০৭:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম নেপালের জেন-জি আন্দোলনের এক বছর: বদলেছে সরকার, বদলায়নি আহতদের জীবন ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান ইরান যুদ্ধের সমীকরণ বদলে আঞ্চলিক পর্যায়ে নিয়ে গেছে: সেনা উপপ্রধান সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট গর্ভনিরোধক সরবরাহ স্বাভাবিক হবে ২-৩ মাসের মধ্যে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামে মৃত্যু ৯৯৭, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৩১৪ জন পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭০)

হোম কুমারখালীর কমার্শিয়াল রেসিডেন্ট মিডলটনের প্রতিকৃতি এঁকেছিলেন এবং পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন দুহাজার রুপি।

রবার্ট হোম (১৭৫২-১৮৩৪) ছিলেন ব্রায়ান হোমের পুত্র। তার বাবা ছিলেন শৈল্য চিকিৎসক। জন্ম তার ইংল্যান্ডে হাল-এ)। অ্যাঞ্জেলিকা কাউফম্যানের অধীনে তিনি চিত্রবিদ্যা অধ্যয়ন করেন। এরপর ইতালি [১৭৭৩-৭৮) ও ডাবলিনে [১৭৮৩-৮৯) পেশাদার চিত্রশিল্পী হিসেবে কাজ করেন। খুব সম্ভব, সুবিধা করতে পারেননি।

তাই রওয়ানা দেন ভারতের উদ্দেশে ১৭৯০ সালে। প্রথমে পা রাখেন মাদ্রাজে, লর্ড কর্ণওয়ালিস যুদ্ধ করলে তাঁর সঙ্গে ভ্রমণ করেন। সেখানে আঁকা তাঁর চিত্রাবলি নিয়ে লন্ডন থেকে ১৭৯৪ সালে প্রকাশিত হয়- সিদ্ধে ভিউজ ইন মাইশোর, দ্য কান্ট্রি অব টিপু সুলতান ১৭৯৫ সাল পর্যন্ত মাদ্রাজে ছিলেন তারপর সঙ্গে আসেন কলকাতা। ১৭৯৫-১৮১৪ সাল পর্যন্ত ছিলেন কলকাতায়। সেখান থেকে চলে যান অযোধ্যার রাজদরবারে প্রতিকৃতি আঁকিয়ে হিসেবে। ১৮১৪ থেকে ১৮২৭ সাল পর্যন্ত সেখানে ছিচ্ছে।

ঢাকার মসজিদ, জর্জ চিনারি, পেনসিল ড্রইং, ১৮০৯, সথেবিস নিলামে বিক্রিত

কলকাতা থাকায় সময় ১৭৯৯ সালের দিকে ঢাকায় এসেছিলেন। লসটি জানাচ্ছেন, হোম কুমারখালীর কমার্শিয়াল রেসিডেন্ট মিডলটনের প্রতিকৃতি এঁকেছিলেন এবং পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন দুহাজার রুপি। সে সময়ের তুলনায় যে তা প্রচুর বলাই বাহুল্য। খুব সম্ভব ছবি আঁকার কমিশন নিয়েই তিনি এসেছিলেন, এবং ঢাকায়ও এসেছিলেন।

ঢাকায় তিনি লালবাগ দুর্গের ফটক নিয়ে একটি তৈলচিত্র আঁকেন। হোম নিশ্চয় আরো কিছু ছবি এঁকেছিলেন কিন্তু তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। ব্রিটিশ লাইব্রেরিয়ে তার আঁকা ২৭টি ছবির সংগ্রহ আছে। হোম কানপুরে মারা যান ১৮-৩৪ সালে।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

তীব্র হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান হামলা, ৯৭ ডলারের কাছাকাছি তেলের দাম

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৭০)

০৭:০০:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

হোম কুমারখালীর কমার্শিয়াল রেসিডেন্ট মিডলটনের প্রতিকৃতি এঁকেছিলেন এবং পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন দুহাজার রুপি।

রবার্ট হোম (১৭৫২-১৮৩৪) ছিলেন ব্রায়ান হোমের পুত্র। তার বাবা ছিলেন শৈল্য চিকিৎসক। জন্ম তার ইংল্যান্ডে হাল-এ)। অ্যাঞ্জেলিকা কাউফম্যানের অধীনে তিনি চিত্রবিদ্যা অধ্যয়ন করেন। এরপর ইতালি [১৭৭৩-৭৮) ও ডাবলিনে [১৭৮৩-৮৯) পেশাদার চিত্রশিল্পী হিসেবে কাজ করেন। খুব সম্ভব, সুবিধা করতে পারেননি।

তাই রওয়ানা দেন ভারতের উদ্দেশে ১৭৯০ সালে। প্রথমে পা রাখেন মাদ্রাজে, লর্ড কর্ণওয়ালিস যুদ্ধ করলে তাঁর সঙ্গে ভ্রমণ করেন। সেখানে আঁকা তাঁর চিত্রাবলি নিয়ে লন্ডন থেকে ১৭৯৪ সালে প্রকাশিত হয়- সিদ্ধে ভিউজ ইন মাইশোর, দ্য কান্ট্রি অব টিপু সুলতান ১৭৯৫ সাল পর্যন্ত মাদ্রাজে ছিলেন তারপর সঙ্গে আসেন কলকাতা। ১৭৯৫-১৮১৪ সাল পর্যন্ত ছিলেন কলকাতায়। সেখান থেকে চলে যান অযোধ্যার রাজদরবারে প্রতিকৃতি আঁকিয়ে হিসেবে। ১৮১৪ থেকে ১৮২৭ সাল পর্যন্ত সেখানে ছিচ্ছে।

ঢাকার মসজিদ, জর্জ চিনারি, পেনসিল ড্রইং, ১৮০৯, সথেবিস নিলামে বিক্রিত

কলকাতা থাকায় সময় ১৭৯৯ সালের দিকে ঢাকায় এসেছিলেন। লসটি জানাচ্ছেন, হোম কুমারখালীর কমার্শিয়াল রেসিডেন্ট মিডলটনের প্রতিকৃতি এঁকেছিলেন এবং পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন দুহাজার রুপি। সে সময়ের তুলনায় যে তা প্রচুর বলাই বাহুল্য। খুব সম্ভব ছবি আঁকার কমিশন নিয়েই তিনি এসেছিলেন, এবং ঢাকায়ও এসেছিলেন।

ঢাকায় তিনি লালবাগ দুর্গের ফটক নিয়ে একটি তৈলচিত্র আঁকেন। হোম নিশ্চয় আরো কিছু ছবি এঁকেছিলেন কিন্তু তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। ব্রিটিশ লাইব্রেরিয়ে তার আঁকা ২৭টি ছবির সংগ্রহ আছে। হোম কানপুরে মারা যান ১৮-৩৪ সালে।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৯)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-৬৯)