১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘ক্লিন ব্রেক’ থেকে অন্তহীন যুদ্ধ: প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা নীতি চার প্রদেশ নিয়েই অখণ্ড থাকবে পাকিস্তান, নতুন প্রদেশের প্রস্তাব নাকচ সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রীর নিউইয়র্কে বসছে ভোগ বিজনেসের বৈশ্বিক সম্মেলন, টিকিট বিক্রি শুরু ‘ক্লিন গার্ল’ যুগের বিদায়, বসন্ত-গ্রীষ্ম ২০২৭-এ আসছে নতুন ফ্যাশন ধারা দামি গয়না খোঁজার নতুন ঠিকানা কি টিকটক? বদলে যাওয়া শরীরের জন্য বিলাসবহুল ফ্যাশন, নতুন বাজার তৈরি করছে ওয়েলডান আমেরিকা কতটা সমাজতন্ত্র গ্রহণ করতে প্রস্তুত? কারখানার মেঝেতেই জাপানের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আসল লড়াই ২৫ বছরেই শেষ ৫ লাখ ডলারের ক্যারিয়ার, ই-স্পোর্টসে বাড়ছে চোটের ভয়াবহতা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এশিয়ার দিকে কানাডার নতুন বাণিজ্যযাত্রা

ইটভাটার পাশে বসতঘরে ভয়াবহ আগুন, বাঁশখালীতে দগ্ধ হয়ে ভাই-বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে একটি ইটভাটার পাশের টিনের বসতঘরে ভয়াবহ আগুনে দগ্ধ হয়ে দুই শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা সম্পর্কে ভাই-বোন। আগুনের কারণ এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।

রোববার বিকেলে উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের লটমনি এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে বসতঘরের ভেতরে আটকা পড়ে দুই শিশু। পরে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের দগ্ধ লাশ উদ্ধার করে।

আগুনে প্রাণ গেল দুই শিশুর

মারা যাওয়া দুই শিশু হলো ১৪ বছর বয়সী জাহেদা বেগম ও তিন বছর বয়সী আবদুল মালেক। তারা লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ হাসানের সন্তান।

পুলিশ জানায়, তাদের মা স্থানীয় একটি ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। কাজের সুবিধার্থে ইটভাটার পাশের টিনের ঘরেই সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছিলেন তিনি।

ঘটনার সময় হঠাৎ বসতঘরে আগুন লাগে এবং দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতায় ঘরের ভেতরে থাকা দুই শিশু বের হতে পারেনি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাঁশখালীতে আগুনে পুড়ে ভাই–বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু

আগুন লাগার কারণ অজানা

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খালেদ সাইফুল্লাহ জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের ভেতর থেকে দুই ভাই-বোনের দগ্ধ লাশ উদ্ধার করেন।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ জানিয়েছে, বিকাল চারটা আটচল্লিশ মিনিটে আগুনের খবর পাওয়া যায়। এরপর সাতকানিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়দের শোক ও আতঙ্ক

ঘটনার পর এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রতিবেশীরা জানান, আগুনের খবর পেয়ে তারা ছুটে এলেও ততক্ষণে আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়। ফলে শিশু দুটিকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর ইটভাটা এলাকার শ্রমিক পরিবারগুলোও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। অস্থায়ী বসতঘরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় এমন দুর্ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ক্লিন ব্রেক’ থেকে অন্তহীন যুদ্ধ: প্রতিরোধমূলক যুদ্ধ কীভাবে বদলে দিচ্ছে নিরাপত্তা নীতি

ইটভাটার পাশে বসতঘরে ভয়াবহ আগুন, বাঁশখালীতে দগ্ধ হয়ে ভাই-বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু

০২:২২:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে একটি ইটভাটার পাশের টিনের বসতঘরে ভয়াবহ আগুনে দগ্ধ হয়ে দুই শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা সম্পর্কে ভাই-বোন। আগুনের কারণ এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস।

রোববার বিকেলে উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের লটমনি এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে বসতঘরের ভেতরে আটকা পড়ে দুই শিশু। পরে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের দগ্ধ লাশ উদ্ধার করে।

আগুনে প্রাণ গেল দুই শিশুর

মারা যাওয়া দুই শিশু হলো ১৪ বছর বয়সী জাহেদা বেগম ও তিন বছর বয়সী আবদুল মালেক। তারা লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ হাসানের সন্তান।

পুলিশ জানায়, তাদের মা স্থানীয় একটি ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। কাজের সুবিধার্থে ইটভাটার পাশের টিনের ঘরেই সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছিলেন তিনি।

ঘটনার সময় হঠাৎ বসতঘরে আগুন লাগে এবং দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতায় ঘরের ভেতরে থাকা দুই শিশু বের হতে পারেনি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাঁশখালীতে আগুনে পুড়ে ভাই–বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু

আগুন লাগার কারণ অজানা

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খালেদ সাইফুল্লাহ জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের ভেতর থেকে দুই ভাই-বোনের দগ্ধ লাশ উদ্ধার করেন।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ জানিয়েছে, বিকাল চারটা আটচল্লিশ মিনিটে আগুনের খবর পাওয়া যায়। এরপর সাতকানিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টার পর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়দের শোক ও আতঙ্ক

ঘটনার পর এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রতিবেশীরা জানান, আগুনের খবর পেয়ে তারা ছুটে এলেও ততক্ষণে আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়। ফলে শিশু দুটিকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর ইটভাটা এলাকার শ্রমিক পরিবারগুলোও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। অস্থায়ী বসতঘরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় এমন দুর্ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।