০৮:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৫)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • 314

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজতেকরা কোনো স্থান বা শহর বা অঞ্চলের নামও এইভাবে ধ্বনির সাহায্যে বোঝাতে চেষ্টা করে। উদাহরণ হিসেবে রাজধানী শহর তেনোচতিতলান এর কথা উল্লেখ করা যায়। তেনোচতিতলানকে বোঝাবার জন্য একটা পাথর থেকে বেরিয়েছে একটা কর্কশ ক্যাকটাস।

আসলে আরও স্পষ্টভাবে বলা যায় যে এই চিহ্নগুলি খুব সাজিয়ে পরপর রাখা হয়। অনেকটা লেখায় যেমন অক্ষরগুলি পরপর সাজানোর মত। আজতেক পাণ্ডুলিপি বা লেখা সাধারণভাবে বই যেমন পড়া হয় ঠিক তেমনিভাবে হয় না।

ছবি বা খোদাই চিত্রকে এদিক ওদিক করে একটা ছন্দ তৈরি করা হয়। আর একথাও আমাদের মনে রাখা দরকার যে আজতেকরা কোনোভাবে ধারাবাহিক বা পারম্পর্য (Sequence) এবং যুক্তিসম্মত দূরত্বর ধারণা গড়ে তুলতে পারেনি।

এই ত্রুটি বা ফাঁক তারা মিটিয়ে দিত এই ছবির অবস্থান দিয়ে। কোনো ছবি পৃষ্ঠার সবচেয়ে উপরে বা কোনো ছবি হয়ত নীচের দিকে। আবার রাজার ক্ষেত্রে গুরুত্ব বোঝানো হয় ছবির বড় আকার দিয়ে। আর পরাজিত রাজা, সৈনিকদের ছবি ছোট দেখিয়ে কম গুরুত্ব বোঝানো হয়।

মূল কথা হল আজতেক লিখন বা দেওয়াল চিত্রণ দিয়ে যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে সবিস্তার তথ্য পরিবেশন করা হয়।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৪)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৫)

০৭:০০:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

আজতেকরা কোনো স্থান বা শহর বা অঞ্চলের নামও এইভাবে ধ্বনির সাহায্যে বোঝাতে চেষ্টা করে। উদাহরণ হিসেবে রাজধানী শহর তেনোচতিতলান এর কথা উল্লেখ করা যায়। তেনোচতিতলানকে বোঝাবার জন্য একটা পাথর থেকে বেরিয়েছে একটা কর্কশ ক্যাকটাস।

আসলে আরও স্পষ্টভাবে বলা যায় যে এই চিহ্নগুলি খুব সাজিয়ে পরপর রাখা হয়। অনেকটা লেখায় যেমন অক্ষরগুলি পরপর সাজানোর মত। আজতেক পাণ্ডুলিপি বা লেখা সাধারণভাবে বই যেমন পড়া হয় ঠিক তেমনিভাবে হয় না।

ছবি বা খোদাই চিত্রকে এদিক ওদিক করে একটা ছন্দ তৈরি করা হয়। আর একথাও আমাদের মনে রাখা দরকার যে আজতেকরা কোনোভাবে ধারাবাহিক বা পারম্পর্য (Sequence) এবং যুক্তিসম্মত দূরত্বর ধারণা গড়ে তুলতে পারেনি।

এই ত্রুটি বা ফাঁক তারা মিটিয়ে দিত এই ছবির অবস্থান দিয়ে। কোনো ছবি পৃষ্ঠার সবচেয়ে উপরে বা কোনো ছবি হয়ত নীচের দিকে। আবার রাজার ক্ষেত্রে গুরুত্ব বোঝানো হয় ছবির বড় আকার দিয়ে। আর পরাজিত রাজা, সৈনিকদের ছবি ছোট দেখিয়ে কম গুরুত্ব বোঝানো হয়।

মূল কথা হল আজতেক লিখন বা দেওয়াল চিত্রণ দিয়ে যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে সবিস্তার তথ্য পরিবেশন করা হয়।

(চলবে)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৪)

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫৪)