রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন

বিল্ডিং জ্বলছে, গ্রেফতার সন্দেশখালির শাহজাহান, সিন্ধুতে ভারী বৃষ্টি

  • Update Time : শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০২৪, ৬.২৪ পিএম

সারাক্ষণ ডেস্ক

‘At least 44 killed in building blaze’ ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

খবরে বলা হচ্ছে, গতকাল রাতে রাজধানীর বেইলি রোডে একটি সাততলা ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ৪৪ জন নিহত ও ২২ জন গুরুতরআহত হয়েছেন। গ্রিন কোজি কটেজ শপিং মলের নিচতলায় রাত ৯টা ৫০ মিনিটের দিকে আগুন প্রথম নজরে পড়ে এবং তা দ্রুত উপরের তলায় ছড়িয়ে পড়ে, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন ।স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন আজ ভোরে সাংবাদিকদের জানান, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) ৩৩ জনকে এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটেআরও ১০ জনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। নিহতদের মধ্যে অন্তত তিনজন শিশু ও ২৬ জন নারী রয়েছে বলে জানিয়েছে দুটিপ্রতিষ্ঠানের সূত্র। অপর একজনকে মৃত অবস্থায় কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে আনা হয়।

খবরে বলা হচ্ছে, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অনেককে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাইন উদ্দিন। ভবনের প্রায় প্রতিটিতলায় রান্নার গ্যাসের ট্যাঙ্ক ছিল। তিনি বলেন, চুলা বা গ্যাসের ট্যাঙ্ক থেকে আগুন লাগতে পারে।

পাকিস্তানের ডন পত্রিকার আজকের শিরোনাম ছিল ‘Gwadar declared calamity-hit; forecast puts Sindh govt on edge’.

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সিন্ধুর পিপিপি সরকার আবারও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। আজ (শুক্রবার) প্রদেশের অনেক অংশে দুই দিনের মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস ।

এদিকে, বৃহস্পতিবার বেলুচিস্তান সরকার, গোয়াদরকে একটি বিপর্যয়-কবলিত এলাকা হিসাবে ঘোষণা করেছে। ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জেলাটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্বাভাবিক জীবনও বেশ ব্যহত হ্ছে। যানবাহন চলচলও বন্ধ রয়েছে।

সিন্ধুর আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানা যায়, বৃষ্টির কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করছে। শুক্রবার অর্ধ-দিবস সব কিছু বন্ধ রাখতে ও নাগরিকদের প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া তাদের ঘর থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবারের মতই পূর্বাভাসের পুনরাবৃত্তি করেছে পাকিস্তানের আবহাওয়া অফিস । এ ছাড়া আজ শুক্রবার ও শনিবার পাকিস্তানের করাচি সহ বেশ কয়েকটি এলাকায়”ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রঝড় সহ বৃষ্টি” হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের একজন কর্মকর্তা জানান, করাচির পার্শবর্তী এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সাথে মেঘলা আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। এই ভারী বর্ষণের কারণে কিছু এলাকায় বন্যা হতে পারে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে , আজ তাপমাত্রা ১৩-১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং শনিবার ১০-১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে। সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলি শাহ, দ্বিতীয় দিনের মত তার কার্যালয়ে একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছিলেন। যেখানে নগর প্রশাসন, ত্রাণ সংস্থা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এবং নাগরিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা আসন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা কি করণীয় তা সম্পর্কে আলোচনা করেছিলেন।

 

‘Sheikh nabbed at last after high court push’ হিন্দুস্তান টাইমস পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

খবরে বলা হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের সন্দেশখালির তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শাহজাহান শেখের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন ধরে যৌন নির্যাতনসহ নানা অভিযোগ করে আসছিলেন স্থানীয়রা্। অবশেষে তাকে বৃহস্পতিবার ভোররাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে স্থানীয় মানুষদের ওপরে নির্যাতনের মামলায় নয়, কেন্দ্রীয় তদন্ত অ্যাজেন্সি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের কর্মকর্তাদের ওপরে হামলার ঘটনায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সন্দেশখালীতে নারীদের ওপর যৌন নিপীড়ন ও জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে নেতা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। শেখ শাহজাহানকে বৃহস্পতিবার উত্তর ২৪ পরগণা জেলা থেকে বেঙ্গল পুলিশের একটি বিশেষ দল গ্রেপ্তার করে। তিনি ৫৫ দিন ধরে পলাতক ছিলেন। গ্রেফতারের পর তাকে বসিরহাট আদালতে তোলা হয়।

চলতি ৫ জানুয়ারি সকালে শাহজাহান শেখের বাড়িতে কেন্দ্রীয় অর্থদফতরের তদন্ত শাখা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির কর্মকর্তারা গিয়েছিলেন তল্লাশি চালাতে। রেশন দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া সাবেক খাদ্য মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সাথে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে ওই তল্লাশিতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অ্যাজেন্সির কর্মকর্তারা।

তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই শাহজানের বাড়িতে কয়েক শ’ নারী-পুরুষ জড়ো হয়ে ওই কেন্দ্রীয় কর্মকর্তা, তাদের সাথে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্য এবং সংবাদমাধ্যমকে ব্যাপক মারধর করা হয়।

উত্তর ২৪ পরগণা জেলার মিনাখাঁর সাব-ডিভিশনাল পুলিশ অফিসার আমিনুল ইসলাম খান জানান, তার এলাকার বামনপুকুর অঞ্চল থেকে বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে গ্রেফতার করা হয়েছে শাহজাহান শেখকে।

 

সংসার খরচে যোগ হচ্ছে ১৫০০ – দেশ রুপান্তরের শিরোনাম। বলা হচ্ছে ফের বাড়লো বিদ্যুতের দাম, আবাসিকে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ৩৮ পয়সা থেকে ১ টাকা ৩৫ পয়সা।

বলা হচ্ছে জনজীবনে নানামুখী সংকট আর মুদ্রাস্ফীতির মধ্যেই ভর্তুকি সমন্বয় করতে আবারও বিদ্যুতের দাম বাড়াল সরকার। এর ফলে আবাসিক (বাসাবাড়ি) গ্রাহকদের শ্রেণি বিবেচনায় বিদ্যুতের ব্যবহারভেদে মাসিক ব্যয় ২২ টাকা থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়বে। আনুপাতিক হারে ব্যয় আরও বাড়বে কৃষি, শিল্প, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য শ্রেণির গ্রাহকদের। এবারও গণশুনানি ছাড়াই সরকার নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করেছে। একইভাবে এর আগে গত বছর ২৫ মার্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ঘনমিটারপ্রতি ৭৫ পয়সা হারে বাড়ানো হয়েছে। গত ১৪ বছরে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৩ দফা বৃদ্ধি করেছে সরকার। এর মধ্যে গত বছর এক মাসেই তিন দফায় বিদ্যুতের দাম ১৫ শতাংশ বাড়ানো হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে জনজীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠবে। বিশেষ করে রোজার আগে মূল্যবৃদ্ধির ফলে মূল্যস্ফীতি আরও বেড়ে যাবে। বিদ্যুৎ খাতে অপরিকল্পিত উন্নয়ন, অযাচিত ব্যয়ের কারণেই এভাবে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করতে হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে ভর্তুকির যে অঙ্কের কথা বলা হচ্ছে, তা নিয়েও বিতর্ক আছে।

অন্যদিকে বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারের যে ব্যয় হয় তার চেয়ে কম মূল্যে গ্রাহকের কাছে সরবরাহ করার কারণে প্রতি বছর এ খাতে লোকসান বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে ভর্তুকির পরিমাণ। এ ভর্তুকি থেকে সরে আসতে চায় সরকার। এজন্য বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এটা মূল্যবৃদ্ধি নয়। আগামী তিন বছরে ধাপে ধাপে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে এর উৎপাদন ব্যয় সমন্বয় করা হবে। চলতি অর্থবছরে বিদ্যুতে সরকারের ভর্তুকি গুনতে হবে প্রায় ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এবারের মূল্য সমন্বয়ের কারণে ভর্তুকির পরিমাণ ৩ হাজার কোটি টাকা কমবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। পাশাপাশি খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়ার কারণে বিতরণ কোম্পানিগুলোর রাজস্ব সাড়ে ৫ থেকে ৬ হাজার কোটি বাড়বে।

ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিন গতকাল রাতে বিদ্যুৎ বিভাগ মূল্যবৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন জারি করা হলেও তা কার্যকর হবে একই মাসের ১ তারিখ থেকে। এবার পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। পিডিবির কাছে এই বিদ্যুৎ কিনে ছয়টি বিতরণ কোম্পানি যখন গ্রাহক পর্যায়ে তা বিক্রি করবে সে ক্ষেত্রে গড়ে সাড়ে ৮ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছে।

 

ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের শিরোনাম – At least 43 killed as fire burns Bailey Road building

ভবনটি যেন এক অগ্নিচুল্লি – কালবেলা বলছে বেইলি রোডের ব্যস্ততম এলাকায় ওই ভবনে ছিল না কোনো অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা। জরুরি অবস্থায় বের হওয়ারও কোনো ব্যবস্থা ছিল না।

আগুনে পুড়ে যত না মানুষ মারা গেছে, তার চেয়েও বেশি মারা গেছে ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে। তিনতলায় ছিল কাপড়ের দোকান। বাকি সব ছিল রেস্টুরেন্ট। রেস্টুরেন্টগুলোতে ছিল গ্যাস সিলিন্ডার। যে কারণে আগুনের তীব্রতা ছড়িয়েছে ভয়াবহভাবে।

 

গত রাতের রাজধানীর বেইলি রোডে আগুন লাগার ঘটনা নিয়ে ডেইলি স্টার পত্রিকার মত প্রধান শিরোনাম করেছে আজকের বেশিরভাগ সংবাদপত্র।

কালের কন্ঠের প্রধান শিরোনাম – বেইলি রোডে আগুন মৃত্যু বিভীষিকার রাত।

প্রথম আলোর শিরোনাম – ভয়াবহ আগুনে ৪৩ জন নিহত। তাদের খবরে বলা হচ্ছে গতকাল রাতে বেইলি রোডের যে ভবনে আগুন লেগেছে, সেটি সাততলা। এতে নানারকম খাবারের দোকান রয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে খাবারের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় হয়। অনেকেই পরিবার নিয়ে সেখানে খেতে যান।

বিদ্যুতের দাম বাড়া ও সেটি কার্যকর হওয়া নিয়ে ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের শিরোনাম – Power prices go up again অর্থাৎ বিদ্যুতের দাম আবারও বাড়লো।

ভোক্তাদের দু:স্বপ্ন সত্যি হয় বৃহস্পতিবার এক সরকারি আদেশে, খুচরা ও শিল্প পর্যায়ে গড়ে ৮.৫ শতাংশ ও ৬ শতাংশ পর্যন্ত। আর এই নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে ফেব্রুয়ারি থেকেই। ডলার সংকটে গত দুই বছর ধরেই বিদ্যুৎসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়তির মুখে থাকায় দিশেহারা ভোক্তারা। রাত দশটায় এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করে সরকার।

 

গাজায় ত্রাণের লাইনে ইসরাইলের হামলা নিয়ে ইত্তেফাক শিরোনাম করেছে– দাঁড়িয়ে ছিল খাদ্যের আশায় গুলিতে গেল শতাধিক প্রাণ।

গাজায় ত্রাণের লাইনে ইসরাইলের হামলা নিয়ে ইত্তেফাক শিরোনাম করেছে– দাঁড়িয়ে ছিল খাদ্যের আশায় গুলিতে গেল শতাধিক প্রাণ। গাজায় গত চার মাসের বেশি সময় ধরে ইসরাইলি আগ্রাসন অব্যাহত আছে। চারদিক থেকে অবরূদ্ধ করে রেখেছে ইসরাইল। হামলায় বাড়ি-ঘর থেকে শুরু করে সরকারি অবকাঠামো কোনো কিছুই বাদ যায়নি। এমনকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল এবং আশ্রয়কেন্দ্রকেও ছাড় দেয়নি ইসরাইল। এই পরিস্থিতিতে সেখানে সৃষ্টি হয়েছে দুর্ভিক্ষ। খাবারের জন্য চারদিকে কেবলই হাহাকার। ক্ষুধার জ্বালা মেটাতে একটু ত্রাণের খাবারের আশায় লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন ফিলিস্তিনিরা। কিন্তু ইসরাইলের নিষ্ঠুর বাহিনী এসব মানুষদেরও ছাড় দেয়নি। প্রকাশ্যে গুলি করে শতাধিক ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে তারা।

গাজায় যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষন নেই। ইসরাইলি সেনার সঙ্গে হামাসপন্থীদের যুদ্ধে গাজার সাধারণ মানুষের অবস্থা সঙ্গীন। যুদ্ধবিরতি কবে আবার ঘোষণা হবে, সেই দিনের প্রতীক্ষায় সবাই। অন্য দিকে, তীব্র খাদ্যসঙ্কটে ভুগছেন গাজার মানুষেরা। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে স্পষ্ট উত্তর গাজায় দুর্ভিক্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। খাবারের ঘাটতি এতটাই যে, কয়েক দিনের মধ্যেই এখানকার বাসিন্দাদের অনাহারে থাকতে হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন অনেকে। কিন্তু ইসরাইলি সেনার নিষেধাজ্ঞার কারণে মাস খানেক হয়ে গেল উত্তর গাজায় ‘মানবিক সাহায্য’ পৌঁছচ্ছে না। ঠিক সেই মুহূর্তে গতকাল গাজার আল রশিদ স্ট্রিটে খাবারের ট্রাকের সামনে কয়েকশ’ মানুষ অপেক্ষমান ছিলেন। এরই মধ্যে আকস্মিকভাবে ইসরাইলি বাহিনী সেখানে প্রকাশ্যে গুলি চালায়। অধিকাংশই গুলির আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। কয়েকজন মানুষের পায়ের চাপায় প্রাণ হারান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মোট ১০৪ জন নিহত হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

kjhdf73kjhykjhuhf
© All rights reserved © 2024