০২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০ জেলায় বেশি হাম, টিকাদান কর্মসূচি নিয়েই উঠছে বড় প্রশ্ন সুগন্ধি চাল রপ্তানির কোটা অর্ধেক কমাল সরকার সৌদি আরবে হুথিদের হামলায় আহত ৭৩, নারী ও শিশুও রয়েছে ভেনিসে অভিনেত্রী বাঁধনকে হেনস্তা ও হামলার অভিযোগ, লিখিত অভিযোগ পুলিশের কাছে আগামী ৫ দিনে বাড়তে পারে বৃষ্টি, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর কুমিল্লায় শিক্ষাসফরের বাস খাদে, আহত ২০ মেডিকেল শিক্ষার্থী সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা, আগুন ও সাময়িকভাবে বন্ধ কিছু কার্যক্রম জলবায়ু ঝুঁকির প্রমাণ আছে, এবার নেপালের দরকার কার্যকর পদক্ষেপ জার্মানির স্যাক্সনি-আনহাল্টে উগ্র ডানপন্থীদের বড় জয়, চাপে মূলধারার রাজনীতি নেপালের ‘জেন জি’ আন্দোলনের এক বছর, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে না: কার্কি

ছয় মাসে এক ইনজেকশনেই নিয়ন্ত্রণে উচ্চ রক্তচাপ, নতুন গবেষণায় আশার আলো

উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছে সাম্প্রতিক একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা। নিয়মিত ওষুধে কাজ না করা রোগীদের জন্য মাত্র ছয় মাসে একবার নেওয়া একটি ইনজেকশনই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে বলে জানা গেছে।

গবেষণায় কী পাওয়া গেল
এই গবেষণাটি একটি বৈশ্বিক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অংশ, যেখানে ৬৬৩ জন প্রাপ্তবয়স্ক অংশ নেন। তাদের সবারই নিয়মিত ওষুধ নেওয়ার পরও রক্তচাপ ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে আসছিল না। গবেষণায় দেখা যায়, যারা নতুন এই ইনজেকশনটি তাদের চলমান চিকিৎসার সঙ্গে নিয়েছেন, তাদের রক্তচাপ অন্যদের তুলনায় বেশি কমেছে।

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
উচ্চ রক্তচাপ বিশ্বজুড়ে একটি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত। এটি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হৃদরোগ, স্ট্রোক এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই সহজ ও কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি খুঁজে বের করা চিকিৎসাবিজ্ঞানের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

A twice-yearly injection could lower high blood pressure, new study  suggests - Futura-Sciences

কীভাবে কাজ করে ইনজেকশনটি
নতুন এই ওষুধটি বিশেষ এক প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করে, যা শরীরের ভেতরে একটি নির্দিষ্ট প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়া কমিয়ে দেয়। এই প্রোটিন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। এর উৎপাদন কমে গেলে রক্তনালীগুলো শিথিল হয়, ফলে রক্তচাপও কমে আসে। ইনজেকশনটি ত্বকের নিচে দেওয়া হয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে এর প্রভাব থাকে।

চিকিৎসায় নতুন সুবিধা
এই ইনজেকশনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, বছরে মাত্র দুইবার নিলেই চলে। ফলে নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার ঝামেলা কমে যায় এবং রোগীদের জন্য চিকিৎসা মেনে চলা সহজ হয়। গবেষকরা বলছেন, এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা—দুটিই আশাব্যঞ্জক।

ভবিষ্যৎ গবেষণা ও পরিকল্পনা
বর্তমানে এই ওষুধ নিয়ে আরও একটি গবেষণা চলছে, যেখানে হৃদরোগের ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের ওপর এর প্রভাব যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি বৃহত্তর পরিসরে আরেকটি গবেষণার পরিকল্পনাও রয়েছে, যাতে দেখা হবে এটি স্ট্রোক বা হৃদরোগজনিত মৃত্যুহার কমাতে কতটা সক্ষম।

জনপ্রিয় সংবাদ

১০ জেলায় বেশি হাম, টিকাদান কর্মসূচি নিয়েই উঠছে বড় প্রশ্ন

ছয় মাসে এক ইনজেকশনেই নিয়ন্ত্রণে উচ্চ রক্তচাপ, নতুন গবেষণায় আশার আলো

০৭:২৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছে সাম্প্রতিক একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা। নিয়মিত ওষুধে কাজ না করা রোগীদের জন্য মাত্র ছয় মাসে একবার নেওয়া একটি ইনজেকশনই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে বলে জানা গেছে।

গবেষণায় কী পাওয়া গেল
এই গবেষণাটি একটি বৈশ্বিক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অংশ, যেখানে ৬৬৩ জন প্রাপ্তবয়স্ক অংশ নেন। তাদের সবারই নিয়মিত ওষুধ নেওয়ার পরও রক্তচাপ ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে আসছিল না। গবেষণায় দেখা যায়, যারা নতুন এই ইনজেকশনটি তাদের চলমান চিকিৎসার সঙ্গে নিয়েছেন, তাদের রক্তচাপ অন্যদের তুলনায় বেশি কমেছে।

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
উচ্চ রক্তচাপ বিশ্বজুড়ে একটি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত। এটি নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হৃদরোগ, স্ট্রোক এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তাই সহজ ও কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি খুঁজে বের করা চিকিৎসাবিজ্ঞানের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

A twice-yearly injection could lower high blood pressure, new study  suggests - Futura-Sciences

কীভাবে কাজ করে ইনজেকশনটি
নতুন এই ওষুধটি বিশেষ এক প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করে, যা শরীরের ভেতরে একটি নির্দিষ্ট প্রোটিন তৈরির প্রক্রিয়া কমিয়ে দেয়। এই প্রোটিন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। এর উৎপাদন কমে গেলে রক্তনালীগুলো শিথিল হয়, ফলে রক্তচাপও কমে আসে। ইনজেকশনটি ত্বকের নিচে দেওয়া হয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে এর প্রভাব থাকে।

চিকিৎসায় নতুন সুবিধা
এই ইনজেকশনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, বছরে মাত্র দুইবার নিলেই চলে। ফলে নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার ঝামেলা কমে যায় এবং রোগীদের জন্য চিকিৎসা মেনে চলা সহজ হয়। গবেষকরা বলছেন, এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা—দুটিই আশাব্যঞ্জক।

ভবিষ্যৎ গবেষণা ও পরিকল্পনা
বর্তমানে এই ওষুধ নিয়ে আরও একটি গবেষণা চলছে, যেখানে হৃদরোগের ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের ওপর এর প্রভাব যাচাই করা হচ্ছে। পাশাপাশি বৃহত্তর পরিসরে আরেকটি গবেষণার পরিকল্পনাও রয়েছে, যাতে দেখা হবে এটি স্ট্রোক বা হৃদরোগজনিত মৃত্যুহার কমাতে কতটা সক্ষম।