘৫৩ বছরে স্বীকৃতি মাত্র ৪৫৫ জনের’ শীর্ষক খবরটিতে উঠে এসেছে যে নারী মুক্তিযোদ্ধা হিসাব।

এখন পর্যন্ত গেজেটভুক্ত এক হাজার ১৪৬ জনের মাঝে বীরাঙ্গনা মাত্র ৪৫৫ জন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২ লাখ ২ হাজার ৫৪৮ জন। এর মধ্যে নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা ১ হাজার ১৪৬ জন। তাঁদের মধ্যে কণ্ঠসৈনিক, চিকিৎসক, সেবিকা ও বীরাঙ্গনাও রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বীরাঙ্গনা (পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতনের শিকার) ৪৫৫ জন। বীরাঙ্গনাদের ২০১৫ সালে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেয় সরকার। বিভিন্ন তথ্যমতে, মুক্তিযুদ্ধে দুই লাখ মা-বোন পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসরদের নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। স্বাধীনতার পর তাঁদের বীরাঙ্গনার স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তাঁদের বেশির ভাগই ইতিমধ্যে মারা গেছেন। নির্যাতনের শিকার বেশির ভাগ নারীই লোকলজ্জা ও সমাজের ভয়ে বীরাঙ্গনা তালিকাভুক্ত হতে চাননি। আবার আগ্রহী নারীরাও নানা প্রতিকূলতার কারণে পাননি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, সম্মান। তাঁদেরই কয়েকজন কুসুমকুমারী ব্যানার্জী, লক্ষ্মীপ্রিয়া বৈষ্ণবী, মায়ারানী শব্দকর, ছায়া মালাকার, ময়মনসিংহের জোলেখা খাতুন, মৌলভীবাজারের জয়গুন নাহার। তাঁরা আবেদন করেও এখনো মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাননি।

কুসুমকুমারী ব্যানার্জী আজকের পত্রিকার সঙ্গে আলাপকালে বলেন, সম্মান তো দূরের কথা, মানুষের কটু কথা, অবজ্ঞা, অবহেলায় কেটেছে তাঁর জীবন। যুদ্ধদিনের দুঃসহ স্মৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, একাত্তরে তিনি সিলেটের খাঁন চা-বাগানে সেবিকা ছিলেন। তাঁর বাবা ধনেশ্বর ব্যানার্জী ছিলেন ওই বাগানের পঞ্চায়েত নেতা। একাত্তরে মে মাসের মাঝামাঝি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাঁদের বাড়িতে হানা দিয়ে তাঁকে টেনে নিয়ে যেতে থাকে। তাঁকে ছোটাতে না পেরে তাঁর মা এক পাকিস্তানি সেনাকে বঁটির কোপ দেন। এতে ওই সেনা নিহত হয়। এরপর তাঁর মাকে গুলি করে তাঁকে নিয়ে যায় বাগানের ম্যানেজারের বাংলোয়। সেখানে আটকে রেখে তাঁর ওপর চলে নির্যাতন-নিপীড়ন। একদিন পালিয়ে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তায় ভারতের মেঘালয় রাজ্যের আমতরঙ্গ ক্যাম্পে আশ্রয় নেন। যুদ্ধকালে সেখানেই সেবিকার কাজ করেন। গুলিবিদ্ধ তাঁর মা জলদা ব্যানার্জী পরে মারা যান। ২০১৬ সালে নারী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির তাঁর আবেদনে মন্ত্রী যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুপারিশ করেছিলেন। কিন্তু এখনো স্বীকৃতি পাননি। তাঁর আবেদনে প্রত্যয়ন করা চারজনের মধ্যে একজন বেঁচে আছেন। মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতনের শিকার নারী এবং তাঁদের প্রতিনিধিরা জানান, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া জটিল ও সময়সাপেক্ষ। আবেদনের সঙ্গে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার, মুক্তিযোদ্ধা ও গ্রামের বয়জ্যেষ্ঠ তিনজনের প্রত্যয়নপত্র দিতে হয়। যাচাইয়ের সময় এই প্রত্যয়নকারীদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। কিন্তু এই প্রত্যয়নপত্র ও প্রত্যয়নকারীদের সাক্ষ্য নিয়েই বড় ঝামেলা।

বয়জ্যেষ্ঠ এবং মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধকালে এলাকায় না থাকার অজুহাত দেখিয়ে প্রত্যয়ন করতে চান না। আবার এসব প্রত্যয়ন জোগাড় করে আবেদন করার পর বিভিন্ন দপ্তরে ছোটাছুটি করতে যে শারীরিক ও আর্থিক সক্ষমতা দরকার, তাও বেশির ভাগেরই নেই। আবেদন একবার বাতিল হলে আবার নতুন করে শুরু করতে হয়। গেজেটভুক্তির আবেদন নিষ্পত্তির সময়সীমা বেঁধে দেওয়া না থাকায় বছরের পর বছর অনিষ্পন্ন থাকে। ৮-১০ বছর আগে আবেদন করেও তালিকাভুক্ত হতে না পারা নারীও আছেন।

 

‘বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকা চূড়ান্ত হয়নি ৫৩ বছরেও’, এটি দৈনিক যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম।

 

এতে বলা হয়েছে, বীর মুত্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নে বড় বাধা হচ্ছে যাচাই-বাছাই কমিটি। উপজেলা পর্যায়ে কমিটির বাছাই করা তালিকা অধিকাংশ ক্ষেত্রে নির্ভুল হয় না। ফলে পুনরায় যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হয়। অপরদিকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) উপজেলা কমিটির বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানিতে বিলম্ব করে। এছাড়া সরকার পরিবর্তনের পর তালিকা থেকে বাদ পড়ে অনেকের নাম। যার বা যাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয় তারা প্রতিকারের জন্য উচ্চ আদালতের দারস্থ হয়। আদালতের রায়ে বীর মুক্তিযোদ্ধার নামে তালিকা প্রকাশে নির্দেশনা আসে। তখন আবার তালিকায় সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির নাম সংযোজন করতে হয়। এভাবে ৫৩ বছর ধরে ঝুলছে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়নের কাজ।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম মোজাম্মেল হক যুগান্তরকে বলেন, আমাদের যাচাই-বাছাই যা হওয়ার হয়ে গেছে। তবে কিছু আবেদনের আপিল শুনানি এখনো বাকি রয়েছে।

মামলা বা মুক্তিযোদ্ধাদের বিরোধের কারণে যেসব উপজেলায় যাচাই-বাছাই শেষ হয়নি সে বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, মামলার বিষয়ে উচ্চ আদালতের রায় চূড়ান্ত। যাচাই-বাছাই আর হবে না। তাহলে কবে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা চূড়ান্ত হবে-এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ২ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৩ জনের তালিকা চূড়ান্ত। এর বাইরে আপিল আবেদন থেকে আরও ১০০ জন যোগ হতে পারে। আর বাড়বে না। মামলায় যারা জয়ী হয়ে আসবে তাদেরগুলো কী হবে-এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, আদালতের আদেশ মানতে আমরা আইনগতভাবেই বাধ্য। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকার ২০১৩-২০১৪ অর্থবছর দেশের কোথাও কোনো মুক্তিযোদ্ধা তালিকার বাইরে থেকে গেছে কিনা-তা নিশ্চিত করতে নতুন করে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরির উদ্যোগ নেয়। তখন বাদপড়া মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে অনলাইনে আবেদন আহ্বান করা হয়। ২০১৪ সালের ৩১ অক্টোবর আবেদন গ্রহণ করা হয়। ওই সময় করা আবেদনগুলো ক, খ ও গ তালিকা নাম দিয়ে ২০১৭ সালের ২২ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।

 

 

‘416 factories likely to miss payments’, অর্থাৎ সময় মতো বেতন দিতে পারবে না ৪১৬ কারখানা- এটি দ্য ডেইলি স্টারের শেষ পাতার একটি খবর।

ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের এক হিসেবের ওপর ভিত্তি তৈরি করা এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবার ঈদে দেশের ৪১৬টি কারখানা তাদের শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস ঠিক সময়ে পরিশোধ করতে হিমশিম খেতে পারে।

এক্ষেত্রে এই কারখানাগুলোর মাঝে ১৭১টি কারখানা বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ), ৭১টি বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) ও ২৯টি বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সদস্য।

ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (অপরাধ ও অপারেশন) সানা সামিনুর রহমান বলেন, “মজুরি ও উৎসব ভাতা দিতে দেরি হলে অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে। তাই আমরা কারখানার মালিকদের সতর্ক করে দিয়েছি যে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শ্রমিকদের সময় মতো বেতন দিতে হবে।”

 

‘ব্যাংকের ভল্ট থেকে সোয়া ৫ কোটি টাকা উধাও’, এটি ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর। এই খবরটি আজকের পত্রিকায়ও এসেছে।

এতে বলা হয়েছে যে, সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে জনতা ব্যাংক তামাই শাখা থেকে ৫ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (২৪ মার্চ) রাতে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে বেলকুচি থানা পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন- সিরাজগঞ্জ ধানবান্দি পৌর এলাকার মো. হারান শেখের ছেলে ও জনতা ব্যাংক তামাই শাখা ব্যবস্থাপক আল আমিন (৪২), বগুড়া ধুনট থানার বেলকুচি গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে ও সহকারী শাখা ব্যবস্থাপক রেজাউল করিম (৩৪), সিরাজগঞ্জ বনবাড়িয়া কাদাই গ্রামের জিয়াউল হকের ছেলে ও ব্যাংক অফিসার রাশেদুল ইসলাম (৩১) । জানা যায়, জনতা ব্যাংকের সিরাজগঞ্জ এরিয়া অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবৎ তামাই শাখার ক্যাশ লেনদেনে গড়মিল লক্ষ করেন। বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় রোববার (২৪ মার্চ) অডিট শেষে ক্যাশভল্টে ৫ কোটি ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকার হিসাবে গড়মিল পান। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তামাই জনতা ব্যাংক শাখা ব্যবস্থাপক, সহকারী ব্যবস্থাপক ও অফিসারের কাছে জানতে চাইলে তারা এই টাকা সরিয়েছেন বলে স্বীকার করেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানতে চাইলে তিনি জানান, হেড অফিস যাচাই-বাছাই করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024