০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
পোষা প্রাণীর জন্য ভিডিও এখন বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়, স্ক্রিনে মজেছে বিড়াল-কুকুর মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে ওরাকলের বড় উত্থান, ২০২৭ সালের আগেই আয়ে নতুন রেকর্ডের ইঙ্গিত পিরিয়ড ট্যাক্সের বিরুদ্ধে তরুণ আইনজীবী মাহনূর ওমরের লড়াই, পাকিস্তানে শুরু নতুন জাতীয় বিতর্ক ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য: বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ার বাজারে নামতে প্রস্তুত ইলন মাস্কের স্পেসএক্স ক্রিপ্টো দুনিয়ায় দ্রুত উত্থান ‘স্টেবলকয়েন’-এর, ডলার নির্ভর এই মুদ্রা ঘিরে বাড়ছে ঝুঁকি ও সম্ভাবনার বিতর্ক ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমানিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর অনুমোদন হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)

সরকারী অফিস আদালতের নথিপত্র পাঠ করে এবং শহর ও গ্রামের বসবাসকারী লোকজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করেও আমি তথ্যাদি সংগ্রহ করেছি।”

জেমস টেলর

ঢাকা নিয়ে গবেষণা করতে গেলে প্রাথমিক আকর হিসেবে জেমস টেলরের এ স্কেচ অব দি টপোগ্রাফি অ্যান্ড স্ট্যাটিটকস অফ ঢাকার শরণাপন্ন হতেই হবে। তিনি ছিলেন কোম্পানির মেডিকেল সার্ভিসের সদস্য। ১৮৩০ সালে তিনি ঢাকায় আসেন। ১৮৩৮ পর্যন্ত ছিলেন ঢাকার সিভিল সার্জন। ডাক্তার হিসেবে পেশাগত কাজ ছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন সমাজকর্মে ছিলেন জড়িত।

জেমস টেলরের বইয়ের নামপত্র

সেই সময়ের নিয়ম অনুযায়ী মেডিকেল বোর্ড তাঁকে ‘জেলা এবং কর্মস্থলের ভূ-প্রকৃতি ও পরিসংখ্যান’ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলে। গেজেটিয়ার আকারে লিখিত বইটির গুরুত্ব এই যে, এর বাইরেও অনেক বিষয়ে তিনি আলোচনা করেছেন। ১৮৪০ সালে বইটি প্রকাশিত হয়। বইয়ের ভূমিকায় তিনি লিখেছেন- “এগুলির অধিকাংশ বিষয়ে (তথ্য, ভূ-প্রকৃতি, লোকসংখ্যা, জেলা, জলবায়ু প্রভৃতি।

আমার মন্তব্য ছাড়াও, আমি জেলার ইতিহাস, এবং স্থানীয় শিল্প দ্রব্যাদি, ব্যবসা-বাণিজ্য, রাজস্ব ও শিক্ষার অবস্থার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়েছি,… আমি যেসব তথ্যাদি পরিবেশন করতে সক্ষম হয়েছি, তা এ স্থানে আমার অবস্থানকালের ব্যক্তিগত জ্ঞান থেকে অর্জিত। বিভিন্ন সরকারী অফিস আদালতের নথিপত্র পাঠ করে এবং শহর ও গ্রামের বসবাসকারী লোকজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করেও আমি তথ্যাদি সংগ্রহ করেছি।”

ঢাকার লালবাগ কেল্লা সংরক্ষণেও তিনি ভূমিকা রেখেছিলেন। বাংলায় তাঁর বইটি অনুবাদ করেছেন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৮)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৮)

জনপ্রিয় সংবাদ

পোষা প্রাণীর জন্য ভিডিও এখন বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়, স্ক্রিনে মজেছে বিড়াল-কুকুর

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৯)

০৭:০০:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

সরকারী অফিস আদালতের নথিপত্র পাঠ করে এবং শহর ও গ্রামের বসবাসকারী লোকজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করেও আমি তথ্যাদি সংগ্রহ করেছি।”

জেমস টেলর

ঢাকা নিয়ে গবেষণা করতে গেলে প্রাথমিক আকর হিসেবে জেমস টেলরের এ স্কেচ অব দি টপোগ্রাফি অ্যান্ড স্ট্যাটিটকস অফ ঢাকার শরণাপন্ন হতেই হবে। তিনি ছিলেন কোম্পানির মেডিকেল সার্ভিসের সদস্য। ১৮৩০ সালে তিনি ঢাকায় আসেন। ১৮৩৮ পর্যন্ত ছিলেন ঢাকার সিভিল সার্জন। ডাক্তার হিসেবে পেশাগত কাজ ছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন সমাজকর্মে ছিলেন জড়িত।

জেমস টেলরের বইয়ের নামপত্র

সেই সময়ের নিয়ম অনুযায়ী মেডিকেল বোর্ড তাঁকে ‘জেলা এবং কর্মস্থলের ভূ-প্রকৃতি ও পরিসংখ্যান’ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন দাখিল করতে বলে। গেজেটিয়ার আকারে লিখিত বইটির গুরুত্ব এই যে, এর বাইরেও অনেক বিষয়ে তিনি আলোচনা করেছেন। ১৮৪০ সালে বইটি প্রকাশিত হয়। বইয়ের ভূমিকায় তিনি লিখেছেন- “এগুলির অধিকাংশ বিষয়ে (তথ্য, ভূ-প্রকৃতি, লোকসংখ্যা, জেলা, জলবায়ু প্রভৃতি।

আমার মন্তব্য ছাড়াও, আমি জেলার ইতিহাস, এবং স্থানীয় শিল্প দ্রব্যাদি, ব্যবসা-বাণিজ্য, রাজস্ব ও শিক্ষার অবস্থার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়েছি,… আমি যেসব তথ্যাদি পরিবেশন করতে সক্ষম হয়েছি, তা এ স্থানে আমার অবস্থানকালের ব্যক্তিগত জ্ঞান থেকে অর্জিত। বিভিন্ন সরকারী অফিস আদালতের নথিপত্র পাঠ করে এবং শহর ও গ্রামের বসবাসকারী লোকজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করেও আমি তথ্যাদি সংগ্রহ করেছি।”

ঢাকার লালবাগ কেল্লা সংরক্ষণেও তিনি ভূমিকা রেখেছিলেন। বাংলায় তাঁর বইটি অনুবাদ করেছেন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৮)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪৮)