রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন

সীমান্তে মারণাস্ত্রের শব্দ, কংগ্রেস কা যুবরাজ, গুরুত্ব পাবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা

  • Update Time : শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪, ৬.২২ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক 

মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চলের সংঘাতের খবর ছাপা হয়েছে অধিকাংশ পত্রিকাতেই। ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনের শিরোনাম Gunshots heard again from Myanmar side. এই খবরে বলা হচ্ছে স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ আলম জানান, শুক্রবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত গুলির শব্দ শোনা যায়। তিনি বলেন, “বৃহস্পতিবার রাত থেকে খরাংখালী সীমান্তে থেমে থেমে গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। “আতঙ্কিত চিংড়ি চাষীরা নিরাপদে চলে গেছে। বিকেলে, বিশেষ করে জুমার নামাজের পর গুলির শব্দ কমে যায়,” তিনি যোগ করেন। এর আগে, সোমবার নাফ নদীর মায়ানমার প্রান্তে গোলাগুলির শব্দ তীব্র হওয়ায় কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সদস্যের বক্তব্যকে সমর্থন করে, ওয়াইখং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমেদ আনোয়ারী গতকাল বলেছেন যে অনেক স্থানীয় লোকও মারণাস্ত্রের শব্দ শুনেছে। মৎস্যজীবী আব্দুল গফুর বলেন, সকাল থেকে কয়েক রাউন্ড গোলাগুলির প্রচণ্ড শব্দ শুনতে পাই। বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, চট্টগ্রাম পূর্ব জোনের মিডিয়া অফিসার লেঃ তাহসিন রহমান বলেন, তারা উন্নয়নের দিকে নজর রেখেছেন। “আমরা ইতিমধ্যে নদীতে অনুপ্রবেশের জন্য টহল জোরদার করেছি। আমরা এখন কাউকে ঢুকতে দিচ্ছি না, “তিনি বলেছিলেন। কোস্টগার্ড কর্মকর্তা জানান, তারা এ পর্যন্ত ২০০ জনেরও বেশি রোহিঙ্গাকে ফিরিয়েছেন।

এই খবরে বলা হচ্ছে এই মাসের শুরুর দিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান সেনাবাহিনী এবং সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের পর, ৪ থেকে ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মিয়ানমার থেকে 330 জন সীমান্তরক্ষী এবং সেনা সদস্য বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। যদিও পরে তাদের দেশে ফিরিয়ে দেয়া হয়।

 

কালের কণ্ঠের শিরোনাম টেকনাফ সীমান্তের ওপারে আবারও গুলির শব্দ। এই খবরে বলা হচ্ছে তিন দিন পর গতকাল শুক্রবার আবারও কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তের ওপারে মিয়ানমার থেকে গুলির শব্দ শোনা গেছে। তবে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ও তুমব্রু সীমান্ত আগের মতো শান্ত রয়েছে। কক্সবাজারের উখিয়ার রহমতের বিল সীমান্তের ওপারেও গোলাগুলি ও মর্টারের শব্দ শোনা যায়নি। টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ ও হোয়াইক্যং সীমান্তে দিনের কিছু অংশে থেমে থেমে গুলির শব্দ শোনা গেছে। সীমান্তবর্তী লোকজনের ধারণা, মিয়ানমারের কিছুটা ভেতরে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হচ্ছে।

এই খবরে বলা হচ্ছে শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলম বলেন, ‘সীমান্তের এপারে সপ্তাহখানেক কোনো গোলাগুলি ও মর্টারের বিকট শব্দ শোনা যায়নি। গতকাল বিকেলে কয়েকটি গুলির শব্দ শুনেছি। তবে তা আমাদের একেবারে কাছে নয়। শব্দ শুনে অনুমান করতে পারি, এসব গোলাগুলি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের পূর্বাঞ্চলের দিকে হতে পারে।’বরাং ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুস সালাম বলেন, আগের তুলনায় গোলাগুলির বিকট শব্দ হচ্ছে না। কয়েক দিন শাহপরীর দ্বীপ সীমান্তের ওপারে গোলাগুলি বন্ধ ছিল। হোয়াইক্যং এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন, শুক্রবার ভোররাতে খারাংখালী ও কানজরপাড়া সীমান্তে প্রায় এক ঘণ্টা গুলির শব্দ শোনা গেছে।

 

সমকালের শিরোনাম ব্র্যাকের গবেষণার ওপর ভিত্তি করে লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার ৭৯ শতাংশ বাংলাদেশি। লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার ৭৯ শতাংশ বাংলাদেশি। এই গবেষণায় বলা হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে পাঠানো ও ভালো চাকরির প্রলোভন দেখায় দালালরা। এ ফাঁদে পা দিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন শত শত বাংলাদেশি। তাদের লিবিয়া নিয়ে বিভিন্ন ক্যাম্পে বন্দি রেখে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। জিম্মি করে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে আদায় করা হয় অর্থ। ইউরোপগামী এ বাংলাদেশিদের ৭৯ শতাংশই নির্যাতনের শিকার। কিন্তু এত কিছুর পরও ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইউরোপের স্বপ্নে লিবিয়া যাওয়ার এ প্রবণতা থামছে না। বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। লিবিয়াফেরত ৫৫৭ বাংলাদেশির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি করা হয়। আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলা হয়, এক দশকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপ যাওয়ার চেষ্টা করা লোকজনের মধ্যে যেসব দেশের নাগরিক আছেন, বাংলাদেশ ওই তালিকার শীর্ষ দশে আছে। ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সাল থেকে গত বছরের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন দেশের ২৫ লাখ মানুষ সাগরপথে এভাবে ইউরোপে গেছেন। এ সময় সাগরে ডুবে মারা গেছেন ২২ হাজার জন। এদের মধ্যে অনেক বাংলাদেশিও আছেন।

প্রতিবেদনটিতে বলা হচ্ছে ইউরোপের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকা ফ্রন্টেক্সের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশিরা লিবিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে সবচেয়ে বেশি ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করে। ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এ পথে অন্তত ৭০ হাজার ৯০৬ বাংলাদেশি ইউরোপে প্রবেশ করেছেন। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি লিবিয়া থেকে যাওয়ার পথে নৌকাডুবে ৯ বাংলাদেশি প্রাণ হারান।

 

প্রথম আলোর খবরের শিরোনাম শিক্ষার প্রকল্পে গতি কম, ব্যয় বাড়ে। প্রতিবেদনে বলা হয় ঢাকার আশপাশে ১০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল ২০১৭ সালের জুলাইয়ে। তিন বছরে কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু সাড়ে ছয় বছর পর দেখা যাচ্ছে, একটি বিদ্যালয়েরও ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়নি। প্রকল্পটির মেয়াদ বেড়েছে তিন দফা। ব্যয়ও বেড়েছে। শুরুতে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৬৭৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। তা বাড়িয়ে করা হয়েছে প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা। ব্যয় আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। শুধু বিদ্যালয় নির্মাণ নয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মূল সংস্থা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) অধীনে চলতে থাকা ৯টি প্রকল্পের বেশির ভাগেরই একই অবস্থা—সময় বেড়েছে, ব্যয় বেড়েছে। এসব প্রকল্পে মোট ব্যয় এখন প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে চারটি প্রকল্পের পুরোপুরি তথ্য পাওয়া গেছে। তাতে দেখা যায়, ওই চার প্রকল্পের শুরুতে ব্যয় ছিল প্রায় ৭ হাজার ৩৪৪ কোটি টাকা। যা বেড়ে হয়েছে ১২ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা। অর্থাৎ শুধু চারটি প্রকল্পেই ব্যয় বেড়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

প্রতিবেদনে বলা হয় শিক্ষার প্রকল্পগুলো নতুন বিদ্যালয় নির্মাণ, পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভবন নির্মাণ, বিজ্ঞানশিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ইত্যাদির জন্য। শিক্ষা নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিরা বলছেন, একটি বিদ্যালয় যথাসময়ে না হওয়া মানে শিশুদের সুযোগবঞ্চিত হওয়া। একজন শিক্ষকের প্রশিক্ষণ না হওয়া মানে শিক্ষার্থীদের আরও ভালো শিক্ষা পাওয়ার সুযোগ হারানো। তাঁরা আরও বলছেন, শিক্ষার প্রকল্পগুলো ভালো কোনো উদাহরণ তৈরি করছে না। বরং সেগুলো যেন অন্যদের গাফিলতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির পাঠ দিচ্ছে।

 

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার প্রধান  শিরোনাম ‘In Varanasi, PM(india) Modi slams Rahul: He called Kashi, UP youths addicts’ বারাণসীতে, প্রধানমন্ত্রী মোদী(ভারত) রাহুলকে নিন্দা করেছেন: তিনি কাশী, ইউপি যুবকদের মাদকাসক্ত বলেছেন’. খবরে বলা হচ্ছে,  তার লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে একটি জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে যেখানে তিনি ১৩০০০  কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, মোদি বলেছিলেন, “যারা নিজেরাই ‘হোশ’ (ইন্দ্রিয়) নেই তারা যুবকদের ‘নাশেরি’ বলে ডাকছে। ”

খবরে বলা হচ্ছে, রাহুল গান্ধীকে তার নাম না করে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুক্রবার বলেছেন যে “কংগ্রেস কে শাহী পরিবার কে যুবরাজ” (কংগ্রেস রাজপরিবারের যুবরাজ) কাশী এবং উত্তর প্রদেশের যুবকদের “নাশেরি” (আসক্ত) হিসাবে বর্ণনা করে অপমান করেছে। )

 

‘ পাঁচ অর্থবছর, প্রায় ৯ শতাংশ গ্যাস কম কিনেও পেট্রোবাংলার খরচ বেড়েছে ৩১০%’ বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি। খবরে বলা হচ্ছে, স্থানীয় ও বিদেশী উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর (আইওসি) কাছ থেকে গ্যাস কিনে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করে পেট্রোবাংলার ছয় বিতরণ কোম্পানি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বিতরণকারী এসব প্রতিষ্ঠান মোট গ্যাস কেনা বাবদ ব্যয় করেছিল ৮ হাজার ১১৪ কোটি টাকা। সে সময় কোম্পানিগুলো গ্যাস কিনেছিল ৩০ হাজার ৪২২ মিলিয়ন ঘনমিটার (এমএমসিএম)। পাঁচ বছরের ব্যবধানে ২০২২-২৩ অর্থবছরে কোম্পানিগুলোর গ্যাস ক্রয় কমে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৮১৩ ঘনমিটারে। এতে ব্যয় হয়েছে ৩৩ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা। পেট্রোবাংলার এমআইএস প্রতিবেদনের এ তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ অর্থবছরে বিতরণ কোম্পানিগুলোর গ্যাস ক্রয় কমেছে প্রায় ৯ শতাংশ। আর ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৩১০ শতাংশ। এজন্য মূলত উচ্চমূল্যের এলএনজি আমদানিকে দায়ী করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। তবে আমদানীকৃত এ ব্যয়বহুল এলএনজির প্রকৃত মূল্য এবং গ্যাস খাতে দেয়া ভর্তুকির অর্থ হিসাবে নিলে পেট্রোবাংলার গ্যাস কেনা বাবদ ব্যয় আরো অনেক বেশি হওয়ার কথা বলেও মনে করছেন তারা।

 

খবরে বলা হচ্ছে, হিসাব বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত অর্থবছরে আইওসি ও স্থানীয় কোম্পানিগুলোর বিক্রীত গ্যাসের মূল্য প্রায় ৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। এর বাইরে বাকি অর্থ ব্যয় হচ্ছে এলএনজি আমদানিতে। প্রসঙ্গত, দেশে ছয়টি গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তিতাস, বাখরাবাদ, কর্ণফুলী, জালালাবাদ, পশ্চিমাঞ্চল ও সুন্দরবন। এর মধ্যে গ্রাহক ও গ্যাস বিক্রি হিসেবে সবচেয়ে বড় কোম্পানি তিতাস। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মূলত ২০১৯-২০ অর্থবছর থেকে পেট্রোবাংলার অধীন বিতরণ কোম্পানিগুলোর গ্যাস ক্রয় বাবদ খরচ বেড়েছে। ওই অর্থবছরে ২৮ হাজার ৪৮৬ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস ক্রয়ে বিতরণ কোম্পানিগুলোর ব্যয় হয়েছিল ১৯ হাজার ৮৮৫ কোটি টাকা। যেখানে আগের অর্থবছর ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৩০ হাজার ৪২২ এমএমসিএম গ্যাস কিনতে ব্যয় হয়েছিল ৮ হাজার ১১৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ মাত্র এক অর্থবছরের ব্যবধানে পেট্রোবাংলার গ্যাস ক্রয় ১ হাজার ৯৩৫ এমএমসিএম কমলেও ব্যয় বেড়ে যায় ১১ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা। মূলত ওই অর্থবছর থেকেই দেশে এলএনজি আমদানি বাড়তে থাকে।

 

মানব পাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা, খালাস ৯৫ ভাগ আসামী – যুগান্তরের প্রথম পাতার খবরের শিরোনাম। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের তথ্যের বরাত দিয়ে এই খবরে বলা হচ্ছে যে গক ৫ বছরে মানব পাচার প্রতিরোধে ৩ হাজার ৩২০টি মামলা হয়েছে যার মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ৫২৮টি মামলার। আর এই ৫২৮ মামলার ৪৯৭টি মামলাতেই আসামীরা খালাস পেয়েছেন। এসব মামলায় আসামী খালাস হওয়ার পেছনে বিচারে দীর্ঘসূত্রিতা, তদন্তে গাফিলতি, মিথ্যা সাক্ষ্য, আদালতে স্পর্শকাতর প্রমাণাদি উপস্থাপনে অনীহার মত বিষয়গুলো প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।  ভালো কর্মসংস্থানের আশায় বিদেশে পাড়ি জমিয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছেন অনেকে। কেউ বাধ্য হচ্ছেন পতিতাবৃত্তিতে, কেউ কাজ না পেয়ে ঘুরছেন রাস্তায়, কেউ বিনা অনুমতিতে প্রবাসে অবস্থান করতে গিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন কারাগারে। কাউকে আবার জিম্মি করে নির্মম নির্যাতনের মাধ্যমে নেওয়া হচ্ছে মুক্তিপণ। অনেকে মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করে বিদেশে গিয়ে পাচ্ছেন না প্রতিশ্রুত কাজ। একই ধরনের ঘটনা ঘটছে দেশেও। এসব ঘটনায় মানব পাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা হয়। তবে ৯৫ শতাংশ আসামিই খালাস পেয়ে যান। ফের জড়ান পুরোনো অপরাধে। এভাবে মানব পাচারের অপরাধ বেড়েই চলছে। এতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে নারী ও শিশুরা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের তথ্যের বরাত দিয়ে এই খবরে বলা হচ্ছে যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ বছরে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে ৩ হাজার ৩২০টি মামলা হয়েছে। এ সময়ে নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ৫২৮টি মামলা। এরমধ্যে ৪৯৭টি মামলাতেই আসামিরা খালাস পেয়েছে। অর্থাৎ ৯৪ দশমিক ১২ শতাংশ মামলাতেই সব আসামি খালাস পেয়েছে। খালাস হওয়া আসামির সংখ্যা এক হাজার ৮৫৪ জন। আর সাজা হয়েছে মাত্র ৯৭ জনের। অর্থাৎ আসামির হিসাবে ৯৫ শতাংশই খালাস পেয়েছে। সাজা হয়েছে মাত্র ৫ শতাংশের।

 

স্বাস্থ্যখাতের পরিস্থিতি নিয়ে নিউ এজের রিপোর্টের শিরোনাম Illegal hospitals pose threat to public health. খবরে বলা হচ্ছে ‘ব্যাঙের ছাতার মত তৈরি হওয়া’অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়গনস্টিক সেন্টার জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত এক সপ্তাহের মধ্যে অন্তত দুইজন রোগী ভুল চিকিৎসার অভিযোগে ঢাকার দু’টি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যাওয়ার পর এই বিষয়টি নিয়ে আবারো আলোচনা তৈরি হয়েছে।

খবরে বলা হচ্ছে যে, বর্ধমানে অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা, যেমন ক্লিনিক, হাসপাতাল এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার, তাদের নিম্নমানের পরিষেবার সাথে জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। পর্যবেক্ষণ এবং জবাবদিহিতার অভাবের মধ্যে, তারা প্রায়শই মানুষের জীবনকে বিপন্ন করে, চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধি করে এবং স্বাস্থ্য খাতে জনসাধারণের আস্থা নষ্ট করে, স্বাস্থ্য অধিকার কর্মী এবং চিকিত্সকরা বলেছেন। তারা বলেছে যে, শিথিল পর্যবেক্ষণের সুযোগ নিয়ে চিকিৎসা অনুশীলনের নীতির বাইরে জীবনরক্ষাকারী স্বাস্থ্যসেবা খাত থেকে মুনাফা অর্জনের জন্য অবৈধ ব্যবসা অব্যাহত রয়েছে। অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা ত্রুটিপূর্ণ রোগ নির্ণয়ের দ্বারা ডাক্তারদের সুনামকে গুরুতরভাবে প্রভাবিত করছে যা প্রায়শই ভুল চিকিত্সার দিকে পরিচালিত করে, তারা বলে। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি রশিদ ই মাহবুব বলেন, ‘যেহেতু অবৈধ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো সরকারি নজরদারির বাইরে থাকে, তারা টাকা কামানোর জন্য নির্ভয়ে রোগীদের নির্যাতন করে। তিনি বলেন, লাইসেন্সধারী অনেক হাসপাতালও এই ধরনের চর্চায় লিপ্ত হয়, যদিও তাদের কিছু জবাবদিহিতা রয়েছে। তিনি বলেন, অবৈধ হাসপাতালগুলো নিবন্ধিত না থাকায় এজেন্সিগুলো প্রায়ই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে না যতক্ষণ না তারা কিছু ঘটনার মাধ্যমে প্রকাশ পায়।

 

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনকে ঘিরে দৈনিক ইত্তেফাকের খবরের শিরোনাম নির্বাচনের আগে দুর্ভিক্ষ ঘটানোর ষড়যন্ত্র ছিল। শেখ হাসিনার বরাত দিয়ে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে, নিত্যপণ্য মজুদ করে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানোর সাথে সরকার উৎখাতের আন্দোলনকারীরা জড়িত থাকতে পারে।শেখ হাসিনাকে উদ্ধৃত করে এই খবরে বলা হয়েছে: “নির্বাচনের আগে দুর্ভিক্ষ ঘটানোর ষড়যন্ত্র ছিল, সেটা এখনো আছে। অবৈধ মজুতদারদের গণধোলাই দেয়া উচিৎ।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন ঠেকানোর পরিকল্পিত চক্রান্ত ছিল। নির্বাচন ঠেকাতে না পেরে দ্রব্যমূল্য বাড়ানোর চক্রান্ত করে সরকারকে বিপদে ফেলতে চাওয়া হয়েছিল। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জিতে টানা চতুর্থবারের মত সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের ঢাকা সফরকে ঘিরে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন US team due today in first visit after polls. তিন সদস্যের এই দলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিষদের সিনিয়র পরিচালক এইলিন লওব্যাকার, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ডেপুটি প্রতিমন্ত্রী আফরিন আখতার আর দাতা সংস্থা ইউএসএআইডি’এর এশিয়া বিভাগের প্রশাসক মাইকেল শিফার রয়েছেন। এই প্রতিনিধি দল পররাষ্ট্র সচিব, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টার সাথে বৈঠকের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠক করবেন বলে বলা হচ্ছে খবরে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিছুটা উত্তেজনা থাকলেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে তিন সদস্যের মার্কিন প্রতিনিধিদল আজ ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর এটি হবে মার্কিন কর্মকর্তাদের প্রথম সফর।

খবরে বলা হচ্ছে প্রতিনিধি দলে থাকবেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র ডিরেক্টর ইলিন লাউবাচার, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর মার্কিন উপসহকারী সচিব আফরিন আক্তার এবং ইউএসএআইডির এশিয়া বিষয়ক সহকারী প্রশাসক মাইকেল শিফার। তাদের অবস্থানকালে মার্কিন কর্মকর্তারা পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান; এবং বেসরকারি খাত, সুশীল সমাজ এবং শ্রম সংস্থার সদস্যরা। কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উত্থান-পতন থাকলেও, উভয় দেশেরই সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক অংশ রয়েছে। এই সফর এমন এক সময়ে আসে যখন প্রতিবেশী মিয়ানমারে পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে, জাতিগত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো রাখাইন সহ সীমান্তবর্তী এলাকায় জান্তা সেনাদের ক্যাম্প এবং শহরগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে।  তাই এই সফর আঞ্চলিক নিরাপত্তার দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ বলে তারা জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024