০৪:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৫০)

আজকের দিনে ঢাকায় ডালপুরি যেগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো খাবার তেমন উপযুক্ত নয়। এখন বাইরের দোকানে ডালপুরি প্রায় পাওয়াই যায় না।

ডাল বাজার

ঢাকার সূত্রাপুরে একটি ছোট বাজার ছিল এখানে, প্রাচীন আমল থেকেই। এখানে শস্য ও ডালের বাজার ছিল। বিভিন্ন জায়গা থেকে এখানে ডাল আসত প্রচুর, সেজন্য এর নাম হয়ে যায় ডাল বাজার। এ বাজারে যে গলিতে ডাল বিক্রি হতো তা পরিচিত ছিল ডালপট্টি নামে। বলা বাহুল্য, সেই ডাল বাজার এখন লুপ্ত কিন্তু নামটি সে সময়ের স্মৃতি বহন করছে।

ডালপুরি

“ডালপুরির জন্য ঢাকা এক সময় বিখ্যাত ছিল। এখনও ঢাকায় ডালপুরি আছে। কিন্তু সেজন্য আর ঢাকা বিখ্যাত নেই। এখন অনেক রকম অন্যান্য খাবার এসে উপস্থিত হয়েছে। ঢাকায় সেকালে ডালপুরি দেখতাম তিন রকম- এক রকম ছিল ময়দা-ঘি দিয়ে ভালো করে মেখে একটু পানি দিয়ে নরম করে সে ময়দার ছোট ছোট বল তৈরি করে তার মধ্যে মসলা দেয়া ডাল দিয়ে মুখ বন্ধ করে বেলে তেলে সেঁকা।

এখনকার ডালপুরি

এতে ডালপুরিটা খুব খাস্তা হতো। অন্য ডালপুরিটা ছিল পানি দিয়ে ময়দা মথে আগের প্রক্রিয়ায় তৈরি করা। এ ডালপুরিটা নরম হতো এবং একটু টেনে ছিঁড়তে হতো। তৃতীয় রকম ডালপুরি ছিল হিন্দুবাড়ির ডালপুরি। ময়দার একটি মাঝারি সাইজের রুটি বানিয়ে তার উপর ভুনা ডাল রাখা হতো এবং আর একটি রুটি নিয়ে এটাকে ঢেকে দুটো রুটির মুখ মুড়ে দেয়া হতো। তারপর সেটাকে তেলে ভাজা হতো।

এ ডালপুরিতে ডাল ছিল প্রধান, ময়দা নয়। আজকের দিনে ঢাকায় ডালপুরি যেগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো খাবার তেমন উপযুক্ত নয়। এখন বাইরের দোকানে ডালপুরি প্রায় পাওয়াই যায় না। বাড়িতে বাড়িতে অবশ্য ডালপুরি তৈরি হয় এবং সেগুলো ভালোই।”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৫০)

০৭:০০:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

আজকের দিনে ঢাকায় ডালপুরি যেগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো খাবার তেমন উপযুক্ত নয়। এখন বাইরের দোকানে ডালপুরি প্রায় পাওয়াই যায় না।

ডাল বাজার

ঢাকার সূত্রাপুরে একটি ছোট বাজার ছিল এখানে, প্রাচীন আমল থেকেই। এখানে শস্য ও ডালের বাজার ছিল। বিভিন্ন জায়গা থেকে এখানে ডাল আসত প্রচুর, সেজন্য এর নাম হয়ে যায় ডাল বাজার। এ বাজারে যে গলিতে ডাল বিক্রি হতো তা পরিচিত ছিল ডালপট্টি নামে। বলা বাহুল্য, সেই ডাল বাজার এখন লুপ্ত কিন্তু নামটি সে সময়ের স্মৃতি বহন করছে।

ডালপুরি

“ডালপুরির জন্য ঢাকা এক সময় বিখ্যাত ছিল। এখনও ঢাকায় ডালপুরি আছে। কিন্তু সেজন্য আর ঢাকা বিখ্যাত নেই। এখন অনেক রকম অন্যান্য খাবার এসে উপস্থিত হয়েছে। ঢাকায় সেকালে ডালপুরি দেখতাম তিন রকম- এক রকম ছিল ময়দা-ঘি দিয়ে ভালো করে মেখে একটু পানি দিয়ে নরম করে সে ময়দার ছোট ছোট বল তৈরি করে তার মধ্যে মসলা দেয়া ডাল দিয়ে মুখ বন্ধ করে বেলে তেলে সেঁকা।

এখনকার ডালপুরি

এতে ডালপুরিটা খুব খাস্তা হতো। অন্য ডালপুরিটা ছিল পানি দিয়ে ময়দা মথে আগের প্রক্রিয়ায় তৈরি করা। এ ডালপুরিটা নরম হতো এবং একটু টেনে ছিঁড়তে হতো। তৃতীয় রকম ডালপুরি ছিল হিন্দুবাড়ির ডালপুরি। ময়দার একটি মাঝারি সাইজের রুটি বানিয়ে তার উপর ভুনা ডাল রাখা হতো এবং আর একটি রুটি নিয়ে এটাকে ঢেকে দুটো রুটির মুখ মুড়ে দেয়া হতো। তারপর সেটাকে তেলে ভাজা হতো।

এ ডালপুরিতে ডাল ছিল প্রধান, ময়দা নয়। আজকের দিনে ঢাকায় ডালপুরি যেগুলো পাওয়া যায়, সেগুলো খাবার তেমন উপযুক্ত নয়। এখন বাইরের দোকানে ডালপুরি প্রায় পাওয়াই যায় না। বাড়িতে বাড়িতে অবশ্য ডালপুরি তৈরি হয় এবং সেগুলো ভালোই।”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)