০৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেরিতে ফুটলেও ফুল ফোটে: শেখার কোনো বয়স নেই বিরামপুর সীমান্তে ১২ থেকে ১৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি-গ্রামবাসীর বাধায় পিছু হটল বিএসএফ নতুন ছাঁটে চমকে দিলেন কনর স্টোরি, ক্রিয়েটিভ আর্টস এমিসে আত্মপ্রকাশ ‘বাজকাট’ লুকে জঙ্গলে মিলল নিখোঁজ যুবকের কঙ্কাল, পোশাক দেখে শনাক্ত করলেন বাবা কৃষিকে বদলে দিতে বিশ্বব্যাংকের ‘এগ্রিকানেক্ট’, লক্ষ্য ৩০ কোটি ক্ষুদ্র কৃষক সাইফুর রহমানের মৃত্যু দুর্ঘটনা নাকি ষড়যন্ত্র, তদন্ত চান রিজভী শরতের ফ্যাশনে জেন বারকিনের পুরোনো ছবিই আজকের নতুন অনুপ্রেরণা শরতের সাজে সুয়েড জ্যাকেট, ৬ দারুণ স্টাইলিং আইডিয়া সিয়ারা মা হচ্ছেন পঞ্চমবার, রাসেল উইলসনের সঙ্গে আসছে নতুন অতিথি ভেনিসে আবারও আলোচনায় ব্রুকলিন-নিকোলা, পুরোনো বিরতির পর ফিরলেন আলোয়

গণভোটে সরকারি কর্মচারীদের নিরপেক্ষ থাকতে নির্দেশ, ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে প্রচার নিষিদ্ধ

আসন্ন গণভোটকে ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের ভূমিকা স্পষ্ট করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’-এর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। ভোটের আগে বা চলাকালে এমন কোনো কার্যক্রম চালানো যাবে না, যা জনগণকে নির্দিষ্ট কোনো পক্ষের দিকে প্রভাবিত করতে পারে।

নির্দেশনার পটভূমি
বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের স্বাক্ষরে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে গণভোটকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে বিদ্যমান আইন অনুসরণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

আইনি ব্যাখ্যা ও সীমাবদ্ধতা
প্রজ্ঞাপনে গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬-এর কথা উল্লেখ করে বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিরা গণভোট সম্পর্কে জনগণকে তথ্য জানাতে এবং সচেতন করতে পারবেন। তবে তারা কোনোভাবেই ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাতে পারবেন না।

দণ্ডনীয় অপরাধের সতর্কতা
নির্বাচন কমিশন জানায়, সরকারি কর্মচারীদের পক্ষপাতমূলক প্রচারণা গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে। এমন কাজ গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বাস্তবায়নে করণীয়
এই নির্দেশনা যথাযথভাবে কার্যকর করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। উদ্দেশ্য একটাই—গণভোট যেন কোনো ধরনের প্রভাব বা চাপ ছাড়া সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেরিতে ফুটলেও ফুল ফোটে: শেখার কোনো বয়স নেই

গণভোটে সরকারি কর্মচারীদের নিরপেক্ষ থাকতে নির্দেশ, ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে প্রচার নিষিদ্ধ

১১:২৭:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন গণভোটকে ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের ভূমিকা স্পষ্ট করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’-এর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। ভোটের আগে বা চলাকালে এমন কোনো কার্যক্রম চালানো যাবে না, যা জনগণকে নির্দিষ্ট কোনো পক্ষের দিকে প্রভাবিত করতে পারে।

নির্দেশনার পটভূমি
বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের স্বাক্ষরে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে গণভোটকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে বিদ্যমান আইন অনুসরণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

আইনি ব্যাখ্যা ও সীমাবদ্ধতা
প্রজ্ঞাপনে গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬-এর কথা উল্লেখ করে বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিরা গণভোট সম্পর্কে জনগণকে তথ্য জানাতে এবং সচেতন করতে পারবেন। তবে তারা কোনোভাবেই ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাতে পারবেন না।

দণ্ডনীয় অপরাধের সতর্কতা
নির্বাচন কমিশন জানায়, সরকারি কর্মচারীদের পক্ষপাতমূলক প্রচারণা গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে। এমন কাজ গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বাস্তবায়নে করণীয়
এই নির্দেশনা যথাযথভাবে কার্যকর করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। উদ্দেশ্য একটাই—গণভোট যেন কোনো ধরনের প্রভাব বা চাপ ছাড়া সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়।